
Sign up to save your podcasts
Or


নন্দননগর অঞ্চল ছিল বড় বড় ঝিল আর জঙ্গলে ঘেরা। দেশভাগের পর হল বন কেটে বসত। ঝিলের ধারে ইতিউতি কাঁচা বাড়ি মাথা তুলল। পূর্ব বাংলা থেকে আগত উদ্বাস্তু মানুষজন বসবাস করতে লাগল। তখন থেকেই এখানে শ্রীশ্রীলোকনাথ ব্রহ্মচারীর পূজার্চনা হতো। ভক্তরা বাবা লোকনাথের ছবি নিয়ে পথেঘাটে নামগান করতেন। বিশেষ বিশেষ তিথিতে কোনও ভক্তের বাড়িতে বা স্থানীয় কোনও ক্লাবে সমবেত হয়ে পালন করতেন উৎসব।
আটের দশকের শেষদিকে ভক্তমণ্ডলীর উৎসাহে একটি ছোট্ট লোকনাথ মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই মন্দিরই আজ মহীরুহের রূপ নিয়েছে। মন্দিরের মধ্যভাগে বাবা লোকনাথের শ্বেতশুভ্র বিগ্রহ বিরাজমান। একদিকে রয়েছেন দেবাদিদেব মহেশ্বর, অন্যদিকে রাধাকৃষ্ণের যুগলমূর্তি। নাটমন্দির, ভোগ রান্নার ঘরও রয়েছে এখানে। প্রতি বছর ২৮ আষাঢ় মন্দির প্রতিষ্ঠা দিবসে বিশ্বশান্তি মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। জন্মাষ্টমী, শিবরাত্রি, দোলযাত্রা, বাবার তিরোধান দিবসে ভক্তের ঢল নামে মন্দিরে। লোকনাথ ব্রহ্মচারী মানুষ ও প্রকৃতির কল্যাণময় কর্মে সর্বদা নিয়োজিত থাকতে তাঁর ভক্তদের উপদেশ দিয়ে গেছেন। তাই পূজাপাঠ ছাড়াও চলে সামাজিক কর্মসূচি। প্রতিবন্ধীদের সহায়তা প্রদান, দরিদ্র নারায়ণ সেবা, বস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, চারাগাছ প্রদান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হয় বছরভর। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা, ভক্তদের জন্য অতিথি নিবাস নির্মাণ এবং শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাই এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলে জানালেন বেলঘরিয়া নন্দননগর লোকনাথ সেবা নিকেতনের সম্পাদক রঞ্জিত দাস।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304
By ARNAB CHAKRABORTYনন্দননগর অঞ্চল ছিল বড় বড় ঝিল আর জঙ্গলে ঘেরা। দেশভাগের পর হল বন কেটে বসত। ঝিলের ধারে ইতিউতি কাঁচা বাড়ি মাথা তুলল। পূর্ব বাংলা থেকে আগত উদ্বাস্তু মানুষজন বসবাস করতে লাগল। তখন থেকেই এখানে শ্রীশ্রীলোকনাথ ব্রহ্মচারীর পূজার্চনা হতো। ভক্তরা বাবা লোকনাথের ছবি নিয়ে পথেঘাটে নামগান করতেন। বিশেষ বিশেষ তিথিতে কোনও ভক্তের বাড়িতে বা স্থানীয় কোনও ক্লাবে সমবেত হয়ে পালন করতেন উৎসব।
আটের দশকের শেষদিকে ভক্তমণ্ডলীর উৎসাহে একটি ছোট্ট লোকনাথ মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই মন্দিরই আজ মহীরুহের রূপ নিয়েছে। মন্দিরের মধ্যভাগে বাবা লোকনাথের শ্বেতশুভ্র বিগ্রহ বিরাজমান। একদিকে রয়েছেন দেবাদিদেব মহেশ্বর, অন্যদিকে রাধাকৃষ্ণের যুগলমূর্তি। নাটমন্দির, ভোগ রান্নার ঘরও রয়েছে এখানে। প্রতি বছর ২৮ আষাঢ় মন্দির প্রতিষ্ঠা দিবসে বিশ্বশান্তি মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। জন্মাষ্টমী, শিবরাত্রি, দোলযাত্রা, বাবার তিরোধান দিবসে ভক্তের ঢল নামে মন্দিরে। লোকনাথ ব্রহ্মচারী মানুষ ও প্রকৃতির কল্যাণময় কর্মে সর্বদা নিয়োজিত থাকতে তাঁর ভক্তদের উপদেশ দিয়ে গেছেন। তাই পূজাপাঠ ছাড়াও চলে সামাজিক কর্মসূচি। প্রতিবন্ধীদের সহায়তা প্রদান, দরিদ্র নারায়ণ সেবা, বস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, চারাগাছ প্রদান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হয় বছরভর। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা, ভক্তদের জন্য অতিথি নিবাস নির্মাণ এবং শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাই এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলে জানালেন বেলঘরিয়া নন্দননগর লোকনাথ সেবা নিকেতনের সম্পাদক রঞ্জিত দাস।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304