
Sign up to save your podcasts
Or


কার্তিক মাসের দীপান্বিতা অমাবস্যায় হয় কালীপুজো। সেদিন থেকেই রাঢ় বাংলার বিস্তীর্ণ এলাকায় মানুষ মেতে ওঠে বাঁধনা পরবে। মূলত বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার বিস্তীর্ণ অংশে পালিত হয় কৃষিভিত্তিক এই উৎসব। মেতে ওঠেন আদিবাসী, কুড়মি থেকে শুরু করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন। এই পরব আসলে বন্দনার মাধ্যমে গোরুকে কৃতজ্ঞতা জানানোর রীতি। তাই অনেকে মনে করেন, ‘বন্দনা’ থেকেই বাঁধনা শব্দটি এসেছে। এই সময় গোরুকে একটি খুঁটিতে বেঁধে, সিংয়ে হলুদ-সিঁদুর লাগিয়ে কিছু রীতি পালন করা হয়। সেই ‘বন্ধন’ বা ‘বাঁধন’ থেকেও বাঁধনা শব্দ এসেছে বলে মনে করা হয়। শব্দের ব্যুৎপত্তি যা-ই হোক না কেন, এ পরব জঙ্গলমহল তথা রাঢ় বাংলার কৃষিজীবী মানুষের প্রাণের উদযাপন। আধুনিক প্রযুক্তির নানা যন্ত্রপাতি আসার আগে কৃষিক্ষেত্রের নানা কাজ, সে হাল দেওয়া হোক বা ধান রোপণের জমি সমান করা, সবই হতো গোরু দিয়ে। শীতের সূচনায় মাঠে মাঠে যখন পাকা ধানের আশ্বাস, তখন গোধনের বন্দনায় মেতে ওঠে কৃষিজীবী পরিবারগুলি। অমাবস্যার পরের দিন, প্রতিপদে হয় গোয়াল পুজো। আর দ্বিতীয়া অর্থাৎ ভাইফোঁটায় হয় ‘গোরু খোঁটান’। গোয়ালের নোংরা-আবর্জনা সাফাই করে ধূপ-ধুনো জ্বালিয়ে গোয়াল পুজোর আয়োজন হয়। কৃষক রমণী হলুদ, সিঁদুর মাখিয়ে দেয় গোরুর সিংয়ে। [9:35 pm, 23/11/2023] অর্ণব: খাইয়ে দেয় চালের গুঁড়োর পিঠে। আর পাঁচটা লৌকিক রীতি বা বিশ্বাসের মতো বাঁধনা পরবের আচারও এলাকাভিত্তিক পাল্টে যায়। কুড়মি-মাহাতরা যেভাবে এ পরব পালন করেন, আদিবাসী বা হিন্দুদের ক্ষেত্রে সেই রীতি কিছুটা আলাদা। তবে সব ক্ষেত্রেই বাঁধনা পরবের কেন্দ্রে থাকে গোরু। কৃষিকাজে এই প্রাণীটির অপরিসীম ভূমিকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এই পরবের মূল কথা।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304
By ARNAB CHAKRABORTYকার্তিক মাসের দীপান্বিতা অমাবস্যায় হয় কালীপুজো। সেদিন থেকেই রাঢ় বাংলার বিস্তীর্ণ এলাকায় মানুষ মেতে ওঠে বাঁধনা পরবে। মূলত বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার বিস্তীর্ণ অংশে পালিত হয় কৃষিভিত্তিক এই উৎসব। মেতে ওঠেন আদিবাসী, কুড়মি থেকে শুরু করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন। এই পরব আসলে বন্দনার মাধ্যমে গোরুকে কৃতজ্ঞতা জানানোর রীতি। তাই অনেকে মনে করেন, ‘বন্দনা’ থেকেই বাঁধনা শব্দটি এসেছে। এই সময় গোরুকে একটি খুঁটিতে বেঁধে, সিংয়ে হলুদ-সিঁদুর লাগিয়ে কিছু রীতি পালন করা হয়। সেই ‘বন্ধন’ বা ‘বাঁধন’ থেকেও বাঁধনা শব্দ এসেছে বলে মনে করা হয়। শব্দের ব্যুৎপত্তি যা-ই হোক না কেন, এ পরব জঙ্গলমহল তথা রাঢ় বাংলার কৃষিজীবী মানুষের প্রাণের উদযাপন। আধুনিক প্রযুক্তির নানা যন্ত্রপাতি আসার আগে কৃষিক্ষেত্রের নানা কাজ, সে হাল দেওয়া হোক বা ধান রোপণের জমি সমান করা, সবই হতো গোরু দিয়ে। শীতের সূচনায় মাঠে মাঠে যখন পাকা ধানের আশ্বাস, তখন গোধনের বন্দনায় মেতে ওঠে কৃষিজীবী পরিবারগুলি। অমাবস্যার পরের দিন, প্রতিপদে হয় গোয়াল পুজো। আর দ্বিতীয়া অর্থাৎ ভাইফোঁটায় হয় ‘গোরু খোঁটান’। গোয়ালের নোংরা-আবর্জনা সাফাই করে ধূপ-ধুনো জ্বালিয়ে গোয়াল পুজোর আয়োজন হয়। কৃষক রমণী হলুদ, সিঁদুর মাখিয়ে দেয় গোরুর সিংয়ে। [9:35 pm, 23/11/2023] অর্ণব: খাইয়ে দেয় চালের গুঁড়োর পিঠে। আর পাঁচটা লৌকিক রীতি বা বিশ্বাসের মতো বাঁধনা পরবের আচারও এলাকাভিত্তিক পাল্টে যায়। কুড়মি-মাহাতরা যেভাবে এ পরব পালন করেন, আদিবাসী বা হিন্দুদের ক্ষেত্রে সেই রীতি কিছুটা আলাদা। তবে সব ক্ষেত্রেই বাঁধনা পরবের কেন্দ্রে থাকে গোরু। কৃষিকাজে এই প্রাণীটির অপরিসীম ভূমিকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এই পরবের মূল কথা।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304