
Sign up to save your podcasts
Or


তারপর?
সকাল সকাল টাটকা শাকসব্জী কে না চায়। আর তা যদি একটু কমে পাওয়া যায়, তাহলে তো আর কথাই নেই। আবার ভালো মানের মুদিখানা বা দশকর্মা ভাণ্ডারের খোঁজ চাই। তাও আছে। একেবারে এক ছাতার তলায় মিলবে শাকসব্জী থেকে মাছ-মাংস মায়, মুদিখানা-দশকর্মার নানা জিনিস। তার জন্যই লোকে একডাকে চেনেন যদুবাবুর বাজারকে। ভবানীপুর অঞ্চলে স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় রোডের বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে বসে এই বাজার। কিন্তু বাজারটির এই নামকরণের পিছনে ঠিক কী কারণ লুকিয়ে রয়েছে? তা জানতে হলে আমাদের ডুব দিতে হবে ইতিহাসের অতলে।
এখন যেখানে এই বাজার, সেখানেই এককালে ছিল মস্ত এক বাগানবাড়ি। ১৭৭৪ সালে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপিত হলে যে চারজন বিচারপতি আসেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন স্যার রবার্ট চেম্বার্স। তিনিই এই বাগানবাড়ি কেনেন। পরবর্তীতে তাঁর থেকে ওই বাগানবাড়িটি কিনে নেন রানি রাসমণি। এরপর নাতি যদুনাথ সরকারের নামে তা লিখে দেন। এই যদুনাথ ছিলেন রাসমণিদেবীর দ্বিতীয়া কন্যা কুমারী দাসীর ছেলে। তাঁর বাবার নাম ছিল প্যারীমোহন চৌধুরী।
এই যদুনাথ সরকার প্রাথমিকভাবে তাঁর বাড়ির চারপাশে বিক্রেতাদের জিনিসপত্র বিক্রি করতে দিতেন। একটা-দুটো করে দোকান বাড়তে বাড়তে একসময় এই অঞ্চলটি বাজার হিসেবেই প্রসিদ্ধি লাভ করে। নাম হয়ে যদুবাবুর বাজার। আবার অনেকে একে ভুল করে জগুবাবুর বাজার বলেও ডাকেন। আসলে লোকমুখে এই যদুবাবুই হয়ে উঠেছেন জগুবাবু। আর বাজারের নাম হয়েছে জগুবাবুর বাজার। বর্তমানে ভবানীপুরে আশুতোষ মুখোপাধ্যায় রোড সংলগ্ন এলাকার বিস্তৃত জায়গা জুড়ে বসে এই বাজার। বাজারের বেশ কিছুটা অংশ ছাউনির নীচে। আবার কিছু দোকানি বসেন খোলা আকাশের নীচে। ভোর থেকে গভীর রাত অবধি শতাব্দীপ্রাচীন এই বাজারে চলে বিকিকিনি। দক্ষিণ কলকাতার এই জনপ্রিয় বাজারটি ভোজনরসিক বাঙালির এক অতিপরিচিত আড্ডাখানাও বটে।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304
By ARNAB CHAKRABORTYতারপর?
সকাল সকাল টাটকা শাকসব্জী কে না চায়। আর তা যদি একটু কমে পাওয়া যায়, তাহলে তো আর কথাই নেই। আবার ভালো মানের মুদিখানা বা দশকর্মা ভাণ্ডারের খোঁজ চাই। তাও আছে। একেবারে এক ছাতার তলায় মিলবে শাকসব্জী থেকে মাছ-মাংস মায়, মুদিখানা-দশকর্মার নানা জিনিস। তার জন্যই লোকে একডাকে চেনেন যদুবাবুর বাজারকে। ভবানীপুর অঞ্চলে স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় রোডের বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে বসে এই বাজার। কিন্তু বাজারটির এই নামকরণের পিছনে ঠিক কী কারণ লুকিয়ে রয়েছে? তা জানতে হলে আমাদের ডুব দিতে হবে ইতিহাসের অতলে।
এখন যেখানে এই বাজার, সেখানেই এককালে ছিল মস্ত এক বাগানবাড়ি। ১৭৭৪ সালে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপিত হলে যে চারজন বিচারপতি আসেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন স্যার রবার্ট চেম্বার্স। তিনিই এই বাগানবাড়ি কেনেন। পরবর্তীতে তাঁর থেকে ওই বাগানবাড়িটি কিনে নেন রানি রাসমণি। এরপর নাতি যদুনাথ সরকারের নামে তা লিখে দেন। এই যদুনাথ ছিলেন রাসমণিদেবীর দ্বিতীয়া কন্যা কুমারী দাসীর ছেলে। তাঁর বাবার নাম ছিল প্যারীমোহন চৌধুরী।
এই যদুনাথ সরকার প্রাথমিকভাবে তাঁর বাড়ির চারপাশে বিক্রেতাদের জিনিসপত্র বিক্রি করতে দিতেন। একটা-দুটো করে দোকান বাড়তে বাড়তে একসময় এই অঞ্চলটি বাজার হিসেবেই প্রসিদ্ধি লাভ করে। নাম হয়ে যদুবাবুর বাজার। আবার অনেকে একে ভুল করে জগুবাবুর বাজার বলেও ডাকেন। আসলে লোকমুখে এই যদুবাবুই হয়ে উঠেছেন জগুবাবু। আর বাজারের নাম হয়েছে জগুবাবুর বাজার। বর্তমানে ভবানীপুরে আশুতোষ মুখোপাধ্যায় রোড সংলগ্ন এলাকার বিস্তৃত জায়গা জুড়ে বসে এই বাজার। বাজারের বেশ কিছুটা অংশ ছাউনির নীচে। আবার কিছু দোকানি বসেন খোলা আকাশের নীচে। ভোর থেকে গভীর রাত অবধি শতাব্দীপ্রাচীন এই বাজারে চলে বিকিকিনি। দক্ষিণ কলকাতার এই জনপ্রিয় বাজারটি ভোজনরসিক বাঙালির এক অতিপরিচিত আড্ডাখানাও বটে।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304