
Sign up to save your podcasts
Or


আজ একটি নতুন তথ্য নিয়ে চলে এলাম।নতুন তথ্য মানেই নতুন পর্ব।আজ করম পুজো,তাই সারা রাজ্যে করম পুজোর ছুটির আবহে করম পুজোর ইতিহাস।সেই তথ্য জানতে আজ কথায় কথায়,'একটি অজানা গল্প' শুনতে হবে।।
‘করম ডাল কাইটতে গেলি/ করম ছলমল/ রাজার বেটা বাহিরাঁঞছে/ টাঙ্গি ঝলমল’— রাঢ় বাংলা তথা বৃহত্তর জঙ্গলমহলের আদিবাসী, সাঁওতাল, কুড়মি, ভূমিজ অধ্যুষিত জনপদে ভাদ্র মাসের শুক্লা একাদশীতে পালিত হয় করম পরব বা করম পুজো। সৃষ্টি ও সমৃদ্ধির আশায় চাঁদের সঙ্গে রাত জাগে কৃষক দম্পতি। জ্যোৎস্নারাতে ভেসে আসে মাদলের দ্রিমি দ্রিমি রব। রাত জেগে চলে জাওয়া গান, ভাদরিয়া ঝুমুর।
প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লা একাদশী তিথিতে হয় করম পুজো। এর সাতদিন বা পাঁচদিন আগে থেকে অবিবাহিত মেয়েরা বিভিন্ন ব্রত বা আচার পালন শুরু করে। নদী বা পুকুরে স্নান করে বাঁশের ছোট টোপা এবং ডালায় বালি ভর্তি করে আনে। সেগুলি গ্রামের এক প্রান্তে রেখে তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় গান গাইতে গাইতে। তারপর তেল, হলুদ দিয়ে মাখা হয় ছোলা, মুগ, মটর ইত্যাদি নানারকম শস্যদানা। পরের দিন অবিবাহিত মেয়েরা স্নান করে ভিজে কাপড়ে শালপাতার থালায় রাখা বীজগুলি ডালা ও টোপায় বুনে দেন। শেষ হয় ‘জাওয়া পাতা’।
পরদিন করম পুজো। সকালে পুরুষরা বনে গিয়ে সংগ্রহ করে আনেন করম গাছ বা শাল গাছের ডাল। গ্রামের প্রবীণদের নির্দিষ্ট করে দেওয়া স্থানে দু’টি করম ডাল পোঁতা হয়। সন্ধ্যার পর এই করম ডালকেই করম ঠাকুর হিসেবে পুজো করা হয়। সকাল থেকে উপোস করা কুমারী মেয়েরা সন্ধ্যার পর থালায় ফুল, নৈবেদ্য সাজিয়ে হাজির হয়। সারারাত চলে নাচগান। বিপদে একে অপরকে রক্ষা করার শপথ নিয়ে মেয়েরা পরিয়ে দেয় রাখি। এ রাখির নাম ‘করমডোর’। তারা হয়ে যায় হয় একে অন্যের ‘করমসখী’। সকাল হলে জাওয়ায় অঙ্কুরিত বীজ মেয়েরা ভাগ করে নিয়ে বাড়ির আশপাশে ছড়িয়ে দেয়। করম ডাল জলে ভাসিয়ে শেষ হয় পরব।
অপ্রকাশিত ছন্দে ইতি, তোমাদের অর্ণব।এখানে আমি তুমি আর কিছু কথা চলো সাজিয়ে রেখেছি।শেষটি অবশ্যই শুনবেন আশা রাখি।দরকারে skip করেই শুনবেন।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
পাঠে:অর্ণব।
মুলভাষা:বাংলা
নতুন পর্ব কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না।আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম,এপারে
Facebook:
Https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
Https://instagram.com/eti_tomader_arnab
By ARNAB CHAKRABORTYআজ একটি নতুন তথ্য নিয়ে চলে এলাম।নতুন তথ্য মানেই নতুন পর্ব।আজ করম পুজো,তাই সারা রাজ্যে করম পুজোর ছুটির আবহে করম পুজোর ইতিহাস।সেই তথ্য জানতে আজ কথায় কথায়,'একটি অজানা গল্প' শুনতে হবে।।
‘করম ডাল কাইটতে গেলি/ করম ছলমল/ রাজার বেটা বাহিরাঁঞছে/ টাঙ্গি ঝলমল’— রাঢ় বাংলা তথা বৃহত্তর জঙ্গলমহলের আদিবাসী, সাঁওতাল, কুড়মি, ভূমিজ অধ্যুষিত জনপদে ভাদ্র মাসের শুক্লা একাদশীতে পালিত হয় করম পরব বা করম পুজো। সৃষ্টি ও সমৃদ্ধির আশায় চাঁদের সঙ্গে রাত জাগে কৃষক দম্পতি। জ্যোৎস্নারাতে ভেসে আসে মাদলের দ্রিমি দ্রিমি রব। রাত জেগে চলে জাওয়া গান, ভাদরিয়া ঝুমুর।
প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লা একাদশী তিথিতে হয় করম পুজো। এর সাতদিন বা পাঁচদিন আগে থেকে অবিবাহিত মেয়েরা বিভিন্ন ব্রত বা আচার পালন শুরু করে। নদী বা পুকুরে স্নান করে বাঁশের ছোট টোপা এবং ডালায় বালি ভর্তি করে আনে। সেগুলি গ্রামের এক প্রান্তে রেখে তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় গান গাইতে গাইতে। তারপর তেল, হলুদ দিয়ে মাখা হয় ছোলা, মুগ, মটর ইত্যাদি নানারকম শস্যদানা। পরের দিন অবিবাহিত মেয়েরা স্নান করে ভিজে কাপড়ে শালপাতার থালায় রাখা বীজগুলি ডালা ও টোপায় বুনে দেন। শেষ হয় ‘জাওয়া পাতা’।
পরদিন করম পুজো। সকালে পুরুষরা বনে গিয়ে সংগ্রহ করে আনেন করম গাছ বা শাল গাছের ডাল। গ্রামের প্রবীণদের নির্দিষ্ট করে দেওয়া স্থানে দু’টি করম ডাল পোঁতা হয়। সন্ধ্যার পর এই করম ডালকেই করম ঠাকুর হিসেবে পুজো করা হয়। সকাল থেকে উপোস করা কুমারী মেয়েরা সন্ধ্যার পর থালায় ফুল, নৈবেদ্য সাজিয়ে হাজির হয়। সারারাত চলে নাচগান। বিপদে একে অপরকে রক্ষা করার শপথ নিয়ে মেয়েরা পরিয়ে দেয় রাখি। এ রাখির নাম ‘করমডোর’। তারা হয়ে যায় হয় একে অন্যের ‘করমসখী’। সকাল হলে জাওয়ায় অঙ্কুরিত বীজ মেয়েরা ভাগ করে নিয়ে বাড়ির আশপাশে ছড়িয়ে দেয়। করম ডাল জলে ভাসিয়ে শেষ হয় পরব।
অপ্রকাশিত ছন্দে ইতি, তোমাদের অর্ণব।এখানে আমি তুমি আর কিছু কথা চলো সাজিয়ে রেখেছি।শেষটি অবশ্যই শুনবেন আশা রাখি।দরকারে skip করেই শুনবেন।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
পাঠে:অর্ণব।
মুলভাষা:বাংলা
নতুন পর্ব কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না।আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম,এপারে
Facebook:
Https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
Https://instagram.com/eti_tomader_arnab