
Sign up to save your podcasts
Or


আড্ডাপ্রিয় জাতি হিসেবে বাঙালির খ্যাতি ভুবনজোড়া। সে পাড়ার চায়ের দোকানেই হোক বা বাড়ির বসার ঘরে। আর এই আড্ডায় বাঙালির প্রধান উপকরণ— চা আর বিস্কুট। এই বিস্কুটের তালিকায় সবার আগে নাম রয়েছে মারির। সোনালি, গোলাকার, হাল্কা মিষ্টি এবং মুচমুচে। বিস্কুটের উপরে নানান ধরনের কারুকার্য। সঙ্গে লেখা ‘মারি’। ব্রিটিশদের আমরা বিদায় দিয়েছি ঠিকই। কিন্তু তাদের তৈরি এই লোভনীয় খাদ্য বস্তুটিকে ত্যাগ করতে পারিনি। কিন্তু কীভাবে তৈরি হল এই মারি বিস্কুট? এর পিছনে রয়েছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। ১৮৭৪ সাল। রাশিয়ার গ্র্যান্ড ডাচেস মারিয়া আলেকজান্দ্রোভনার সঙ্গে ডিউক অব এডিনবরা আলফ্রেডের বিবাহ। সেই উপলক্ষ্যেই এক নতুন ধরনের মিষ্টি বিস্কুট তৈরি করল লন্ডনের বেকারি পিক ফ্রিয়ান্স। তখন অবশ্য মারি নামকরণ হয়নি। শুধু বিস্কুটের মধ্যিখানে খোদাই করা ছিল মারিয়া নামটি। আবিষ্কারের পরেই ইউরোপজুড়ে বংশ বিস্তার করে ব্রিটিশদের এই সৃষ্টি। গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময় পর্তুগাল ও স্পেনের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোকে বাঁচিয়ে রেখেছিল এই গোলাকার বিস্কুট। প্রথমে নাম ছিল মারিয়া। তা থেকেই পরবর্তীতে মারি নামের উৎপত্তি। ভারতে অবশ্য ব্রিটিশদের হাত ধরেই এটির আগমন। সৌজন্যে শতাব্দীপ্রাচীন এক কোম্পানি। ১৮৯২ সালে মাত্র ২৯৫ টাকা পুঁজি নিয়ে তৈরি হয় এই প্রতিষ্ঠান। মারির আবিষ্কর্তা পিক ফ্রিয়ান্সও একসময় এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল।
অনেকে ভাবেন, বাঙালিকে তুষ্ট করতেই এদেশে মারির আগমন! এমনটা মোটেই নয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিকদের বিস্কুট সরবরাহ করা। সেই তালিকায় ছিল মারিও। তারপর কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, স্বাধীনতা পেরিয়ে আজও বাঙালির চায়ের নিত্যসঙ্গী এই বিস্কুট।
আর সেই তথ্য জানতে আজ কথায় কথায়,'একটি অজানা গল্প' শুনতে হবে।
অপ্রকাশিত ছন্দে ইতি, তোমাদের অর্ণব।এখানে আমি তুমি আর কিছু কথা চলো সাজিয়ে রেখেছি।
শেষটি অবশ্যই শুনবেন আশা রাখি।দরকারে skip করেই শুনবেন।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
পাঠে:অর্ণব।
মুলভাষা:বাংলা
নতুন পর্ব কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না।
আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম,এপারে
Facebook:
Https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
Https://instagram.com/eti_tomader_arnab
By ARNAB CHAKRABORTYআড্ডাপ্রিয় জাতি হিসেবে বাঙালির খ্যাতি ভুবনজোড়া। সে পাড়ার চায়ের দোকানেই হোক বা বাড়ির বসার ঘরে। আর এই আড্ডায় বাঙালির প্রধান উপকরণ— চা আর বিস্কুট। এই বিস্কুটের তালিকায় সবার আগে নাম রয়েছে মারির। সোনালি, গোলাকার, হাল্কা মিষ্টি এবং মুচমুচে। বিস্কুটের উপরে নানান ধরনের কারুকার্য। সঙ্গে লেখা ‘মারি’। ব্রিটিশদের আমরা বিদায় দিয়েছি ঠিকই। কিন্তু তাদের তৈরি এই লোভনীয় খাদ্য বস্তুটিকে ত্যাগ করতে পারিনি। কিন্তু কীভাবে তৈরি হল এই মারি বিস্কুট? এর পিছনে রয়েছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। ১৮৭৪ সাল। রাশিয়ার গ্র্যান্ড ডাচেস মারিয়া আলেকজান্দ্রোভনার সঙ্গে ডিউক অব এডিনবরা আলফ্রেডের বিবাহ। সেই উপলক্ষ্যেই এক নতুন ধরনের মিষ্টি বিস্কুট তৈরি করল লন্ডনের বেকারি পিক ফ্রিয়ান্স। তখন অবশ্য মারি নামকরণ হয়নি। শুধু বিস্কুটের মধ্যিখানে খোদাই করা ছিল মারিয়া নামটি। আবিষ্কারের পরেই ইউরোপজুড়ে বংশ বিস্তার করে ব্রিটিশদের এই সৃষ্টি। গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময় পর্তুগাল ও স্পেনের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোকে বাঁচিয়ে রেখেছিল এই গোলাকার বিস্কুট। প্রথমে নাম ছিল মারিয়া। তা থেকেই পরবর্তীতে মারি নামের উৎপত্তি। ভারতে অবশ্য ব্রিটিশদের হাত ধরেই এটির আগমন। সৌজন্যে শতাব্দীপ্রাচীন এক কোম্পানি। ১৮৯২ সালে মাত্র ২৯৫ টাকা পুঁজি নিয়ে তৈরি হয় এই প্রতিষ্ঠান। মারির আবিষ্কর্তা পিক ফ্রিয়ান্সও একসময় এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল।
অনেকে ভাবেন, বাঙালিকে তুষ্ট করতেই এদেশে মারির আগমন! এমনটা মোটেই নয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিকদের বিস্কুট সরবরাহ করা। সেই তালিকায় ছিল মারিও। তারপর কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, স্বাধীনতা পেরিয়ে আজও বাঙালির চায়ের নিত্যসঙ্গী এই বিস্কুট।
আর সেই তথ্য জানতে আজ কথায় কথায়,'একটি অজানা গল্প' শুনতে হবে।
অপ্রকাশিত ছন্দে ইতি, তোমাদের অর্ণব।এখানে আমি তুমি আর কিছু কথা চলো সাজিয়ে রেখেছি।
শেষটি অবশ্যই শুনবেন আশা রাখি।দরকারে skip করেই শুনবেন।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
পাঠে:অর্ণব।
মুলভাষা:বাংলা
নতুন পর্ব কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না।
আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম,এপারে
Facebook:
Https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
Https://instagram.com/eti_tomader_arnab