
Sign up to save your podcasts
Or


১৯৭৮ সাল। মাথায় লাল গামছা বেঁধে অমিতাভ বচ্চন গেয়ে উঠেছিলেন, ‘খাইকে পান বনারসওয়ালা, খুল জায়ে বন্ধ আকল কা তালা...।’ ‘ডন’ সিনেমার সেই গানের মধ্যে দিয়ে বেনারসি পানের মাহাত্ম্য হয়েছে চিরস্মরণীয়। কী আছে এই বেনারসি পানে? স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, পান নয়, আসল রহস্য লুকিয়ে জর্দার মধ্যে। হাল্কা মিষ্টি গন্ধ, সঙ্গে অদ্ভুত এক আমেজ রয়েছে এই বেনারসি জর্দায়। এতটাই ‘লাইট’ যে জর্দার পরিমাণ একটু বেশি হলেও মাথা ঘোরার ভয় নেই।
গদোলিয়া থেকে জ্ঞানবাপী। বিশ্বনাথ মন্দির লাগোয়া সব রাস্তার মোড়ে-মোড়ে পর পর পানের দোকান। জর্দা হোক বা মিঠা পান, শুধু বলার অপেক্ষা। নির্দেশ পাওয়ামাত্র রকমারি মশলায় পান বানিয়ে দিতে সদাপ্রস্তুত দোকানিরা। মিঠা পানে রসাস্বাদনের মজা থাকলেও আমেজ লুকিয়ে জর্দা পানে। নির্দিষ্ট কোনও নাম বা ব্র্যান্ড নেই। স্থানীয়দের কাছে এর পরিচিতি ‘বেনারসি জর্দা’ বলেই। দশাশ্বমেধ ঘাট লাগোয়া বিভিন্ন দোকান আদতে পান-মশলার ভাণ্ডার। মিঠা মশলা থেকে বেনারসি জর্দা। যা চাইবেন সবই রয়েছে। তবে স্থানীয় দোকানিদের অভিজ্ঞ হাতে তৈরি এই পান না খেলে ‘বন্ধ আকল কা তালা’ সহজে খুলবে না।
এ তো গেল জর্দা পানের কথা। কিন্তু অনেকে আবার জর্দা খান না। তাঁদের জন্য রয়েছে এক সে এক-মিঠা পানের সম্ভার। চাহিদামতো অল্প মিষ্টি থেকে চামচভর্তি চাটনি দিয়ে তৈরি হয় বরফ ঠান্ডা পান। বাড়তি পাওনা নানা ধরনের মশলা। মাপে সে পান এতটাই বড় যে একবারে মুখে পোরা কঠিন। মুখে একটু রেখে চিবোতে শুরু করলেই জিভে লাগবে নানা স্বাদের ছোঁয়া। বেনারস ভ্রমণে গিয়ে কেউ যদি এসব পান না খান, তাহলে মধুরেণ সমাপয়েৎ অধরাই থেকে যাবে।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304
By ARNAB CHAKRABORTY১৯৭৮ সাল। মাথায় লাল গামছা বেঁধে অমিতাভ বচ্চন গেয়ে উঠেছিলেন, ‘খাইকে পান বনারসওয়ালা, খুল জায়ে বন্ধ আকল কা তালা...।’ ‘ডন’ সিনেমার সেই গানের মধ্যে দিয়ে বেনারসি পানের মাহাত্ম্য হয়েছে চিরস্মরণীয়। কী আছে এই বেনারসি পানে? স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, পান নয়, আসল রহস্য লুকিয়ে জর্দার মধ্যে। হাল্কা মিষ্টি গন্ধ, সঙ্গে অদ্ভুত এক আমেজ রয়েছে এই বেনারসি জর্দায়। এতটাই ‘লাইট’ যে জর্দার পরিমাণ একটু বেশি হলেও মাথা ঘোরার ভয় নেই।
গদোলিয়া থেকে জ্ঞানবাপী। বিশ্বনাথ মন্দির লাগোয়া সব রাস্তার মোড়ে-মোড়ে পর পর পানের দোকান। জর্দা হোক বা মিঠা পান, শুধু বলার অপেক্ষা। নির্দেশ পাওয়ামাত্র রকমারি মশলায় পান বানিয়ে দিতে সদাপ্রস্তুত দোকানিরা। মিঠা পানে রসাস্বাদনের মজা থাকলেও আমেজ লুকিয়ে জর্দা পানে। নির্দিষ্ট কোনও নাম বা ব্র্যান্ড নেই। স্থানীয়দের কাছে এর পরিচিতি ‘বেনারসি জর্দা’ বলেই। দশাশ্বমেধ ঘাট লাগোয়া বিভিন্ন দোকান আদতে পান-মশলার ভাণ্ডার। মিঠা মশলা থেকে বেনারসি জর্দা। যা চাইবেন সবই রয়েছে। তবে স্থানীয় দোকানিদের অভিজ্ঞ হাতে তৈরি এই পান না খেলে ‘বন্ধ আকল কা তালা’ সহজে খুলবে না।
এ তো গেল জর্দা পানের কথা। কিন্তু অনেকে আবার জর্দা খান না। তাঁদের জন্য রয়েছে এক সে এক-মিঠা পানের সম্ভার। চাহিদামতো অল্প মিষ্টি থেকে চামচভর্তি চাটনি দিয়ে তৈরি হয় বরফ ঠান্ডা পান। বাড়তি পাওনা নানা ধরনের মশলা। মাপে সে পান এতটাই বড় যে একবারে মুখে পোরা কঠিন। মুখে একটু রেখে চিবোতে শুরু করলেই জিভে লাগবে নানা স্বাদের ছোঁয়া। বেনারস ভ্রমণে গিয়ে কেউ যদি এসব পান না খান, তাহলে মধুরেণ সমাপয়েৎ অধরাই থেকে যাবে।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304