শাক্ত পদাবলীর উদ্ভব হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীতে। শক্তির উপাসকদের বলা হয় শাক্ত।মাতৃশক্তির আরাধনা করে যাঁরা কবিতা/পদ,গান রচনা করেন তাঁদেরকে বলা হয় পদকর্তা। শক্তিদেবী ও শক্তিতক্তের আলোচনা শাক্তপদাবলীর আলোচ্য বিষয়। বাংলায় শক্তি দেবীর দুটি রূপ -একটি মাতৃরূপ ও অন্যটি কন্যারূপ।মাতৃরূপটি হল দেবীর কালিকামূর্তি আর কন্যারূপটি হল পার্বতী বা উমা।'উ'শব্দের অর্থ 'শিব','মা' শব্দের অর্থ 'শ্রী',অর্থাৎ যিনি শিবকে পতিরূপে ধ্যান করেন তিনি উমা।বিজয়া সঙ্গীত মাতৃ হৃদয়ের বেদনা সঙ্গীত।নবমীর প্রভাত থেকেই শুরু হয় বিজয়ার সুর।কন্যার সঙ্গে আসন্ন বিরহের বেদনায় মায়ের অশ্রু বাধা মানে না।😭😭😭😭😭শাক্তপদাবলীর পদকর্তা বা কবিগণ মেনকার মর্মভেদী হাহাকারের দিকটি "বিজয়ার পদ" গুলিতে অসাধারণ ভাবে প্রকাশ করেছেন। ❤️❤️❤️❤️🙏🙏🙏🙏🙏🙏