
Sign up to save your podcasts
Or


পরিবার অত্যন্ত রক্ষণশীল। কিন্তু, সেই পরিবারের কলেজ পড়ুয়া মেয়েই নাকি পাড়ার এক ছেলের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করল! বাড়ি থেকে সোজা রেজিস্ট্রি অফিস। ছোট থেকেই শাড়ি পরতেন বলে বেরনোর সময় কেউ সন্দেহও করেননি। সাহস করে স্বামীর হাত ধরে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু, বাবা মেনে নেননি। ঠাঁই হল এক চিলতে ঘরে। জীবন যত এগিয়েছে, জীবনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে অভিজ্ঞতার ঝুলিও পূর্ণ হয়েছে। শহুরে মধ্যবিত্ত জীবন ও মেয়েদের কথাই বারবার ধরা পড়েছে তাঁর কলমে। লক্ষ লক্ষ পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন লেখিকা সুচিত্রা ভট্টাচার্য।
১৯৫০ সালে ১০ জানুয়ারি জন্ম বিহারের ভাগলপুরে। মামাবাড়িতে। পৈতৃক বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে। পড়াশোনা শুরু কলকাতাতেই। লেডি ব্রেবোর্নে ভর্তি হয়েছিলেন। ফার্স্ট ইয়ারে পড়ার সময় বিয়ে। কিন্তু, মাতৃত্ব ও পড়াশোনা একসঙ্গে সামলানো সম্ভব হয়নি। পরে যোগমায়াদেবী কলেজ থেকে স্নাতক হন। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি পছন্দ করতেন। গল্পপত্র পত্রিকায় সুচিত্রাদেবীর লেখা দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন সাহিত্যিক বিমল কর। লেখার পাশাপাশি নাচতে, গান শুনতে, বেড়াতে, রান্না করতেও ভালোবাসতেন। কেরিয়ার শুরু ছোট ছোট কাজকর্ম দিয়ে। ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ’৭৯-তে ‘ওজন ও পরিমাপ’ দপ্তরে চাকরি। পরে চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে পুরোপুরি লেখায় মনোনিবেশ করেন। মিতিন মাসি চরিত্রের স্রষ্টা সুচিত্রা দেবীর কলম থেকে বেরিয়েছে কাছের মানুষ, দহন, হেমন্তের পাখি, নীল ঘূর্ণি, অলীক সুখ, আমি রাইকিশোরী, জলছবি, আয়নামহল, মারণ বাতাস, সহেলী-র মতো একের পর এক কালজয়ী সাহিত্য। পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। তাঁর লেখা থেকে ‘দহন’, ‘ইচ্ছে’, ‘রামধনু’, ‘অলীক সুখ’-এর মতো বেশ কিছু জনপ্রিয় ছবি তৈরি হয়েছে। চিত্রপরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ তৈরি করেছিলেন ‘দহন’। একাধিক বিভাগে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিল ছবিটি। দর্শক মহলে প্রশংসিত হয়েছিল অন্য ছবিগুলিও।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304
By ARNAB CHAKRABORTYপরিবার অত্যন্ত রক্ষণশীল। কিন্তু, সেই পরিবারের কলেজ পড়ুয়া মেয়েই নাকি পাড়ার এক ছেলের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করল! বাড়ি থেকে সোজা রেজিস্ট্রি অফিস। ছোট থেকেই শাড়ি পরতেন বলে বেরনোর সময় কেউ সন্দেহও করেননি। সাহস করে স্বামীর হাত ধরে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু, বাবা মেনে নেননি। ঠাঁই হল এক চিলতে ঘরে। জীবন যত এগিয়েছে, জীবনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে অভিজ্ঞতার ঝুলিও পূর্ণ হয়েছে। শহুরে মধ্যবিত্ত জীবন ও মেয়েদের কথাই বারবার ধরা পড়েছে তাঁর কলমে। লক্ষ লক্ষ পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন লেখিকা সুচিত্রা ভট্টাচার্য।
১৯৫০ সালে ১০ জানুয়ারি জন্ম বিহারের ভাগলপুরে। মামাবাড়িতে। পৈতৃক বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে। পড়াশোনা শুরু কলকাতাতেই। লেডি ব্রেবোর্নে ভর্তি হয়েছিলেন। ফার্স্ট ইয়ারে পড়ার সময় বিয়ে। কিন্তু, মাতৃত্ব ও পড়াশোনা একসঙ্গে সামলানো সম্ভব হয়নি। পরে যোগমায়াদেবী কলেজ থেকে স্নাতক হন। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি পছন্দ করতেন। গল্পপত্র পত্রিকায় সুচিত্রাদেবীর লেখা দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন সাহিত্যিক বিমল কর। লেখার পাশাপাশি নাচতে, গান শুনতে, বেড়াতে, রান্না করতেও ভালোবাসতেন। কেরিয়ার শুরু ছোট ছোট কাজকর্ম দিয়ে। ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ’৭৯-তে ‘ওজন ও পরিমাপ’ দপ্তরে চাকরি। পরে চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে পুরোপুরি লেখায় মনোনিবেশ করেন। মিতিন মাসি চরিত্রের স্রষ্টা সুচিত্রা দেবীর কলম থেকে বেরিয়েছে কাছের মানুষ, দহন, হেমন্তের পাখি, নীল ঘূর্ণি, অলীক সুখ, আমি রাইকিশোরী, জলছবি, আয়নামহল, মারণ বাতাস, সহেলী-র মতো একের পর এক কালজয়ী সাহিত্য। পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। তাঁর লেখা থেকে ‘দহন’, ‘ইচ্ছে’, ‘রামধনু’, ‘অলীক সুখ’-এর মতো বেশ কিছু জনপ্রিয় ছবি তৈরি হয়েছে। চিত্রপরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ তৈরি করেছিলেন ‘দহন’। একাধিক বিভাগে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিল ছবিটি। দর্শক মহলে প্রশংসিত হয়েছিল অন্য ছবিগুলিও।
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
https://youtube.com/@etitomaderarnab8304