
Sign up to save your podcasts
Or


সূরা আত-তাগাবুন (আরবি ভাষায়: التّغابن) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৬৪ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ১৮ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আত-তাগাবুন মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
নামকরণ
এই সূরাটির নবম আয়াতের ذَلِكَ يَوْمُ التَّغَابُنِ বাক্যাংশের التَّغَابُنِ অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে التّغابن (‘তাগাবুন’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
.
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #At-Taghabun #আত-তাগাবুন #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আল-মুনাফিকুন (আরবি ভাষায়: المنافقون) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৬৩ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ১১ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আল-মুনাফিকুন মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
নামকরণ
এই সূরাটির প্রথম আয়াতের إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ বাক্যাংশের الْمُنَافِقُونَ অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে المنافقون (‘মুনাফিকুন’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
.
আয়াত সমূহ
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Al-Munafiqun #আল-মুনাফিকুন #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আল-জুমুআ (আরবি ভাষায়: الجمعة) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৬২ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ১১ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আল-জুমুআ মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
নামকরণ
এই সূরাটির নবম আয়াতের إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ বাক্যাংশের الْجُمُعَةِ অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে الجمعة (‘জুমুআ’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
.
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Al-Jumu'ah #আল-জুমুআ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আস-সাফ (আরবি ভাষায়: الصّفّ) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৬১ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ১৪ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আস-সাফ মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
এই সূরাটির চতুর্থ আয়াতের يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ صَفًّا বাক্যাংশের صَفًّا অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে الصّفّ (‘সাফ’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান
কোন নির্ভরযোগ্য বর্ণনা থেকে এর নাযিল হওয়ার সময়-কাল জানা যায় না। কিন্তু এর বিষয়বস্তু নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলে অনুমান করা যায় যে, সূরাটি সম্ভবত ওহোদ যুদ্ধের সমসাময়িককালে নাযিল হয়ে থাকবে। কারণ এর মধ্যে যেসব পরিবেশ-পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। তা সেই সময়ের সাথেই সংশ্লিষ্ট।
বিষয়বস্তুর বিবরণ
এ সূরার বিষয়বস্তু হলো ঈমানের ব্যাপারে মুসলমানদেরকে নিষ্ঠা ঐকান্তিকতা অবলম্বন এবং আল্লাহর পথে জীবন কুরবানী করতে উদ্ধুদ্ধ করা। এতে দুর্বল ঈমানের মুসলমানদেরও সম্বোধন করা হয়েছে। যারা ঈমানের মিথ্যা দাবি করে ইসলামে প্রবেশ করেছিল তাদেরকেও সম্বোধন করা হয়েছে আবার যারা ঈমানের ব্যাপারে একনিষ্ঠ ছিল তাদেরকেও সম্বোধন করা হয়েছে। কোন কোন আয়াতে শুধু প্রথম দুটি শ্রেণীকে সম্বোধন করা হয়েছে। কোন কোন আয়াতে শুধু মুনাফিকদের সম্বোধন করা হয়েছে। আবার কোন কোন আয়াতে নিষ্ঠাবান মু’মিনদের প্রতি লক্ষ্য করে কথা বলা হয়েছে। কোন স্থানে কাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য পেশ করা হয়েছে তা বক্তব্যের ধরন থেকেই বুঝা যায়। শুরুতে সমস্ত ঈমানদারদের এই মর্মে সাবধান করা হয়েছে যে, যারা বলে এক কথা কিন্তু করে অন্য রকম কাজ, তারা আল্লাহ তা’আলার দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত। আর যারা ন্যায়ের পথে লড়াই করার জন্য মজবুত প্রাচীরের মত দুর্ভেদ্য হয়ে দাঁড়ায় আল্লাহ তা’আলার নিকট তারা অত্যন্ত প্রিয়।
৫ থেকে ৭ আয়াতে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মাতের লোকদেরকে সাবধান করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে বনী ইসরাঈল জাতি মূসা (আ) এবং ঈসা আলাইহিস সালামের সাথে যে আচরণ করেছে তোমাদের রসূল এবং তোমাদের দ্বীনের সাথে তোমাদের আচরণ সেই রকম হওয়া উচিত নয়। হযরত মুসা(আ) আল্লাহর রসূল একথা জানা সত্ত্বেও তিনি যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন তারা তাঁকে কষ্ট-যন্ত্রণা দিয়েছে এবং হযরত ঈসার (আ) কাছ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনাবলী দেখতে পাওয়ার পরও তাকে অস্বীকার করা থেকে বিরত হয়নি। এর ফল দাঁড়িয়েছে এই যে, ঐ জাতির লোকদের মেজাজের ধরন-প্রকৃতিই বাঁকা হয়ে গিয়েছে এবং হিদায়াত লাভের তাওফিক বা শুভবুদ্ধি থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছে। এটা এমন কোন বাঞ্ছনীয় বা ঈর্ষনীয় অবস্থা নয় যে, অন্য কোন জাতি তা লাভের জন্য উদগ্রীব হবে।
এরপর ৮ ও ৯ আয়াতে চ্যালেঞ্জ করে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ইহুদী ও খৃস্টান এবং তাদের সাথে ষড়যন্ত্রকারী মুনাফিকরা আল্লাহর এই নূরকে নিভিয়ে দেয়ার যতই চেষ্টা-সাধনা করুক না কেন তা পুরা শানশওকতের সাথে গোটা পৃথিবীতে অবশ্যই বিস্তার লাভ করবে। মুশরিকরা যতই অপছন্দ করুক না কেন আল্লাহর মহান রসূলের আনীত দ্বীন বা জীবনব্যবস্থা অন্য সব জীবনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবশ্যই বিজয়ী হবে।
অতপর ১০ থেকে ১৩ পর্যন্ত আয়াতে ঈমানদারদের বলা হয়েছে যে, দুনিয়া এবং আখেরাতে সফলতা লাভের পথ মাত্র একটি। তা হলো খাঁটি ও সরল মনে আল্লাহ তার রসূলের ওপর ঈমান আনো এবং জান-মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করো। এর ফল হিসেবে আখেরাতে পাবে আল্লাহর আযাব থেকে মুক্তি, গোনাহসমূহের মাগফিরাত এবং চিরদিনের জন্য জান্নাত। আর দুনিয়াতে পুরস্কার হিসেবে পাবে আল্লাহর সাহায্য সহযোগিতা এবং বিজয় ও সফলতা।
সূরার শেষে ঈমানদারদের বলা হয়েছে যে, হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে তাঁর হাওয়ারী বা সাহায্যকারীরা আল্লাহর পথে যেভাবে সহযোগিতা করেছে তারাও যেন অনুরূপভাবে ‘আনসারুল্লাহ’ বা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে দাঁড়ায় যাতে ইতিপূর্বে ঈমান আনয়নকারি গণ যেভাবে আল্লাহর সাহায্য-সহযোগিতা লাভ করেছিলেন তারাও কাফেরদের বিরুদ্ধে তেমনি সাহায্য সহযোগিতা লাভ করতে পারে।
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #As-Saff #আস-সাফ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আল-মুমতাহিনাহ (আরবি ভাষায়: الممتحنة) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৬০ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ১৩ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আল-মুমতাহিনাহ মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
এই সূরাটির ১০ম আয়াতে হিজরতকারী নারীদের পরীক্ষা করার জন্য আদেশ দেয়া হয়েছে; যেখানে শব্দটি মুমতাহানা (যে স্ত্রীলোককে পরীক্ষা করা হয়েছে) এবং মুমতাহিনা (পরীক্ষা গ্রহণকারী) - এই দু’ভাবেই শব্দটি উচ্চারিত হয়।
.
Summary
The first verse warns Muslims not to make alliance with the enemies of God. Verses 4—6 provide Abraham as a model for this, as he distanced himself from the pagans of his own tribe, including his own father. Verses 7 to 9 declares a possibility that Muslims and their erstwhile enemy might have better relations ("It may be that God will forge affection between you and those of them with whom you are in enmity") if the former enemy stops fighting the Muslims. These verses provide basis for the relations of Muslims and non-Muslims according to the Quran: the basic relation is peace unless the Muslims are attacked, or when war is justified to stop injustice or protect the religion.
The next following verses (10–12) address some matters of Islamic law. They declare marriages between Muslims and polytheists are no longer valid, and instruct Muslims on how to resolve the question of mahr when dissolving such marriages.[5] The status of inter-religious marriages was very relevant at the time of the revelation of these verses, a time when multiple women from Mecca converted to Islam while their husbands did not, or vice versa.
Revelation history
According to the Islamic tradition, Al-Mumtahanah is a Medinan sura, that is a chapter that is revealed after Muhammad's hijra to Medina. According to The Study Quran, the revelation likely took place at some point after the 6th year after the hijra (AH) or 628 CE. According to some commentators, the first verse was revealed during the conquest of Mecca in 8 AH (January 630 CE).
The traditional Egyptian chronology puts the chapter as the 91st chapter by the order of revelation (after Al-Tur), while the Nöldeke Chronology (by the orientalist Theodor Nöldeke) puts it as the 110th.
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Al-Mumtahanah #আল-মুমতাহিনাহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আল-হাশর(আরবি ভাষায়: الحشْر) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫৯ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২৪। সূরা আল-হাশর মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
এই সূরাটির দ্বিতীয় আয়াতের أَخْرَجَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ مِنْ دِيَارِهِمْ لِأَوَّلِ الْحَشْرِ বাক্যাংশের الْحَشْرِ অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে الْحَشْرِ (‘হাশর’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
.
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Al-Hashr #আল-হাশর #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আল-মুজাদালাহ (আরবি ভাষায়: المجادلة) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫৮ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২২ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৩। সূরা আল-মুজাদালাহ মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
নামকরণ
এই সূরাটির প্রথম আয়াতের تٌجَادِلُكَ বাক্যাংশের المجادلة এবং المجادلة অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে المجادلة বা, المجادلة (‘মুজাদালাহ’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
.
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Al-Mujadila #আল-মুজাদালাহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আল-হাদীদ (আরবি ভাষায়: الحديد) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫৭ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২৯ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৪। সূরা আল-হাদীদ মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
এই সূরাটির ২৫ নং আয়াতের وَأَنْزَلْنَا الْحَدِيدَ বাক্যাংশের الْحَدِيدَ অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে حديد (‘হাদীদ’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
সর্ব সম্মত মতে এটি মদীনায় অবতীর্ণ সূরা। এ সূরার বিষয়বস্তু নিয়ে চিন্তা ভাবনা করলে মনে হয় সম্ভবত উহুদ যুদ্ধ ও হুদায়বিয়ার সন্ধির মধ্যবর্তী কোন এক সময় এ সূরা নাযিল হয়েছে। এটা সে সময়ের কথা যখন কাফেররা চারদিক থেকে ক্ষুদ্র এ ইসলামী রাষ্ট্রটিকে তাদের আক্রমণের লক্ষস্থল বানিয়েছিল এবং ঈমানদারদের ক্ষুদ্র একটি দল অত্যন্ত সহায় সম্বলহীন অবস্থায় সমগ্র আরবের শক্তির মোকাবিলা করে যাচ্ছিলেন। এ পরিস্থিতিতে ইসলাম তার অনুসারীদের কাছে শুধু জীবনের কুরবানীই চাচ্ছিলো না বরং সম্পদের কুরবানীর প্রয়োজনীয়তাও একান্তভাবে উপলব্ধি করেছিলো। এ ধরনের কুরবানী পেশ করার জন্য এ সূরায় অত্যন্ত জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। সূরার ১০ আয়াত এ অনুমানকে আরো জোরালো করছে।
এ সূরার আলোচ্য বিষয় হচ্ছে আল্লাহর পথে অর্থ-সম্পদ ব্যয় করার উপদেশ দান। যখন আরব জাহেলিয়াতের সাথে ইসলামের সিদ্ধান্তের সংগ্রাম চলছিলো, ইসলামের ইতিহাসের সে সংকটকালে মুসলমানদেরকে বিশেষভাবে আর্থিক কুরবানীর জন্য প্রস্তুত করা এবং ঈমান যে শুধু মৌখিক স্বীকৃতি ও বাহ্যিক কিছু কাজকর্মের নাম নয় বরং আল্লাহ ও তার রসূলের জন্য একনিষ্ঠ হওয়াই তার মূল চেতনা ও প্রেরণা, একথা তাদের মনে বদ্ধমূল করে দেয়ার উদ্দেশ্যেই এ সূরা নাযিল করা হয়েছিল। যে ব্যক্তির মধ্যে এ চেতনা ও প্রেরণা অনুপস্থিত এবং আল্লাহ ও তার দীনের মোকাবিলায় নিজের প্রাণ, সম্পদ ও স্বার্থকে অধিকতর ভালবাসে তার ঈমানের দাবী অন্তসর শুন্য। আল্লাহর কাছে এ ধরনের ঈমানের কোন মূল্য ও মর্যাদা নেই। কেবল সেই সব ঈমানদারই আল্লাহর নিকট ‘সিদ্দিক’ ও শহীদ বলে গণ্য যারা কোন রকম প্রদর্শনীর মনোভাব ছাড়াই একান্ত আন্তরিকতা ও সততার সাথে নিজেদের অর্থ-সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করে।
.
Summary
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Al-Hadid #আল-হাদীদ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আল ওয়াক্বিয়াহ্ (আরবি ভাষায়: الواقعة) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫৬ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৯৬ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৩। সূরা আল ওয়াক্বিয়াহ্ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।
.
এই সূরাটির প্রথম আয়াতের الواقعة বাক্যাংশে থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে واقعة (‘ওয়াক্বিয়াহ্’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।[১] ওয়াকিয়াহ শব্দটির অর্থ "ঘটনা" বা বলা যেতে পারে "কিয়ামত দিবসের ঘটনা"
.
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Al-Waqi'a #আল-ওয়াকিয়াহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
সূরা আর রহমান (আরবি: الرحمن) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫৫ তম সূরা; এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৭৮ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৩। সূরা আর রহমান মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।[১][২]
এই সূরায় জ্বীন ও মানব জাতিকে উদ্দেশ্য করে বারবার প্রশ্ন করা হয়েছে, "অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?" এ আয়াতটি ৩১ বার রয়েছে।
.
এই সূরার শিরোনাম, যেটি সূরার প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে যার অর্থ “পরম দয়াময় আল্লাহ”। এ সূরার মধ্যে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলার রহমতের পরিচায়ক গুণাবলী ও তার বাস্তব ফলাফলের উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য সূরার মত এটিও (সূরা তওবা ব্যতীত) "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম" (পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি) দিয়ে শুরু করা হয়েছে।
.
মুহাম্মাদ (সাঃ)কর্তৃক নবুয়াত লাভের পর মক্কার কাফেররা ইসলাম সম্পর্কে কৌতূহলী হয়। তারা আল্লাহ নামটির সঙ্গে পরিচিত ছিল। কিন্তু আল্লাহ’র অন্যান্য নাম যেমন ‘রাহমান’ সম্পর্কে অবহিত ছিল না। তারা যে সকল মূর্তির পূজা করতো সেগুলোর একাধিক নাম ছিল না। আল্লাহ’র গুণবাচক নাম ‘রাহমান’ শুনে তারা বলাবলি করতো ওয়া মা রাহমান, অর্থাৎ “রাহমান আবার কী?” এ সূরা নাজিলের মাধ্যমে আল্লাহ’র ‘রাহমান’ নামের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
.
অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত
Quran Recite with Bengali Translation
Islamic Foundation Bangladesh
.
#Islam #Quran #Ar-Rahman #আর-রাহমান #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
From the publisher's feed

2 Listeners