Poromeshwar Bhagawan Sri Krishna

Poromeshwar Bhagawan Sri Krishna

Download on the App Store

Poromeshwar Bhagawan Sri Krishna episodes

  • হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ

    Welcome to Bhakto Kotha (ভক্তকথা) youtube channel : a sanctuary for souls seeking solace in the divine teachings of Lord Krishna. Our mission is to spread the light of Krishna Consciousness through enlightening discourses, soul-stirring bhajans, and insightful interpretations of sacred texts. Join us on a spiritual journey to awaken the love for Krishna in every heart and lead a life imbued with wisdom, compassion, and devotion. Subscribe and be part of our community of devotees, as we explore the timeless wisdom of Krishna together.

    "ভক্ত কথা" চ্যানেলটি কৃষ্ণসেবার জন্যই সমর্পিত। কৃষ্ণভাবনায় উন্নতি লাভ করার সময় আমি দেখেছিলাম যে শ্রীকৃষ্ণের বাণী সাধারণ মানুষের কাছে খুব একটা সুলভ নয়।

    তাই সেই সমস্যা সমাধান করার জন্য এই চ্যানেলটিকে তৈরি করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষের কাছে সুলভে কৃষ্ণকথা পৌঁছানো যায় এবং ভজনগুলিও আধুনিক যুব সমাজ গ্রহণ করতে পারে | সেই উদ্দেশ্যে শ্রীমদ্ভাগবত এর বাণী গুলি এই চ্যানেলের মাধ্যমে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে ।

    Watch complete Bhakti Song playlist 

    https://youtube.com/playlist?list=PLvPVlF-hRtJMIM7UWklgYINHcjR9PKOmn&feature=shared

    Deboprio Sarkar and Bhakto Kotha other social media platform links 🔗 

    🎧 Listen On 🎧 

    https://push.fm/fl/PpGDuRxm

    ☑️ Bhakto Kotha on Instagram 

    https://www.instagram.com/bhaktokotha

    ☑️ Bhakto Kotha on Threads

    https://www.threads.net/@bhaktokotha

    ☑️ Bhakto Kotha on Facebook

    https://www.facebook.com/Bhaktokothafb

    ☑️ Bhakto Kotha on WhatsApp 

    https://whatsapp.com/channel/0029Va4lPFaGJP8OLNHXY114

    ☑️ Bhakto Kotha onX (Twitter)

    https://x.com/Bhaktokotha

    ☑️ Bhakto Kotha on Pinterest

    https://pin.it/5B0dBfuei 

    Bhakter Geet 

    Links

    ☑️ YouTube 

    https://youtube.com/@bhaktergeet?feature=shared

    ☑️ Spotify 

    https://open.spotify.com/artist/5nyEhRQyteX7ZCAxOKxjHW?si=xv-PIgPmT8qXWX--aOLghQ

    ☑️ Facebook 

    https://www.facebook.com/share/14ykRUiSYu/

    ☑️ Threads 

    https://www.threads.net/@bhaktergeet

    ☑️ X

    https://x.com/BhakterGeet?t=UVXDV8VC1DBngrdvYVzRrg&s=09

    ☑️ Instagram 

    https://www.instagram.com/bhaktergeet?igsh=dnFkbmwxeDF1dnFw


    8 min
  • ভগবান কৃষ্ণ কি নির্বিশেষ?

    Sri Krishna, the central figure of the Mahabharata and a revered deity in Hinduism, embodies divine wisdom, love, and compassion. Known as the eighth avatar of Lord Vishnu, he is celebrated for his teachings in the Bhagavad Gita, where he imparts profound guidance on duty, spirituality, and the essence of life. Krishna's tales, from his playful childhood in Vrindavan to his pivotal role in the Kurukshetra war, are cherished for their depth and timeless lessons.


    Is there a particular aspect or story about Sri Krishna that resonates with you? Perhaps his divine teachings or his enchanting flute melodies?

    3 min
  • ভগবান কেন মানুষের মতোই দেখতে?

    Sri Krishna, the central figure of the Mahabharata and a revered deity in Hinduism, embodies divine wisdom, love, and compassion. Known as the eighth avatar of Lord Vishnu, he is celebrated for his teachings in the Bhagavad Gita, where he imparts profound guidance on duty, spirituality, and the essence of life. Krishna's tales, from his playful childhood in Vrindavan to his pivotal role in the Kurukshetra war, are cherished for their depth and timeless lessons.Is there a particular aspect or story about Sri Krishna that resonates with you? Perhaps his divine teachings or his enchanting flute melodies? Let follow this podcast for more updates.

    4 min
  • অষ্টম পর্ব

    পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসেবে মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সকল অবতারের উৎস পরমেশ্বর ভগবান। তার জীবনের গল্পগুলি বিশেষভাবে দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে।

    শ্রীকৃষ্ণের জন্ম একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে মথুরায় কারাগারে হয়েছিল, যেখানে কংস তার মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দী রেখেছিল। দৈববাণী শুনে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অলৌকিকভাবে কারাগারের দরজা খুলে যায় এবং বাসুদেব তাকে গোকুলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি যশোদা ও নন্দ মহারাজের কাছে বড় হন।
    শ্রীকৃষ্ণের শৈশব কাহিনীগুলি সমৃদ্ধ ও মিষ্টিমধুর। তিনি তার খেলার সাথী এবং গোপীদের সাথে নানা রকম ক্রীড়া করতেন, যাকে বাললীলা বলা হয়। তার বিখ্যাত মাখন চুরির গল্পগুলি মানুষের মধ্যে আজও জনপ্রিয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন দৈবীয় কার্যকলাপ, যেমন পুতনা রাক্ষসীকে ধ্বংস করা, গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন, এবং বিভিন্ন দানবদের পরাজিত করা, তার দেবত্বের প্রমাণ।
    যৌবনে, শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সাথে রাসলীলা করতেন, যা ভক্তি ও প্রেমের প্রতীক। রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী হিন্দু ধর্মের একটি গূঢ় এবং আধ্যাত্মিক দিক। এটি আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই এই অধ্যায়টি সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় না।
    মথুরায় ফিরে এসে, শ্রীকৃষ্ণ কংসকে পরাজিত করে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বারকায় চলে যান, যেখানে তিনি রাজত্ব করেন এবং নানা ধরনের রাজকীয় কার্যকলাপ ও শিক্ষাদান করেন। মহাভারতে তার ভূমিকা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি পাণ্ডবদের সাথে বিভিন্ন নীতি ও ধর্মীয় আলোচনা করেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে গীতা উপদেশ দেন, যা ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত। গীতা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক এবং কর্তব্য সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন ধর্ম, ভক্তি, এবং প্রেমের প্রতীক। তার জীবন কাহিনী এবং শিক্ষাগুলি আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কর্তব্য এবং ধর্ম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সত্যিকারের সফল ও আধ্যাত্মিক করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে এবং আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির গুরুত্ব প্রকাশ করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন কাহিনী এবং দর্শন চিরকালীন এবং সর্বজনীন প্রভাব বিস্তার করে, যা মানুষের জীবনে নীতি, ধর্ম, এবং আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তার জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে মানুষ আজও আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথের অনুসরণ করে সঠিক জীবন যাপন করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
    আশা করি এই পডকাস্টটি আপনার জন্য উপযোগী হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান। 😊

    19 min
  • সপ্তম পর্ব

    পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসেবে মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সকল অবতারের উৎস পরমেশ্বর ভগবান। তার জীবনের গল্পগুলি বিশেষভাবে দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে।

    শ্রীকৃষ্ণের জন্ম একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে মথুরায় কারাগারে হয়েছিল, যেখানে কংস তার মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দী রেখেছিল। দৈববাণী শুনে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অলৌকিকভাবে কারাগারের দরজা খুলে যায় এবং বাসুদেব তাকে গোকুলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি যশোদা ও নন্দ মহারাজের কাছে বড় হন।
    শ্রীকৃষ্ণের শৈশব কাহিনীগুলি সমৃদ্ধ ও মিষ্টিমধুর। তিনি তার খেলার সাথী এবং গোপীদের সাথে নানা রকম ক্রীড়া করতেন, যাকে বাললীলা বলা হয়। তার বিখ্যাত মাখন চুরির গল্পগুলি মানুষের মধ্যে আজও জনপ্রিয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন দৈবীয় কার্যকলাপ, যেমন পুতনা রাক্ষসীকে ধ্বংস করা, গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন, এবং বিভিন্ন দানবদের পরাজিত করা, তার দেবত্বের প্রমাণ।
    যৌবনে, শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সাথে রাসলীলা করতেন, যা ভক্তি ও প্রেমের প্রতীক। রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী হিন্দু ধর্মের একটি গূঢ় এবং আধ্যাত্মিক দিক। এটি আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই এই অধ্যায়টি সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় না।
    মথুরায় ফিরে এসে, শ্রীকৃষ্ণ কংসকে পরাজিত করে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বারকায় চলে যান, যেখানে তিনি রাজত্ব করেন এবং নানা ধরনের রাজকীয় কার্যকলাপ ও শিক্ষাদান করেন। মহাভারতে তার ভূমিকা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি পাণ্ডবদের সাথে বিভিন্ন নীতি ও ধর্মীয় আলোচনা করেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে গীতা উপদেশ দেন, যা ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত। গীতা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক এবং কর্তব্য সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন ধর্ম, ভক্তি, এবং প্রেমের প্রতীক। তার জীবন কাহিনী এবং শিক্ষাগুলি আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কর্তব্য এবং ধর্ম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সত্যিকারের সফল ও আধ্যাত্মিক করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে এবং আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির গুরুত্ব প্রকাশ করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন কাহিনী এবং দর্শন চিরকালীন এবং সর্বজনীন প্রভাব বিস্তার করে, যা মানুষের জীবনে নীতি, ধর্ম, এবং আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তার জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে মানুষ আজও আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথের অনুসরণ করে সঠিক জীবন যাপন করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
    আশা করি এই পডকাস্টটি আপনার জন্য উপযোগী হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান। 😊

    8 min
  • ষষ্ঠ পর্ব

    পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসেবে মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সকল অবতারের উৎস পরমেশ্বর ভগবান। তার জীবনের গল্পগুলি বিশেষভাবে দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে।

    শ্রীকৃষ্ণের জন্ম একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে মথুরায় কারাগারে হয়েছিল, যেখানে কংস তার মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দী রেখেছিল। দৈববাণী শুনে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অলৌকিকভাবে কারাগারের দরজা খুলে যায় এবং বাসুদেব তাকে গোকুলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি যশোদা ও নন্দ মহারাজের কাছে বড় হন।
    শ্রীকৃষ্ণের শৈশব কাহিনীগুলি সমৃদ্ধ ও মিষ্টিমধুর। তিনি তার খেলার সাথী এবং গোপীদের সাথে নানা রকম ক্রীড়া করতেন, যাকে বাললীলা বলা হয়। তার বিখ্যাত মাখন চুরির গল্পগুলি মানুষের মধ্যে আজও জনপ্রিয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন দৈবীয় কার্যকলাপ, যেমন পুতনা রাক্ষসীকে ধ্বংস করা, গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন, এবং বিভিন্ন দানবদের পরাজিত করা, তার দেবত্বের প্রমাণ।
    যৌবনে, শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সাথে রাসলীলা করতেন, যা ভক্তি ও প্রেমের প্রতীক। রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী হিন্দু ধর্মের একটি গূঢ় এবং আধ্যাত্মিক দিক। এটি আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই এই অধ্যায়টি সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় না।
    মথুরায় ফিরে এসে, শ্রীকৃষ্ণ কংসকে পরাজিত করে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বারকায় চলে যান, যেখানে তিনি রাজত্ব করেন এবং নানা ধরনের রাজকীয় কার্যকলাপ ও শিক্ষাদান করেন। মহাভারতে তার ভূমিকা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি পাণ্ডবদের সাথে বিভিন্ন নীতি ও ধর্মীয় আলোচনা করেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে গীতা উপদেশ দেন, যা ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত। গীতা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক এবং কর্তব্য সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন ধর্ম, ভক্তি, এবং প্রেমের প্রতীক। তার জীবন কাহিনী এবং শিক্ষাগুলি আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কর্তব্য এবং ধর্ম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সত্যিকারের সফল ও আধ্যাত্মিক করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে এবং আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির গুরুত্ব প্রকাশ করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন কাহিনী এবং দর্শন চিরকালীন এবং সর্বজনীন প্রভাব বিস্তার করে, যা মানুষের জীবনে নীতি, ধর্ম, এবং আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তার জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে মানুষ আজও আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথের অনুসরণ করে সঠিক জীবন যাপন করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
    আশা করি এই পডকাস্টটি আপনার জন্য উপযোগী হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান। 😊

    6 min
  • পঞ্চম পর্ব

    পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসেবে মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সকল অবতারের উৎস পরমেশ্বর ভগবান। তার জীবনের গল্পগুলি বিশেষভাবে দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে।

    শ্রীকৃষ্ণের জন্ম একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে মথুরায় কারাগারে হয়েছিল, যেখানে কংস তার মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দী রেখেছিল। দৈববাণী শুনে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অলৌকিকভাবে কারাগারের দরজা খুলে যায় এবং বাসুদেব তাকে গোকুলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি যশোদা ও নন্দ মহারাজের কাছে বড় হন।
    শ্রীকৃষ্ণের শৈশব কাহিনীগুলি সমৃদ্ধ ও মিষ্টিমধুর। তিনি তার খেলার সাথী এবং গোপীদের সাথে নানা রকম ক্রীড়া করতেন, যাকে বাললীলা বলা হয়। তার বিখ্যাত মাখন চুরির গল্পগুলি মানুষের মধ্যে আজও জনপ্রিয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন দৈবীয় কার্যকলাপ, যেমন পুতনা রাক্ষসীকে ধ্বংস করা, গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন, এবং বিভিন্ন দানবদের পরাজিত করা, তার দেবত্বের প্রমাণ।
    যৌবনে, শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সাথে রাসলীলা করতেন, যা ভক্তি ও প্রেমের প্রতীক। রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী হিন্দু ধর্মের একটি গূঢ় এবং আধ্যাত্মিক দিক। এটি আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই এই অধ্যায়টি সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় না।
    মথুরায় ফিরে এসে, শ্রীকৃষ্ণ কংসকে পরাজিত করে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বারকায় চলে যান, যেখানে তিনি রাজত্ব করেন এবং নানা ধরনের রাজকীয় কার্যকলাপ ও শিক্ষাদান করেন। মহাভারতে তার ভূমিকা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি পাণ্ডবদের সাথে বিভিন্ন নীতি ও ধর্মীয় আলোচনা করেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে গীতা উপদেশ দেন, যা ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত। গীতা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক এবং কর্তব্য সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন ধর্ম, ভক্তি, এবং প্রেমের প্রতীক। তার জীবন কাহিনী এবং শিক্ষাগুলি আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কর্তব্য এবং ধর্ম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সত্যিকারের সফল ও আধ্যাত্মিক করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে এবং আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির গুরুত্ব প্রকাশ করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন কাহিনী এবং দর্শন চিরকালীন এবং সর্বজনীন প্রভাব বিস্তার করে, যা মানুষের জীবনে নীতি, ধর্ম, এবং আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তার জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে মানুষ আজও আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথের অনুসরণ করে সঠিক জীবন যাপন করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
    আশা করি এই পডকাস্টটি আপনার জন্য উপযোগী হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান। 😊

    3 min
  • চতুর্থ পর্ব

    পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসেবে মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সকল অবতারের উৎস পরমেশ্বর ভগবান। তার জীবনের গল্পগুলি বিশেষভাবে দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে।

    শ্রীকৃষ্ণের জন্ম একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে মথুরায় কারাগারে হয়েছিল, যেখানে কংস তার মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দী রেখেছিল। দৈববাণী শুনে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অলৌকিকভাবে কারাগারের দরজা খুলে যায় এবং বাসুদেব তাকে গোকুলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি যশোদা ও নন্দ মহারাজের কাছে বড় হন।
    শ্রীকৃষ্ণের শৈশব কাহিনীগুলি সমৃদ্ধ ও মিষ্টিমধুর। তিনি তার খেলার সাথী এবং গোপীদের সাথে নানা রকম ক্রীড়া করতেন, যাকে বাললীলা বলা হয়। তার বিখ্যাত মাখন চুরির গল্পগুলি মানুষের মধ্যে আজও জনপ্রিয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন দৈবীয় কার্যকলাপ, যেমন পুতনা রাক্ষসীকে ধ্বংস করা, গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন, এবং বিভিন্ন দানবদের পরাজিত করা, তার দেবত্বের প্রমাণ।
    যৌবনে, শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সাথে রাসলীলা করতেন, যা ভক্তি ও প্রেমের প্রতীক। রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী হিন্দু ধর্মের একটি গূঢ় এবং আধ্যাত্মিক দিক। এটি আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই এই অধ্যায়টি সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় না।
    মথুরায় ফিরে এসে, শ্রীকৃষ্ণ কংসকে পরাজিত করে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বারকায় চলে যান, যেখানে তিনি রাজত্ব করেন এবং নানা ধরনের রাজকীয় কার্যকলাপ ও শিক্ষাদান করেন। মহাভারতে তার ভূমিকা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি পাণ্ডবদের সাথে বিভিন্ন নীতি ও ধর্মীয় আলোচনা করেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে গীতা উপদেশ দেন, যা ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত। গীতা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক এবং কর্তব্য সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন ধর্ম, ভক্তি, এবং প্রেমের প্রতীক। তার জীবন কাহিনী এবং শিক্ষাগুলি আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কর্তব্য এবং ধর্ম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সত্যিকারের সফল ও আধ্যাত্মিক করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে এবং আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির গুরুত্ব প্রকাশ করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন কাহিনী এবং দর্শন চিরকালীন এবং সর্বজনীন প্রভাব বিস্তার করে, যা মানুষের জীবনে নীতি, ধর্ম, এবং আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তার জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে মানুষ আজও আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথের অনুসরণ করে সঠিক জীবন যাপন করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
    আশা করি এই পডকাস্টটি আপনার জন্য উপযোগী হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান। 😊

    5 min
  • তৃতীয় পর্ব

    পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসেবে মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সকল অবতারের উৎস পরমেশ্বর ভগবান। তার জীবনের গল্পগুলি বিশেষভাবে দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে।

    শ্রীকৃষ্ণের জন্ম একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে মথুরায় কারাগারে হয়েছিল, যেখানে কংস তার মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দী রেখেছিল। দৈববাণী শুনে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অলৌকিকভাবে কারাগারের দরজা খুলে যায় এবং বাসুদেব তাকে গোকুলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি যশোদা ও নন্দ মহারাজের কাছে বড় হন।
    শ্রীকৃষ্ণের শৈশব কাহিনীগুলি সমৃদ্ধ ও মিষ্টিমধুর। তিনি তার খেলার সাথী এবং গোপীদের সাথে নানা রকম ক্রীড়া করতেন, যাকে বাললীলা বলা হয়। তার বিখ্যাত মাখন চুরির গল্পগুলি মানুষের মধ্যে আজও জনপ্রিয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন দৈবীয় কার্যকলাপ, যেমন পুতনা রাক্ষসীকে ধ্বংস করা, গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন, এবং বিভিন্ন দানবদের পরাজিত করা, তার দেবত্বের প্রমাণ।
    যৌবনে, শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সাথে রাসলীলা করতেন, যা ভক্তি ও প্রেমের প্রতীক। রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী হিন্দু ধর্মের একটি গূঢ় এবং আধ্যাত্মিক দিক। এটি আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই এই অধ্যায়টি সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় না।
    মথুরায় ফিরে এসে, শ্রীকৃষ্ণ কংসকে পরাজিত করে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বারকায় চলে যান, যেখানে তিনি রাজত্ব করেন এবং নানা ধরনের রাজকীয় কার্যকলাপ ও শিক্ষাদান করেন। মহাভারতে তার ভূমিকা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি পাণ্ডবদের সাথে বিভিন্ন নীতি ও ধর্মীয় আলোচনা করেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে গীতা উপদেশ দেন, যা ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত। গীতা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক এবং কর্তব্য সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন ধর্ম, ভক্তি, এবং প্রেমের প্রতীক। তার জীবন কাহিনী এবং শিক্ষাগুলি আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কর্তব্য এবং ধর্ম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সত্যিকারের সফল ও আধ্যাত্মিক করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে এবং আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির গুরুত্ব প্রকাশ করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন কাহিনী এবং দর্শন চিরকালীন এবং সর্বজনীন প্রভাব বিস্তার করে, যা মানুষের জীবনে নীতি, ধর্ম, এবং আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তার জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে মানুষ আজও আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথের অনুসরণ করে সঠিক জীবন যাপন করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
    আশা করি এই পডকাস্টটি আপনার জন্য উপযোগী হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান। 😊

    12 min
  • দ্বিতীয় পর্ব

    পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসেবে মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সকল অবতারের উৎস পরমেশ্বর ভগবান। তার জীবনের গল্পগুলি বিশেষভাবে দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে।

    শ্রীকৃষ্ণের জন্ম একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে মথুরায় কারাগারে হয়েছিল, যেখানে কংস তার মাতাপিতা দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দী রেখেছিল। দৈববাণী শুনে কংস দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অলৌকিকভাবে কারাগারের দরজা খুলে যায় এবং বাসুদেব তাকে গোকুলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি যশোদা ও নন্দ মহারাজের কাছে বড় হন।
    শ্রীকৃষ্ণের শৈশব কাহিনীগুলি সমৃদ্ধ ও মিষ্টিমধুর। তিনি তার খেলার সাথী এবং গোপীদের সাথে নানা রকম ক্রীড়া করতেন, যাকে বাললীলা বলা হয়। তার বিখ্যাত মাখন চুরির গল্পগুলি মানুষের মধ্যে আজও জনপ্রিয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন দৈবীয় কার্যকলাপ, যেমন পুতনা রাক্ষসীকে ধ্বংস করা, গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন, এবং বিভিন্ন দানবদের পরাজিত করা, তার দেবত্বের প্রমাণ।
    যৌবনে, শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সাথে রাসলীলা করতেন, যা ভক্তি ও প্রেমের প্রতীক। রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী হিন্দু ধর্মের একটি গূঢ় এবং আধ্যাত্মিক দিক। এটি আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই এই অধ্যায়টি সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয় না।
    মথুরায় ফিরে এসে, শ্রীকৃষ্ণ কংসকে পরাজিত করে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বারকায় চলে যান, যেখানে তিনি রাজত্ব করেন এবং নানা ধরনের রাজকীয় কার্যকলাপ ও শিক্ষাদান করেন। মহাভারতে তার ভূমিকা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি পাণ্ডবদের সাথে বিভিন্ন নীতি ও ধর্মীয় আলোচনা করেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুনকে গীতা উপদেশ দেন, যা ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত। গীতা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক এবং কর্তব্য সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন ধর্ম, ভক্তি, এবং প্রেমের প্রতীক। তার জীবন কাহিনী এবং শিক্ষাগুলি আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কর্তব্য এবং ধর্ম পালনের মাধ্যমে জীবনকে সত্যিকারের সফল ও আধ্যাত্মিক করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা মানব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে এবং আত্মার ঈশ্বরের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির গুরুত্ব প্রকাশ করে।
    শ্রীকৃষ্ণের জীবন কাহিনী এবং দর্শন চিরকালীন এবং সর্বজনীন প্রভাব বিস্তার করে, যা মানুষের জীবনে নীতি, ধর্ম, এবং আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তার জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে মানুষ আজও আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথের অনুসরণ করে সঠিক জীবন যাপন করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
    আশা করি এই পডকাস্টটি আপনার জন্য উপযোগী হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান। 😊

    7 min

About Poromeshwar Bhagawan Sri Krishna

From the publisher's feed

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার দর্শন আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রেরণার উত্স। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ, মহাভারত এবং অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে তার জীবনের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান…