
Sign up to save your podcasts
Or


শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণের দশম স্কন্ধে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন, তখন যোগমায়া তাদের স্থান পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেন। বসুদেব এবং দেবকীর অষ্টম সন্তান জন্মানোর পর, বসুদেব তাকে মথুরা থেকে গোকুলে নন্দ এবং যশোদার কাছে নিয়ে যান এবং যশোদার সদ্যজাত কন্যাকে মথুরাতে ফিরিয়ে আনেন।
এই অধ্যায়ে, বসুদেব ও দেবকীর বহু কষ্টের মধ্যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। এই বিশেষ মুহূর্তে, সমস্ত প্রকৃতি শান্ত হয়ে যায় এবং আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মের পর, দেবতারা প্রশংসা করেন ও আনন্দিত হন। বসুদেব ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে নন্দগোপাল ও যশোদার ঘরে পৌঁছে দেন এবং তাদের হাতে শ্রীকৃষ্ণকে তুলে দেন। এর মাধ্যমে কৃষ্ণের মাতৃকূল যশোদা হন এবং তারা তাঁকে অত্যন্ত ভালবাসায় ও যত্নে প্রতিপালন করেন।
এই হল ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম বৃত্তান্তের সংক্ষিপ্তসার। আরও কোনো তথ্য বা প্রশ্ন থাকলে জানাবেন!
শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের দশম স্কন্ধের দ্বিতীয় অধ্যায়ে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের প্রাক্কালে ঘটে যাওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী বর্ণিত হয়েছে। এই অধ্যায়টি প্রধানত কংসের ভয় ও তার পরবর্তী কার্যকলাপের ওপর কেন্দ্রীভূত।
দৈববাণী শোনার পর কংস ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন এবং সিদ্ধান্ত নেন যে দেবকীর প্রতিটি সন্তানকে হত্যা করবেন। কংসের ভয়ে মথুরা রাজ্যের পরিস্থিতি খুবই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। এই সময়, দেবতারা ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশ্বরের কাছে কংসের অত্যাচার থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করেন। দেবতাদের প্রার্থনার ফলে ভগবান বিষ্ণু আশ্বস্ত করেন যে তিনি শীঘ্রই ধরণীতে অবতীর্ণ হবেন এবং কংসসহ সকল অসুরদের বিনাশ করবেন।
এই অধ্যায়ে দেবকীর সপ্তম গর্ভের সন্তানের অলৌকিক স্থানান্তর ঘটানোর কাহিনীও বর্ণিত হয়েছে। দেবী যোগমায়ার কৃপায় সেই সন্তানকে রোহিণীর গর্ভে স্থানান্তরিত করা হয়, এবং তিনি পরবর্তীকালে বলরাম নামে পরিচিত হন। এই অলৌকিক স্থানান্তর শ্রীকৃষ্ণের জন্মের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা হয়।
দ্বিতীয় অধ্যায়টি শেষ হয় যখন শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সম্ভাবনায় সকল দেবতা আনন্দিত হন এবং ভগবান বিষ্ণুর পৃথিবীতে অবতরণের অপেক্ষায় থাকেন। এই অধ্যায়টি শ্রীকৃষ্ণের জন্মের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং কংসের ভয়ের প্রতিফলন।
আশা করি এই সংক্ষিপ্তসারটি আপনার জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার আরও কিছু জানার থাকে, দয়া করে জানান! 😊
শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের দশম স্কন্ধের প্রথম অধ্যায়ে কংসের কাছে দৈববাণীর ঘটনার বর্ণনা রয়েছে, যা শ্রীকৃষ্ণের জন্ম এবং তার জীবনের ঘটনাগুলির প্রেক্ষাপট তৈরি করে।
From the publisher's feed