
Sign up to save your podcasts
Or


কিভাবে ই ভি এম মেশিন বানালাম? শৈশবেই ঝোঁক ছিলো যন্ত্রপাতির প্রতি। এই ঝোঁক নিয়ে বেড়ে ওঠা, তারপর বাবা-মা ও বন্ধুদের পরামর্শে ফরেস্ট্রিতে পড়াশোনা। পড়ছেন ফরেস্ট্রিতে, কিন্তু পুরনো যন্ত্রপাতির দোকানে খুঁজে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন পার্টস, বিষয়টা ইন্টারেস্টিং। এরকম উল্টো রথে চড়ে ফার্মওয়্যার-হার্ডওয়্যার ডেভেলপার হওয়া, আর তারপর পাই ল্যাবসের সফটওয়্যার রিসার্চারের পদটা বাগিয়ে নেওয়া, যাত্রাটা সহজ ছিলো না। সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা বিষয়ে পড়াশোনা করেও নিজের স্বপ্ন ও ভালো লাগাকে যে জিইয়ে তোলা যায়, মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান (হাসান) তার জ্বলন্ত উদাহরণ। প্রায় ২৫ টি প্রফেশনাল প্রোডাক্ট তৈরি টিমের এবং ৮০ টি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার প্রজেক্টের ট্রেইনার হাসানুজ্জামানের সঙ্গে গল্পগ্রাফির আড্ডায় জানা গেল তাঁর জীবনের নানা অধ্যায়। কর্মক্ষেত্রের সরস গল্প থেকে জানা গেলো প্রহরী ভেহিক্যাল ট্রেকিং সিস্টেম, দেশের প্রথম ভিটিএস, পার্কিং সিস্টেম, ই ভি এম-এর মতো উল্লেখযোগ্য প্রজেক্টে কাজ করার কথা। হাসানুজ্জামানের অদম্য ইচ্ছাশক্তি তাঁকে দক্ষ করে তুলেছে Embedded System Design and Development, IoT (Internet of Things) Ecosystem Development, 8bit and 32bit Microcontrollers, Raspberry Pi, Python and C programming languages, Machine Learning, Artificial Intelligence and Images Processing, ksi not over yet reaction এবং Server development-এর মতো জনপ্রিয় বিষয়গুলোতে। হাসানুজ্জামানের গল্প থেকে যে কোনো আগ্রহী ও স্বপ্নবাজ তরুণ-তরুণী পেয়ে যেতে পারেন নিজেদের স্বপ্নকে উস্কে দেয়ার রসদ।
উনার প্রতিটা কথা নিশ্চিত আপনার মনে গেঁথে থাকবে |
রেজাউল হোসেন উনার প্রতিটা কথা নিশ্চিত আপনার মনে গেঁথে থাকবে | রেজাউল হোসেন এমনই একজন মানুষ। রেজাউল হোসেন একজন উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন, বহুমাত্রিক দূরদর্শী কর্পোরেট লিডার। ২৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে টেলিকমিউনিকেশন, আইসিটি এবং ডিজিটাল মানি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে যাচ্ছেন সেলস, ডিস্ট্রিবিউশন, মার্কেটিং, ইন্টারন্যাশনাল রোমিং, লজিস্টিকস, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে। গ্রামীণফোনের ডেপ্যুটি জেনারেল ম্যানেজার ও ডিস্ট্রিবিউশন সেলস-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জিপিডিসির মতো প্রজেক্টের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন ঘটেছে তার হাত ধরেই। ছিলেন সিটিসেলের জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অফ সেলস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন এবং এয়ারটেলের ডিস্ট্রিবিউশন সেলসের প্রধান কর্মকর্তার দায়িত্বে। তার সিদ্ধান্তমূলক নেতৃত্ব বিকাশকে পাঁচ বছরের মধ্যে ২২ মিলিয়নেরও বেশি গ্রাহক অর্জন করতে সাহায্য করেছিল; যা এটিকে গ্রাহক, এজেন্ট এবং লেনদেনের সংখ্যার দিক থেকে "বিশ্বের বৃহত্তম এমএফএস" প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিণত করেছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এমএফএস কোম্পানি নগদ-এর সম্পূর্ণ বিজনেস স্ট্রাকচারও তাঁর হাতে তৈরি। দেশের অগ্রগণ্য সেলস বিশেষজ্ঞ তিনি। মার্কেট ট্রান্সফর্মেশন এক্সপার্ট হিসেবেও দেশ-বিদেশে স্বীকৃত রেজাউল হোসেন মনে করেন- Successful transformation of technology depends on understanding customer’s behavior.
বই পড়ে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প - গৌরাঙ্গ হালদার বই পড়ে কী হয়? সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছিলেন, বই পড়ে কেউ দেউলিয়া হয় না। দেউলিয়া না হলেও আরও কিছু কী কী হওয়া যায়, কেউ ঠিকভাবে বলে দেয় না। তবে বলে না দিলেও এটাই সত্যি, বই পড়া বদলে দিতে পারে একটা জীবন। সৃজনশীল মানুষমাত্রই জ্ঞানের রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকার অবারিত আকাঙ্ক্ষা। ‘গল্পগ্রাফি’র এবারের অতিথি গৌরাঙ্গ হালদারও এমনটাই বললেন। শোনালেন জীবনের বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার কথা। শোনালেন বইয়ের মধ্য দিয়ে সাধারণ গৌরাঙ্গের সঙ্গে লেখক গৌরাঙ্গের সেতুবন্ধনের গল্প। কী করেননি তিনি জীবনে? সেখান থেকেই আজকের প্রথমা বুক ক্যাফের ইনচার্জ। সারাক্ষণ বইয়ের ভূবনে বাস করা এই মানুষটির নিজেরও প্রকাশিত হয়েছে ৫টি বই। গৌরাঙ্গ হালদারের জীবনের গল্প শোনা তাই নিঃন্দেহে আনন্দের।
মিথলজি নিয়ে যত মিথ । History of Mythology । Ratul Khan | Golpography
‘মিথলজি’ শব্দটি উঠলেই শুরুতেই দুটি শব্দ আমাদের মনে উঁকি দেয়। শব্দ দুটি হলো- গ্রিক মিথলজি। বলা বাহুল্য, বাংলাদেশে গ্রিক মিথোলজি বিষয়ক বইপত্র সবচে সহজলভ্য। ক্লাসিক মিথলজি হিসেবেও তা বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কিন্তু ওলমেক বা মায়া কিংবা মিশরীয় মিথলজি নিয়ে আলোচনা যারপরনাই কম। মেসোআমেরিকান মিথলজি নিয়ে আলোচনা নেই বললেই চলে এই বাংলা মুলুকে। সেখানে এস এম নিয়াজ মাওলার ‘মেসোআমেরিকান মিথলজি’ বইটি এক অনন্য সংযোজন। মিথলজি বিষয়ে যাদের আগ্রহ আছে, এবারের ‘গল্পগ্রাফি’র পর্বটি তাদের জন্য মাস্ট ওয়াচ। অনেক চমকপ্রদ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের হয়ে গল্পে গল্পে, যা হয়তো আপনি জানতেন না।
যেভাবে জিরো থেকে হলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর?
একটা যেমন-তেমন ডিভাইস দিয়ে শুরু করেছিলেন যাত্রা। ৬-৭ ঘন্টা লেগে যেত ভিডিও রেন্ডার হতে। আর্থিক টানাপোড়েনে সঙ্গী বানালেন নিজের মা আর বড় ভাইকে। অনেক কিছুতেই ছিল বাবার আপত্তি। কিন্তু থেমে থাকেননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাতুল সিনহা। ফেসবুক-ইউটিউবে ভিডিও কনটেন্ট দেখেন, এমন বেশিরভাগ মানুষের মধ্যেই ‘Ratul Sinha’ একটা জনপ্রিয় নাম। জনজীবন, খাদ্যাভ্যাস, বই, মানুষের আগ্রহ হতে পারে এমন অনেক কিছু নিয়েই কনটেন্ট তৈরি করেন রাতুল। University এর বিভিন্ন বিষয় নিয়েও ভিডিও বানান এই জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার। মজার, বুদ্ধিদীপ্ত, প্রহসনমূলক স্ক্রিপ্ট তৈরিতে রাতুলের জুড়ি নেই। কিন্তু একজন ছাত্র হয়েও কনটেন্ট ক্রিয়েশনে রাতুলের এই সফল পথচলার জার্নিটা আসলে কেমন ছিল? কেমন করে রাতুল অসম্ভবকে সম্ভব করলেন সমস্ত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও? সেসব গল্পই ‘গল্পগ্রাফি’র স্টুডিওতে শোনালেন রাতুল। কনটেন্ট ক্রিয়েশনে ক্যারিয়ার গড়তে চায় কিংবা ইউটিউবার হতে চায়, এমন যে কারোরই শোনা উচিত রাতুলের গল্প। কারণ- রাতুল শুধু একা উড়তে চান না। উড়তে গিয়ে যারা বাধা পায়, তাদের জন্যেও একটা পথ তৈরি করে যেতে চান।
ইহুদিদের নিয়ে বই লিখে কেমন গালি খেলেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ #podcast
ইসরাইলকে বলা হয় হলি ল্যান্ড বা পবিত্র ভূমি। ইহুদি, মুসলিম এমনকি খ্রিস্টান’রাও এই ভূ-খন্ডের দাবিদার। আর এই দাবী নিয়েও আছে অনেক আলোচনা আর সমালোচনা। ইহুদিদের নিয়ে এই তর্ক বিতর্ক থামার আর কোন নাম নেই। এই দাবির পেছনে যতটা না ভৌগোলিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক কারণ রয়েছে তারচেয়েও বেশি রয়েছে ধর্মীয় কারণ। কুরআন, তাওরাত ও বাইবেলেও এই ভূ-খন্ডের উল্লেখ পাওয়া যায় যা কেউ কেউ সরে জমিনে এখনো প্রমান করে যাচ্ছেন। ‘ইহুদি জাতির ইতিহাস’ এবং ‘ইসরাইলের উত্থান-পতন’ বইয়ের লেখক আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ নানা উত্থান-পতন থেকে আজকের ইসরাইল এবং ইসলাম ও ইহুদী ধর্মবিশ্বাসের আলোকে পবিত্র ভূমির তিন হাজার বছরের দ্বন্দ্বের গোড়া অনুসন্ধান করতে গিয়ে সম্মুখীন হয়েছেন নানা রকম বিচিত্র অভিজ্ঞতার। লেখার জন্য যেমন প্রশংসিত হয়েছেন, তেমনি কেউ কেউ আবার কেবল বইয়ের নাম দেখেই তাকে ইসরাইলের চর বলে গালি দিতেও দ্বিধা করেননি। বই লেখা নিয়ে পরেছিলেন নানা ধরনের বাধা বিপত্তিতে। তবুও সেইসব বাধা উৎরে এগিয়ে গেছেন নিজের লক্ষ্যে। থেমে থাকেন নি এক মুহূর্তও। রকমারি গল্পগ্রাফিতে এসে তিনি শেয়ার করেছেন তাঁর সেই অভিজ্ঞতার গল্প।
BCS পরীক্ষার্থীদের কাছে গাজী মিজানুর রহমান কেন এত জনপ্রিয়? #podcast
‘বিসিএস প্রিলিমিনারি এ্যানালাইসিস’ বিসিএস প্রত্যাশী লাখো শিক্ষার্থীর কাছে বহুল পরিচিত একটি নাম। প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ভরসার একটি জায়গা। গল্পগ্রাফিতে এবারের অতিথি ছিলেন এই বইয়েরই লেখক- গাজী মিজানুর রহমান, যিনি বর্তমানে একজন সরকারি ক্যাডার হিসেবে কর্মরত আছেন। বইয়ের বাইরে রয়েছে তাঁর একই নামের গ্রুপ এবং ইউটিউব চ্যানেল, এবং অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, তাঁর সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় কানেক্টেড আছে এক কোটিরও বেশি মানুষ! মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কাছে তাঁর ‘বিসিএস প্রিলিমিনারি এ্যানালাইসিস’ একটি গোল্ড মাইন বলা চলে। কিন্তু এইজন্য শ্রমও তাঁকে কম দিতে হয়নি। কয়েকটি বিসিএস-এ নিজের প্রিলিমিনারি দেয়ার অভিজ্ঞতা এবং নিজের প্রস্তুতি পর্বকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর তিনি এই বইটি লেখেন। কিন্তু বিসিএস-এই থেমে থাকেনি তাঁর যুক্তি-পরামর্শ দেয়ার কর্মকান্ড। দিনে দিনে সরকারি প্রাইমারি, নিবন্ধিত শিক্ষক, ব্যাংক চাকরি প্রত্যাশী সবার কাছেই তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ও ভরসা দিয়ে একটা প্রিয় নাম হয়ে উঠেছেন। ক্যারিয়ার সচেতন এবং চাকরি প্রত্যাশী যে কোনো মানুষেরই তাঁর গল্প শোনা অবশ্য কর্তব্য।
এমন কোনো দম্পতির কথা কল্পনা করুন, যাদের নতুন বিয়ে হয়েছে, অথচ নতুন আসবাব কিনে সংসার সাজানোর স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না। কিংবা এমন কোনো তরুণী, যার পছন্দের লেহেঙ্গাটি কিনতে পারছে না অর্থাভাবে। কিন্তু উভয়ই নিজেদের স্বপ্ন ও চাহিদা মেটাতে পারেন, যদি কম দামে কাঙ্ক্ষিত পণ্যটি পেয়ে যান। ঠিক এমনই একটা এফ-কমার্স গ্রুপ রিসাইকেল বিন, গ্রুপ খোলার তিন দিনের মধ্যেই যার সদস্য সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ৬০,০০০। আর বর্তমানে গ্রুপটির সদস্য সংখ্যা প্রায় দশ লাখের বেশি। নিজস্ব একক উদ্যোগ দিয়ে শুরু, এখন ১৬ জনের টিম। প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকার সেকেন্ড হ্যান্ড পণ্য কেনা-বেচার এই গ্রুপটি ইতোমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছে মানুষের প্রিয় গ্রুপের তালিকায়। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পথ চলা, কর্মকান্ড, বাধা-বিপত্তি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গল্পগ্রাফির এবারের পর্বে কথা বললেন ‘রিসাইকেল বিন’ গ্রুপের উদ্যোক্তা ফ্লোরিডা শারমিন সেতু। যারা এফ-কমার্সে গ্রুপ এবং পেইজের মাধ্যমে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য ভিডিওটি মাস্ট ওয়াচ!
ছোটবেলায় পাঠ্য বই ব্যতীত অন্য বই পড়া ছিল বারণ। আশেপাশে ছিল না কোনো লাইব্রেরিও। কে জানত, বইয়ের প্রতি অপরিসীম ক্ষুধা নিয়ে বড় হওয়া এই কিশোর একদিন হয়ে উঠবেন দুই বাংলার একজন জনপ্রিয় লেখক। কিংবা উল্টোভাবে বললে বলা যায়, এমন কারোরই হয়তো এরকম জনপ্রিয় লেখক হওয়ার কথা ছিল। আরশিনগর, অন্দরমহল কিংবা নির্বাসন-এর লেখক সাদাত হোসাইনকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার মতো কিছু আমাদের ঝুলিতে নেই। সাদাত তাঁর কর্ম, চিন্তা-চেতনা দিয়ে বারবারই আসেন আলোচনায়। এবারের গল্পগ্রাফি-তে তিনি শোনালেন নিজের লেখকযাত্রায় পাওয়া নানা প্রাপ্তি, স্মৃতি, সীমাবদ্ধতা এবং আলোচনা-সমালোচনা থেকে পাওয়া কিছু আবেগঘন গল্প। পাশাপাশি উঠে এলো ওপার বাংলায় তাঁর জায়গা করে নেয়ার অভিজ্ঞতাসহ আরও নানা কিছু। সাদাত হোসাইনের ভক্তদের জন্য, বাংলা সাহিত্যপ্রেমী এবং বইপড়ুয়াদের জন্য আজকের এই আয়োজন।
পেশায় তিনি ছিলেন ঠিকাদার। নীতি বিসর্জন দিয়ে স্রোতে গা ভাসানোর পরিবর্তে ঠিকাদারির পাশাপাশি একটা সময় বেছে নেন ট্রেনে করে বই ফেরি করার কাজ। উল্লেখ্য, তাঁর বিক্রি করা এসব বইয়ের লেখক তিনি নিজেই। কেবল ট্রেনে ফেরি করেই বিক্রি করেছেন প্রায় ২ লক্ষ বই! তৈরি করেছেন সারা বাংলাদেশের সকল রেলস্টেশন ও ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে বিশদ ম্যাপ। তাঁর উদ্ভাবিত অদ্ভুত সুন্দর ও আশ্চর্য পদ্ধতিতে ইংরেজি ভোকাবুলারি হয়েছে পানির মত সহজ। ইংরেজি ভোকাবুলারি শিক্ষার বই ‘Bonus’ এখন সমাদৃত হচ্ছে সারাদেশে। ট্রেনে বই ফেরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত মো. টিপু সুলতান এসেছিলেন গল্পগ্রাফি স্টুডিওতে। এবারের পর্বে শুনুন বই সঙ্গী করে তাঁর ট্রেন যাত্রার গল্প।
From the publisher's feed
মো. সবুর খান নামটা অনেকের কাছেই হয়ত পরিচিত। কারণ তিনি ব্যবসার থেকে বেশি গুরুত্ব দিতেন নিজের রেপুটেশনটাকে। একজন উদ্যোক্তার মাইন্ডসেট, লক্ষ্য বা আচরণ যাই বলুন না কেন সেটা কী রকম হওয়া উচিত? ব্যবসা…