অধিকাংশ ম্যানেজার অন্যদের অনুপ্রাণিত করার পন্থা হিসেবে দ্বিগুণ নেতিবাচকতা ব্যবহার করে থাকেন। প্রথমত, তারা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তিরষ্কার করেন এবং পরে তারা এই নেতিবাচক বিষয়টিকে প্রেরণা হিসাবে গ্রহণ করে সফল হওয়ার চেষ্টা করেন।
এটা কখনোই কাজে আসে না।
লক্ষ্য অর্জনে চাপ প্রয়োগ ও উৎসাহিত করা এক বিষয় নয়। চাপ প্রয়োগ কখনোই অনুপ্রেরণার পন্থা নয়। কোনো কর্মীই দুশ্চিন্তা বা চাপের মধ্যে ভালো করতে পারেন না। কোনো
নেতাও পারেন না। একইভাবে কোনো বিক্রয়কর্মী, দৌড়বিদ, তহবিল সংগ্রাহক, ফুটবলার, শ্যূটার বা কোনো অভিভাবকও পারেন না। একজন চাপগ্রন্থ, চিন্তিত কর্মী তার মেধার একটি ক্ষুদ্র অংশ কাজে লাগাতে পারে। যদি আপনার প্রিয় দলের খেলা থাকে তাহলে কি আপনি আশা করবেন একজন চাপগ্রন্থ খেলোয়াড় শেষ মুহূর্তে গোলে শট করুক? না আপনি আশা করবেন একজন আত্মবিশ্বাসী, শান্ত প্রকৃতির খেলোয়াড় কাজটি করুক?
অধিকাংশ মানুষ কোনো লক্ষ্য অর্জনে অতি যত্নবান হওয়ার কারণে চাপগ্রন্থ হয়ে পরে। কিন্তু এটা যত্নবান হওয়া নয়, চাপগ্রন্থ হওয়া। চাপ মানুষের কাজকে আরও বেশি খারাপ করে। যত্ন মানুষকে ভালোভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করে। এ কারণেই একজন নেতাকে চাপ ও যত্নের মধ্যে পার্থক্য বুঝাট, --- Support this podcast: https://podcasters.spotify.com/pod/show/bd-baharul/support