
Sign up to save your podcasts
Or


এখন থেকে দুশো বছর আগে ১৮২২ সালে কলকাতায় এসেছিলেন ফ্রান্সেস স্যুজেনা আরচার। অবশ্য কলকাতায় তিনি বেশি পরিচিতি লাভ করেন ফ্যানি পার্কস এই নামে। স্বামী চার্লস পার্কস ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কেরানি। স্বামীর সঙ্গে চাকরি সূত্রে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করে রাখতেন ডায়রির পাতায়। প্রায় চব্বিশ বছর ভারতে কাটিয়ে ১৮৪৬ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে যায়। তাঁর জীবনের এই সব অভিজ্ঞতা নিয়েই ১৮৫০ সালে বের হয়। সে বইয়ের পাতায় পাতায় পুরানো কলকাতার অসাধারণ চিত্র, সংস্কৃতি, সমাজ সব কিছু লিপিবদ্ধ আছে। আজকালকার কলকাতা গবেষকরা পুরানো কলকাতার যে চিত্র খুঁজে নিয়ে আসেন তার বেশির ভাগটাই ফ্যানি পার্কসের লেখা থেকে। কী নেই সেখানে? চড়ক, বাংলা নতুন বছর, দুর্গাপুজো। আজ আমরা নিয়ে এলাম সেরকমই একটি লেখা।
🛎 কিছুদিন আগেই ছিল আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস। বন্ধুত্ব দিবসে আমরা একে অন্যকে বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা বার্তা জানালাম বটে তবে যে কারণটিকে কেন্দ্র করে এই দিনটি সেটা আমরা অনেকেই ভুলতে বসেছি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে আমেরিকা পরমাণু বোমা ফেলেছিল জাপানের দুটি শহরের উপরে। শহর দুটি নিশ্চিহ্ন হল। তার সঙ্গে আগামী কয়েক প্রজন্ম শারীরিক বিকলাঙ্গতা নিয়ে জন্মাতে শুরু করেছিল। বিশ্বময় যুদ্ধের এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে শুরু হয়েছিল বন্ধুত্ব দিবস। আজ বিশ্বময় যুদ্ধ চলছেই। অথচ জাপান সেই ঘটনার পর থেকে যুদ্ধের ভয়াবহতাকে স্মরণ করে চলেছে প্রতিটা দিন, মাস ও বছর। আজ আমরা শোনাব আপনাদের এমনই এক অভিজ্ঞতার কথা। আজ দ্বিতীয় তথা অন্তিম পর্ব
🛎 কিছুদিন আগেই ছিল আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস। বন্ধুত্ব দিবসে আমরা একে অন্যকে বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা বার্তা জানালাম বটে তবে যে কারণটিকে কেন্দ্র করে এই দিনটি সেটা আমরা অনেকেই ভুলতে বসেছি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে আমেরিকা পরমাণু বোমা ফেলেছিল জাপানের দুটি শহরের উপরে। শহর দুটি নিশ্চিহ্ন হল। তার সঙ্গে আগামী কয়েক প্রজন্ম শারীরিক বিকলাঙ্গতা নিয়ে জন্মাতে শুরু করেছিল। বিশ্বময় যুদ্ধের এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে শুরু হয়েছিল বন্ধুত্ব দিবস। আজ বিশ্বময় যুদ্ধ চলছেই। অথচ জাপান সেই ঘটনার পর থেকে যুদ্ধের ভয়াবহতাকে স্মরণ করে চলেছে প্রতিটা দিন, মাস ও বছর। আজ আমরা শোনাব আপনাদের এমনই এক অভিজ্ঞতার কথা। ততক্ষণে ঝটপট সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন আমাদের চ্যানেলটি। আর সঙ্গে থাকুন।
🛎ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এ দেশে এসেছিল ব্যবসা করতে। কী ব্যবসা করত তারা? নীল, সুতো, কাপড়, লবণ, কুঁচ ফল যা কিছুতে তারা লাভ দেখেছে তাই নিয়েই তারা ব্যবসা ফেঁদেছিল। এমন কি মদের ব্যবসাও তারা বাদ দেয়নি। সম্ভবত ভারতে প্রতিষ্ঠিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম মদের কারখানাটি গড়ে উঠেছিল এই বাংলায়। আজ থাকছে সেই গল্প।
১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের পরে এদেশে রাজা, বাদশা আর নবাবদের অন্তিম প্রহর ধুরু হয়ে গিয়েছিল। রবার্ট ক্লাইভ এসে জাঁকিয়ে বসলেন কলকাতায়। বাংলার নতুন রাজধানী কলকাতা । সিরাজ আগেই কলকাতার বেশিরভাগটাই ভেঙে-চুরে তছনছ করে গিয়েছিলেন। ক্লাইভ তাই কলকাতাকে নতুন করে সাজানোর ব্যবস্থা করলেন। গড়ে উঠল ইউরোপীয়দের জন্য হোয়াইট টাউন আর দেশীয় প্রজাদের জন্য ব্ল্যাক টাউন।
চারশো বছর আগে যখন ইংরেজরা পা দেয়নি এই বাংলায় কেমন ছিল এই বাংলা? কেমন ছিল এই দেশ? কী জানতে ইচ্ছে করে? সেসব কিন্তু লিখে গিয়েছেন বেশ কিছু বিদেশি পর্যটক যাঁরা সেই সময়ে ভারতে এসেছিলেন। সে সব লেখা যখন পাওয়া যায়, তা কোনও মণিমুক্তের থেকে কম দামী কিছু নয়। গত কয় মাস যাবৎ আমরা খুজছিলাম এরকম কিছু লেখা। র্যালফ ফিচ ছিলেন বাংলায় পা রাখা প্রথম ইংরেজ। ১৫৮৬ সালে তিনি এসেছিলেন বাংলায়। কেমন ছিল তাঁর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা? জানব আজকের পর্বে।
চারশো বছর আগে যখন ইংরেজরা পা দেয়নি এই বাংলায় কেমন ছিল এই বাংলা? কেমন ছিল এই দেশ? কী জানতে ইচ্ছে করে? সেসব কিন্তু লিখে গিয়েছেন বেশ কিছু বিদেশি পর্যটক যাঁরা সেই সময়ে ভারতে এসেছিলেন। সে সব লেখা যখন পাওয়া যায়, তা কোনও মণিমুক্তের থেকে কম দামী কিছু নয়। গত কয় মাস যাবৎ আমরা খুজছিলাম এরকম কিছু লেখা। র্যালফ ফিচ ছিলেন বাংলায় পা রাখা প্রথম ইংরেজ। ১৫৮৬ সালে তিনি এসেছিলেন বাংলায়। কেমন ছিল তাঁর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা? জানব আজকের পর্বে।
*** সংশোধন - র্যালফ ১৫৯১ সালে দেশে ফিরে যান। অডিও-তে ১৯৯১ বলা হয়েছে ভুল বশত। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী
হিলিয়ামই হল আধুনিক যুগে ভারত থেকে আবিষ্কৃত একমাত্র মৌল। কিভাবে আবিষ্কৃত হয়েছিল হিলিয়াম?
বইতে পড়েছি সূর্যের মতো বিভিন্ন নক্ষত্র জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ড। কিন্তু মানুষ তো সেখানে যাইনি। তাহলে আমরা জানলাম কী করে?
প্রায় দেড়শো বছর আগের কলকাতা বললেই আমাদের চোখের সামনে নব জাগরণের বাংলা ভেসে ওঠে বা হয়তো আলোচনায় আসে সিপাহী বিদ্রোহের খণ্ড চিত্র। অথচ তখনও শহর কোলকাতায় ছিল চুরি, ঠকবাজি খুনের মতো একাধিক সামাজিক অপরাধ। R. Reid কাজ করেছিলেন কলকাতার ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টে।যুবরাজ সপ্তম এডওয়ার্ড যখন কলকাতা এসেছিলেন তখন এই রিড সাহেব ছিলেন তাঁর দেহরক্ষী। আরও পরে শহর কলকাতার অপরাধ জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছিলেন Every man his own detective বইটি। সেই বইতে আছে এই কলকাতাতেই ঘটে যাওয়া অদ্ভুত সব অপরাধের কাহিনি। হিরে চুরি থেকে লবণ নিয়ে আর্থিক তছরুপ বা জাল ডাক টিকিট তৈরি। আজ থাকছে সেই বইয়ের 'A GENTEL SHARPER’ শীর্ষক লেখাটি। এই কলকাতায় ঘটে যাওয়া হিরে চুরির ঘটনা যাতে অভিযুক্ত ছিলেন এক বাঙালি।
পর্বপাঠে -শঙ্খ,
From the publisher's feed