
Sign up to save your podcasts
Or


দুই বিশ্বযুদ্ধে পৃথিবী ব্যাপী মারা গিয়েছিল বহু মানুষ। শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, যুদ্ধের কারণে হওয়া দুর্ভিক্ষের কারণেও। অথচ দেখা যায়, গত শতাব্দীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ। কারণ? কারণ পৃথিবীর খাদ্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান করেছিলেন এক বিজ্ঞানী। অথচ এই বিজ্ঞানীর নোবেল প্রাপ্তির ঘোষণা হতেই বিশ্বময় বিজ্ঞানীরা বিরোধিতা করেছিলেন। অনেকেই নোবেল দানের অনুষ্ঠানটিও বয়কট করেছিলেন। কে এই বিজ্ঞানী? কী এমন করেছিলেন যার কারণে তিনি এই প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়েছিলেন? জানব আজকে
আর কিছুদিন পরেই তো জামাই ষষ্ঠী। নিমন্ত্রণ পেলেন নাকি? কী বলছেন? এখনও জামাই হয়ে উঠতে পারেননি? তাতে কী! আমরা তো আছি। জামাই ষষ্ঠীতে খাওয়াতে না পারি, জামাই ষষ্ঠীর ইতিহাস নিয়ে দুটো গল্প তো করতে পারি। কে জানে ভবিষ্যতে শ্বশুরবাড়ি গেলে হয়তো বা আপনার কাজে লেগে গেল। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের পর্ব।
শিয়ালদার কাছে ছকু খানসামা লেনের কথা শুনেছেন তো নিশ্চয়ই? বা ধরুন পার্ক সার্কাসের কাছে চমরু খানসামা লেন। আচ্ছা, কখনও ভেবে দেখেছেন, এত লোকজন থাকতে হঠাৎ খানসামাদের নামে কলকাতার রাস্তার নাম হল কেন? আসলে কলকাতা শিল্প ও শিল্পীর কদর করেছে সব সময়- তা সে রন্ধন শিল্পই হোক না কেন? এই খোদ শহর কলকাতায় এখনও কোনও মতে দুটো রাস্তার নাম খানসামাদের নামে টিকে থাকলেও এক সময় কিন্তু ছিল অনেকগুলো রাস্তা। আসলে নবাবী আমল হয়ে খোদ ইংরেজ আমল অবধি নবাব থেকে বড় লাটেদের হেঁসেল সামলেছে কিন্তু এই খানসামারাই। আজ বাংলার খানসামাদের নিয়ে হবে গল্প। শুনতে থাকুন এই পর্ব।
ভীমনাগ তৈরি করেছিলেন লেডিকেনি। আজ প্রত্যেক হাটে-বাজারে এরকম কোনও মিষ্টির দোকান নেই যেখানে লেডিকেনি পাওয়া যায় না। কিভাবে তৈরি করেছিলেন তিনি সেই মিষ্টি? আজ থাকবে সে গল্প। আপনাদের জানিয়ে রাখি আজকের এই গল্পটি আমাদের বলেছেন ভীমনাগের পরিবারের এক সদস্য। তাই হাটে-বাজারে যেসব গুজব প্রচলিত আছে, সেসব বাদ দিয়ে আসুন শুনে নিই সত্যি ঘটনা খানা।
বাংলায় লৌকিক দেব-দেবী বা অপদেবতার সংখ্যা নেহাত কম নয়। যাঁরা বিভূতিভূষণের লেখা পড়েছেন তাঁরা রঙ্কিণী দেবী, জ্বরাসুরের মতো এরকম অপদেবতারদের নাম শুনে থাকবেন। এছাড়াও কালু রায়, বনবিবি, ষষ্ঠীঠাকুর, পেঁচা-পেঁচি আরও কত যে লৌকিক দেবতারা আছেন তা গুণে শেষ হবে না। এই সমস্ত দেবতা কিন্তু বাংলার নিজস্ব দেবতা। তাঁদের নেই কোনও পৌরাণিক ভিত্তি, অথচ বছরের পর বছর তাঁরা বাংলার মানুষের বিশ্বাস আর মননে বেঁচে রয়েছেন। আজ আমরা এমনি এক লৌকিক দেবতা নিশাচরকে নিয়ে কথা বলব এই পর্বে।
দুদিন আগে ছিল ২৫ শে বৈশাখ। আমাদের সবার প্রিয় রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন পালন হল মহা ধুমধামে। এই উপলক্ষ্যে আপনিও নিশ্চয়ই কিছু না কিছু অনুষ্ঠানে নিশ্চয়ই যোগ দিয়েছিলেন? দেননি? এবাবা! আপনি ভাবছেন এখন আমরা বুঝি রবীন্দ্রনাথের কোনও গান বা নাটক কিছু পরিবেশন করব? একেবারেই না। আমরা বরং আজ কবিগুরুকে নিয়ে একটা মজার গল্প করব আজ। তাঁকে একবার ধরানো হয়েছিল আদালতের সমন। তাঁকে কোর্টে গিয়ে সাক্ষী দিতে হবে। এদিকে রবীন্দ্রনাথ তাতে মোটেই খুশি নন। কী হল শেষ অবধি?
সৃষ্টিও পূর্বে ছিল না কোনও কিছুই। ছিল শুরু পরমব্রহ্ম। পরমব্রহ্মর কোনও আদি নেই, অন্তও নেই- তা চরম সত্য যা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। তা অসীম, সময়হীন। কারণ ও ফলাফল দুইই যার মধ্যে সমাহিত। যা আকার বা নিরাকার কোনও কিছুই নয়। চিন্তা ও অনুভবের বাইরে থাকা এক বিশুদ্ধ চেতনা। এমন এক অনুঘটক যা অপরিবর্তিত থেকেও চারদিকের সমস্ত কিছুকে পরিবর্তিত করতে পারে। সেই পরম ব্রহ্ম পার্থিব জগতের সূচনা করেন।
জন্মের সময় তাঁরও নাম ছিল 'রাম'। সম্ভবত ভারতীয় পুরাণের একমাত্র মানব চরিত্র যাঁকে রামায়ণ ও মহাভারত দুই মহাকাব্যে দেখা যায়। দুই মহাকাব্য ছাড়াও পরশুরামের দেখা পাওয়া যায় অগ্নিপুরাণ, স্কন্দপুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্ত্তপুরাণ, ভাগবতপুরাণে। হিন্দু পুরাণের সাতজন চিরঞ্জীবী বা অমরদের একজন তিনি। যাঁর কুঠারের সামনে নতজানু হয়েছিলেন স্বয়ং দশরথের মতো রাজাও, সেই পরশুরামকে নিয়ে আজ হবে গল্প। কীভাবে রাম হয়ে উঠেছিলেন পরশুরাম? কেন তিনি সমস্ত ক্ষত্রিয় রাজাদের হত্যা করার পরিকল্পনা করেন?
এখন থেকে দুশো বছর আগে ১৮২২ সালে কলকাতায় এসেছিলেন ফ্রান্সেস স্যুজেনা আরচার। অবশ্য কলকাতায় তিনি বেশি পরিচিতি লাভ করেন ফ্যানি পার্কস এই নামে। স্বামী চার্লস পার্কস ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কেরানি। স্বামীর সঙ্গে চাকরি সূত্রে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করে রাখতেন ডায়রির পাতায়। প্রায় চব্বিশ বছর ভারতে কাটিয়ে ১৮৪৬ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে যায়। তাঁর জীবনের এই সব অভিজ্ঞতা নিয়েই ১৮৫০ সালে বের হয়। সে বইয়ের পাতায় পাতায় পুরানো কলকাতার অসাধারণ চিত্র, সংস্কৃতি, সমাজ সব কিছু লিপিবদ্ধ আছে। আজকালকার কলকাতা গবেষকরা পুরানো কলকাতার যে চিত্র খুঁজে নিয়ে আসেন তার বেশির ভাগটাই ফ্যানি পার্কসের লেখা থেকে। কী নেই সেখানে? চড়ক, বাংলা নতুন বছর, দুর্গাপুজো। আজ আমরা নিয়ে এলাম সেরকমই একটি লেখা।
সে অনেককাল আগের কথা। তখন দেশে ইংরেজ শাসন চলছে। আমাদেরই দেশের এক যুবরাজ বিদেশে পড়তে গিয়েছিলেন। এক ছুটিতে বাড়ি ফেরার সময় যুবরাজ পথেই অপহৃত হলেন। একজন ভারতীয় রাজার পুত্র বিলেতের মাটি থেকে নিরুদ্দেশ এ কোনও ছোটখাটো অপরাধ নয়। ব্রিটিশ সরকার নড়ে চড়ে বসলেন। কেস দেওয়া হল স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড মাত্র একটি সূত্রের উপরে নির্ভর করে উদ্ধার করেছিল যুবরাজকে। কি অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে শুনতে থাকুন এই পর্ব।
From the publisher's feed