Quran For Lifeline

Quran For Lifeline

By Quran For LifelineReligion & Spirituality
Download on the App Store

Quran For Lifeline episodes

  • সূরা আল-কিয়ামাহ | আল কুরআনের ৭৫ তম সূরা
    সূরা আল-ক্বিয়ামাহ‌ (আরবি ভাষায়: القيامة) । শ্রেণী:
    মাক্কী সূরা,
    নামের অর্থ:
    মহাপ্রলয় - পুনরুত্থান,
    অবতীর্ণ হওয়ার সময়:
    হিজরত-পূর্ব,
    সূরার ক্রম:
    ৭৫,
    আয়াতের সংখ্যা:
    ৪০,
    পারার ক্রম:
    ২৯,
    মঞ্জিল নং:
    ৭,
    রুকুর সংখ্যা:
    ২,
    সিজদাহ্‌র সংখ্যা:
    নেই । শানে নুযূল:
    ইসলাম ধর্ম প্রচারকালীন সময় নবী মুহাম্মদকে কাফেররা ক্বিয়ামাত সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকার প্রশ্ন করতো; এসকল প্রশ্নের উত্তরে এই সূরাটি অবতীর্ণ হয়। ব্যাখ্যা:
    এই সূরাটি কেয়ামত সম্পর্কে সন্দেহের অবসান ঘটিয়েছে। এই সূরায় বলা হয়েছে আগে কাফেরেরা ভাবত আমরা তো মরার পর পঁচে গলে যাব।তাহলে আল্লাহ তায়ালা কীভাবে আবার সৃষ্টি করবেন? কিন্তু কুরআনে বলা হয়েছে যে,আল্লাহ তায়ালা তাদের আঙ্গুলগুলো পর্যন্ত সন্নিবেশন করতে সক্ষম।তারা প্রশ্ন করে কেয়ামত কবে হবে?আল্লাহ তায়ালা বলেছেন যে (আমার ব্যক্তিগত ভাষায়) কেয়ামত সেদিন হবে যেদিন দৃষ্টি চমকে যাবে,সূর্য ও চাঁদ জ্যোতিহীন হয়ে যাবে,চাঁদ ও সূর্যকে একত্র করা হবে। তখন মানুষ বলবে পালানোর জায়গা কোথায়? কিন্তু তারা ঠাঁই পাবার জায়গা পাবে না একমাত্র আল্লাহর আরশে আযীম ছাড়া। সেখানে নেকব্যক্তিরা স্থান লাভ করবে? মূলত মানুষ ভবিষ্যতেও ধৃষ্টতা দেখাতে চায়। যার কারণে তারা এসব ব্যাপারে মাথা ঘামায়।সেদিন তারা জীবনে যা করেছে তা তাদেরকে দেওয়া হবে।কিন্তু তারা এসব পাওয়ার পরও অজুহাত পেশ করবে। নবীজি এসব আয়াত মুখস্ত করার জন্য জিবরাঈল আঃ এর সঙ্গে ঠোঁট নাড়িয়ে পড়তেন।আল্লাহ তায়ালা এর প্রেক্ষিতে বলেন যে, হে নবী আপনার এভাবে পড়ার দরকার নেই। জিবরাঈল যা কিছু বর্ণনা করেন তার দিকে অনুসরণ করুন। মুখস্ত করানোর দায়িত্ব আমার। তবুও মানুষ পরকালকে উপেক্ষা করে। আর এসব অজুহাত এসবেরই কারণ। সেদিন নেককারেরা প্রভুর দিকে উজ্জ্বল মুখমন্ডল ফিরিয়ে রাখবে। আর বদকারেরা এর বিপরীতভাবে থাকবে। তারা নামাজ পড়েনি আল্লাহর ইবাদত করেনি। আর এসবের কারণে তাদের এই পরিণতি হবে। মানুষ মনে করে তাদের এভাবে ছেড়ে দেওয়া হবে। তারা স্খলিত বীর্য ছিল। অতঃপর তারা ছিল রক্তপিন্ড এবং আল্লাহ তাঁকে সুবিন্যস্ত করেছেন। আর সৃষ্টি করেছেন নারী ও পুরুষ। তাহলে কি এভাবে তিনি মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করতে পারবেন না? অবশ্যই পারবেন। সুতরাং কেয়ামত অবশ্যই হবে। এ ই সূরা এসব বিষয় সম্পর্কেই বলা হয়েছে।
    9 min
  • সূরা ইউনুস | আল কুরআনের ১০ তম সূরা
    সূরা ইউনুস (আরবি ভাষায়: سورة يونس‎) । এই সূরাটিতে কোরাআন পাক ও ইসলামের মৌলিক উদ্দেশ্যাবলী- তওহীদ, রিসালাত, আখিরাত ইত্যাদি বিষয়ের যথার্থতা বিশ্বচরাচর এবং তার মধ্যকার পরিবর্তন-পরিবর্তনশীল ঘটনাবলীর মাধ্যমে প্রমাণ দেখিয়ে ভালো করে বোধগম্য করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাথে সাথে কিছু উপদেশমূলক, ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং কাহিনীর অবতারণা করে সে সমস্ত লোকদেরকে সতর্ক করা হয়েছে যারা আল্লাহ্‌ তাআলার এ সব প্রকাশ্য নিদর্শনসমূহের উপর একটু চিন্তা করে না। শ্রেণী:
    মক্কী সূরা,
    নামের অর্থ:
    নবী ইউনুস,
    সূরার ক্রম:
    ১০,
    আয়াতের সংখ্যা:
    ১০৯,
    পারার ক্রম:
    ১১,
    রুকুর সংখ্যা:
    ১১,
    সিজদাহ্‌র সংখ্যা:
    নেই । ব্যাখ্যা:
    এই সূরার দ্বিতীয় আয়াতে রয়েছে মুশরেকদের একটি সন্দেহ ও প্রশ্নের উত্তর। সন্দেহটি ছিলো এই যে, কাফেররা তাদের মূর্খতার দরুণ সাব্যস্ত করে রেখেছিল যে, আল্লাহ্‌ তাআলার পক্ষ থেকে যে নবী বা রসূল আসবেন তিনি মানুষ হবেন না বরং তিনি মানুষ না হয়ে ফেরেশতা হওয়াটাই উচিত। কোরাআন পাক বিভিন্ন জায়গায় তাদের এই ভ্রান্ত ধারণার উত্তর বিভিন্ন প্রকারে দিয়েছেন। এক আয়াতে এরশাদ হয়েছেঃ
    “ যমীনের উপর যদি ফেরেশতারা বাস করতো, তাহলে আমি তাদের জন্য কোন ফেরেশতাকেই রসূল বানিয়ে পাঠাতাম। ”
    যার মূল কথা হলো এই যে, রেসালাতের উদ্দেশ্য ততহ্মণ পর্যন্ত পূর্ণ হবে না, যতহ্মণ পর্যন্ত না রসূল এবং যাদের মধ্যে রসূল পাঠানো হচ্ছে এই দুয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক থাকে।
    1 hr 22 min
  • সূরা আল-ফাজ্‌র | আল কুরআনের ৮৯ তম সূরা
    আল ফাজ্‌র (আরবি: سورة الفجر‎‎) । এই সূরাতে প্রাচীনকালের কয়েকটি অবিশ্বাসী জাতির ধ্বংস হওয়ার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়া অর্থলিপ্সু ও নির্দয় লোকদের সমালোচনাও এই সূরায় বিদ্যমান। এখানে সৎ ও সত্যপন্থীদেরকে জান্নাতের সুসংবাদও দেয়া হয়েছে। এই সূরার শুরুতে প্রভাত বেলার শপথ করে বক্তব্য সূচনা করা হয়েছে। শ্রেণী:
    মক্কী সূরা,
    নামের অর্থ:
    ভোর - প্রভাত,
    অবতীর্ণ হওয়ার সময়:
    মাক্কী যুগের এমন এক সময় যখন মুসলিমগণ চরমভাবে নির্যাতিত হচ্ছিলেন ।
    সূরার ক্রম:
    ৮৯
    আয়াতের সংখ্যা:
    ৩০,
    পারার ক্রম:
    ৩০,
    রুকুর সংখ্যা:
    ১,
    সিজদাহ্‌র সংখ্যা:
    নেই । মূল বক্তব্য:
    মৃত্যু-পরবর্তী জীবনের পুরস্কার ও শাস্তির বিষয়টি এই সূরায় প্রমাণ করা হয়েছে। মক্কার অবিশ্বাসীগণ পরকালকে অস্বীকার করত; তাই সেই সময় নাজিল হওয়া সূরাসমূহে পরকালের বাস্তবতা ও যথার্থতার পক্ষে যুক্তি পেশ করা হয়েছে। এই সূরাটিতেও বিভিন্ন ইতিহাস ও যুক্তি পেশের মাধ্যমে পরকালের বিষয়টি প্রমাণ করা হয়েছে। সূরাটির শুরুতেই কয়েকটি বিষয়ের শপথ করে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে, এর মধ্যে বুদ্ধিমান মানুষদের জন্য বিবেচ্য বিষয় আছে কিনা। এখানে দিন রাতের আবর্তনের শপথ করার ব্যাখ্যা এই যে, যে স্রষ্টা একটি সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে দিন রাতের আবর্তন ঘটাতে সক্ষম, তার জন্য পরকাল প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রতিফল প্রদান করা মোটেই কঠিন কিছু নয়। এর পর মানবেতিহাস থেকে আদ, সামুদ ও ফিরাউনের ধ্বংস হবার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, যারা দুনিয়াতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী তাদেরকে যথাসময়ে পাকড়াও করাই আল্লাহ্‌র নীতি। এই পৃথীবিতে যার যা ইচ্ছা তা করার অধিকার নেই, বরং আল্লাহ সর্বদা নজর রেখে চলেছেন যেন এখানে বিপর্যয় সৃষ্টি না হয়; তিনি পরকালে তো বটেই, প্রয়োজনে দুনিয়ার জীবনেও শাস্তি প্রদান করে থাকেন। ন্যায়পরায়ণতার দাবী এটাই যে, ভাল এবং মন্দ উভয় রকম কাজেরই যথাযোগ্য প্রতিফল থাকা উচিত। এরপর এই সূরায় অর্থলিপ্সা ও অনাথদের প্রতি নির্দয়তার সমালোচনা করা হয়েছে। সবশেষে বলা হয়েছে, ভাল এবং মন্দ উভয় কাজেরই যোগ্য প্রতিদান পরকালে প্রদান করা হবে।
    7 min
  • সূরা মারইয়াম | আল কুরআনের ১৯ তম সূরা
    সূরা মারইয়াম (আরবি ভাষায়: سورة مريم‎‎) । এই সূরাটির প্রথমে হযরত জাকারিয়া এর প্রার্থনার কথা, পরে বিবি মরিয়ম এবং পুত্র হযরত ঈসা-এর সম্পর্কে বলা হয়েছে। শ্রেণী:
    মাক্কী সূরা,
    নামের অর্থ:
    বিবি মরিয়ম (নবী ঈসা-এর মাতা),
    সূরার ক্রম:
    ১৯,
    আয়াতের সংখ্যা:
    ৯৮,
    পারার ক্রম:
    ১৬,
    রুকুর সংখ্যা:
    ৬,
    সিজদাহ্‌র সংখ্যা:
    ১ (৫৮ নং আয়াতে) । নামকরণ:
    এই সূরাটির ষোড়শ আয়াতের وَاذْكُرْفِيالْكِتَابِمَرْيَمَ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থ্যাৎ এটি সেই সূরা যাতে بِمَرْيَمَ শব্দটি আছে।
    নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান:
    মুসলমানদের আবিসিনিয়ায় হিজরতের প্রাক্কালে এই সূরাটি নাযিল হয় ।
    40 min
  • সূরা ইব্রাহিম | আল কুরআনের ১৪ তম সূরা
    সূরা ইব্রাহীম , (আরবি: سورة ابراهيم‎‎, (নবী ইব্রাহিম) । শ্রেণী:
    মাক্কী,
    নামের অর্থ:
    (নবী ইব্রাহিম),
    সূরার ক্রম:
    ১৪,
    আয়াতের সংখ্যা:
    ৫২ । নামকরণ:
    এই সূরার ৩৫ নং আয়াতে উল্লেখিত وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَذَا الْبَلَدَ آمِنًا বাক্যাংশ থেকে পবিত্র সূরার নামকরণ করা হয়। পবিত্র এ সূরায় ইব্রাহীম জীবন বৃত্তান্ত বর্ণনা করা হয়েছে।অন্যান্য সূরার ন্যায় এখানেও আলামত হিসেবে এ নাম ব্যবহৃত হয়েছে। বিশেষত্ব:
    এই সুরার বিশেষত্ব হচেছ এই সুরাটি পূর্বোক্ত (সুরা রাদ) সুরাটির শেষ অংশ বিশেষ হিসেবে ধরা যায়। এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কি ভাবে স্বার্থান্ধ লোকের স্বার্থপরতা সত্বেও, সত্য তার নিজস্ব শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সত্যকে উপস্থাপন করার জন্য হযরত মুসা ও হযরত ইব্রাহিমের জীবন কাহিনীকে উদাহরণ স্বরূপ তুলে ধরা হয়েছে। এই সুরার মর্মার্থ হচেছ হযরত ইব্রাহীম এর প্রার্থনা।
    35 min
  • সূরা হুদ | আল-কুরআনের ১১ তম সূরা
    সূরা হুদ (আরবি: سورة هود‎‎) । শ্রেণী:
    মক্কী সূরা,
    নামের অর্থ:
    নবী হুদ,
    সূরার ক্রম:
    ১১,
    আয়াতের সংখ্যা:
    ১২৩,
    পারার ক্রম:
    ১১,
    রুকুর সংখ্যা:
    ১০,
    সিজদাহ্‌র সংখ্যা:
    নেই । বিষয়বস্তু:
    কোরআন-এর ১০ম থেকে ১৫তম সুরাগুলিতে ইসলামের বিভিন্ন নবীর কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। এই সূরাটিতে ৫০ থেকে ৬০ নং আয়াতে নবী হুদ-এর ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
    1 hr 28 min
  • সূরা ইউসুফ | আল-কুরআনের ১২ তম সূরা
    ইউসুফ (আরবি ভাষায়: يسوف) শ্রেণী: মক্কী সূরা, নামের অর্থ: নবী ইউসুফ, সূরার ক্রম: ১২, আয়াতের সংখ্যা: ১১১, পারার ক্রম: ১২ (১-৫২ আয়াত)
    ১৩ (৫৩-১১১ আয়াত), রুকুর সংখ্যা: ১২, সিজদাহ্‌র সংখ্যা: নেই । সূরা ইউসুফ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। যদিও অন্যান্য নবীদের ঘটনা কোরআনের বিভিন্ন সূরাতে উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু শুধু ইউসুফ -এর ঘটনা কোরআনের সূরা ইউসুফে সম্পূর্ণ ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিশ্ব-ইতিহাস এবং অতীত অভিজ্ঞতার মধ্যে মানুষের ভবিষ্যত জীবনের জন্যে বিরাট শিক্ষা নিহিত থাকে। এসব শিক্ষার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া মানুষের মন ও মস্তিষ্কের মধ্যে সাধারণ শিক্ষার চাইতে গভীরতর হয়। এ কারণেই গোটা মানব জ়াতির জন্যে সর্বশেষ নির্দেশনামা হিসেবে প্রেরিত কোরআন পাকে সমগ্র বিশ্বের জাতিসমূহের ইতিহাসের নির্বাচিত অধ্যায়সমূহ সন্নিবেশিত করে দেয়া হয়েছে, যা মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যত সংশোধনের জন্যে কার্যকর ব্যবস্থাপত্র। নাযিল হওয়ার উপলক্ষ:
    হযরত ইউসুফ এর ঘটনাকে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করার একটি সম্ভাব্য কারণ এই যে, ইতিহাস রচনাও একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র। এতে ইতিহাস রচয়িতাদের জন্যে বিশেষ নির্দেশ রয়েছে যে, বর্ণনা এমন সংক্ষিপ্ত না হয় যাতে পূর্ণ বিষয়বস্তু হৃদয়ঙ্গম করা দুরূহ হয়ে পড়ে। পক্ষান্তরে, বর্ণনা এত দীর্ঘ হওয়াও সমীচীন নয়, যাতে তা পড়া ও স্মরণ রাখা কঠিন হয়।
    দ্বিতীয় সম্ভাব্য কারণ এই যে, যেমন কোন কোন রেওয়ায়েতে বর্ণিত আছে, ইহুদীরা পরীক্ষার্থ মুহাম্মাদ-কে প্রশ্ন করেছিল, "যদি আপনি সত্যিই আল্লাহর নবী হন, তবে বলুন ইয়াকুব-পরিবার সিরিয়া থেকে মিসরে কেন স্থানান্তরিত হয়েছিল এবং ইউসুফ -এর ঘটনা কি ছিল? এরই পরিপ্রেক্ষিতে মুহাম্মাদ -এর জ্ঞাতার্থে ওহীর মাধ্যেমে পূর্ণ কাহিনী অবতারণ করা হয়।
    1 hr 15 min
  • সূরা আন-নূর | আল-কুরআনের ২৪তম সূরা
    এটি মাদানী সূরা। এ সূরায় হযরত আয়েশা রা. এর উপর দেওয়া অপবাদ খন্ডন করা হয়েছে। শ্রেণী:
    মাদানী সূরা,
    নামের অর্থ:
    আলো,
    সূরার ক্রম:
    ২৪,
    আয়াতের সংখ্যা:
    ৬৪,
    রুকুর সংখ্যা:
    ৯ । নামকরণ:
    পঞ্চম রুকূ’র প্রথম আয়াত তথা ৩৫ তম আয়াত থেকে সূরার নাম গৃহীত হয়েছে । উক্ত আল্লাহ নিজের পরিচয় তুলে ধরতে গিয়ে নূর শব্দ ব্যবহার করেছেন। শানেনুযুল:
    এ সূরাটি যে বনু মুসতালিক যুদ্ধের সময় নাযিল হয়, এ বিষয়ে সবাই একমত । কুরআনের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, হযরত আয়েশার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের ঘটনা প্রসংগে এটি নাযিল হয় । হযরত আয়েশা রা. বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ (ইফকের ঘটনা) খন্ডন করে দেওয়া হয় এ সূরা নাজিলের মাধ্যমে। বিষয়বস্তু:
    এ সূরায় ব্যভিচারের শাস্তি ঘোষণা করা হয়। কারো বিরুদ্ধে অহেতুক ব্যাভিচারের অপবাদ দেবার শাস্তি ঘোষিত হয়। ১১ নং আয়াতে হযরত আয়েশা রা. এর বিরুদ্ধে আনা অপবাদের জবাব দেওয়া হয়। ২৭ নং আয়াতে অনুমতি ছাড়া অপরের ঘরে প্রবেশ করতে নিষেধ করে আইন করা হয়। ৩০ ও ৩১ নং আয়াতে যথাক্রমে পুরুষ ও নারীদের জন্যে পর্দার বিধান দিয়ে দৃষ্ঠি নিচু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৩১ আয়াতে গাইরে মাহরামদের (যাদের সাথে বিয়ে জায়েয কিন্তু দেখা দেওয়া হারাম) তালিকা দেওয়া হয়। ৩৫ আয়াতে আল্লাহ একটি উপমার দ্বারা নিজের পরিচয় তুলে ধরেছেন । পরবর্তী আয়াতগুলোতে সৃষ্ঠিজগতের প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক কিছু নিদর্শনের প্রতি ইঙ্গিত করে পরকালের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
    53 min
  • সূরা আল-আহযাব | আল-কুরআনের ৩৩তম সূরা
    আল আহ্‌যাব , (আরবি: سورة الأحزاب‎‎, (জোট) । এই সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৭৩ টি। শ্রেণী:
    মাদানী,
    নামের অর্থ:
    (সিজদা),
    সূরার ক্রম:
    ৩৩,
    আয়াতের সংখ্যা:
    ৭৩ । এই সূরাটিতে মুসলমানদেরকে আল্লাহর দয়া ও ক্ষমতা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য খন্দকের যুদ্ধে আল্লাহ তালা যে মদিনা আক্রমণকারী গোত্রদেরকে যেভাবে পরাভূত করেছিলেন তা উল্লেখ করা হয়েছে। যেহেতু এটি একটি মাদানী সূরা, অন্যান্য মাদানি সূরার মত এতেও বিধি বিধান প্রদান করা হয়েছে, যা ছিল নবী ও তার স্ত্রীদের সাথে আচরণ সম্পর্কে এবং পাশাপাশি মুনাফিকদেরকে তাদের খারাপ আচরণ সম্পর্কে সাবধান করা হয়েছে। কিছু পণ্ডিতের মতে, মাদানি সূরার আয়াতগুলোর বিশেষত্ব হল ইসলামী সমাজের বিভিন্ন বিধিবিধান প্রদান করা। এই সূরাসমূহে সাধারণত মুমিনদের অনুসরণের জন্য নিয়মকানুন অন্তর্ভুক্ত থাকে।
    নামকরণ:
    ‎الأحزاب (আল-আহযাব) শব্দটা এসেছে حزب থেকে যার অর্থ ভাগ করা, গ্রুপ, দল, বাহিনী যোগদান, সম্মিলিত বাহিনী ইত্যাদী। الأحزاب হল حِزْب এর বহু বচন। আমরা জানি বিভিন্ন গোত্রের প্রায় ১২ হাজার যোদ্ধা সম্মিলিতভাবে মদীনা ঘেরাও করে।
    55 min
  • সূরা আল-বাকারা | আল-কুরআনের ২য় সূরা
    আল বাকারা (আরবি ভাষায়: سورة البقرة) । আল বাকারা সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। শ্রেণী: মাদানী । নামের অর্থ: গাভী, অবতীর্ণ হওয়ার সময়: হিজরতের পর মাদানী জীবনের শুরুর দিকে । সূরার ক্রম: ২, আয়াতের সংখ্যা: ২৮৬, পারার ক্রম: ১ (১-১৪১ আয়াত)
    ২ (১৪২-২৫২ আয়াত)
    ৩ (২৫৩-২৮৬ আয়াত), রুকুর সংখ্যা: ৪০, সিজদাহ্‌র সংখ্যা: নেই । বাকারাহ মানে গাভী। এ সূরার ৬৭ থেকে ৭৩ নম্বর আয়াত পর্যন্ত হযরত মুসা এর সময়কার বনি ইসরাইল এর গাভী কুরবানীর ঘটনা উল্লেখ থাকার কারণে এর এই নামকরণ করা হয়েছে। কুরআন মাজীদের প্রত্যেকটি সূরার এত ব্যাপক বিষয়ের আলোচনা করা হয়েছে যার ফলে বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে তাদের জন্য কোন পরিপূর্ণ ও সার্বিক অর্থবোধক শিরোনাম উদ্ভাবন করা সম্ভব নয়। শব্দ সম্ভারের দিক দিয়ে আরবি ভাষা অত্যন্ত সমৃদ্ধ হলেও মূলত এটি তো মানুষেরই ভাষা আর মানুষের মধ্যে প্রচলিত ভাষাগুলো খুব বেশি সংকীর্ণ ও সীমিত পরিসর সম্পন্ন। সেখানে এই ধরনের ব্যাপক বিষয়বস্তুর জন্য পরিপূর্ণ অর্থব্যাঞ্জক শিরোনাম তৈরি করার মতো শব্দ বা বাক্যের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ জন্য নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী কুরআনের অধিকাংশ সূরার জন্য শিরোনামের পরিবর্তে নিছক আলামত ভিত্তিক নাম রেখেছেন। এই সূরার নামকরণ আল বাকারাহ করার অর্থ কেবল এতটুকু যে, এটি এমন সুরা যেখানে গাভীর কথা বলা হয়েছে।
    নাযিলের সময়-কাল:
    এ সূরার বেশীর ভাগ মহানবী-এর মদীনায় হিজরতের পর মাদানী জীবনের একেবারে প্রথম যুগে নাযিল হয়। আর এর কিছু অংশ পরে নাযিল হয়। বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্য ও সাদৃশ্যের সম্পর্কিত যে আয়াতগুলো নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের একেবারে শেষ পর্যায়ে নাযিল হয় সেগুলোও এখানে সংযোজিত করা হয়েছে। যে আয়াতগুলো দিয়ে সূরাটি শেষ করা হয়েছে সেগুলো হিজরাতের আগে মক্কায় নাযিল হয়। কিন্তু বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যের কারণে সেগুলোকেও এ সূরার সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।
    4 hr 14 min

About Quran For Lifeline

From the publisher's feed

Allah is our only Hope...

More shows like Quran For Lifeline

Mufti Menk by Muslim Central

Mufti Menk

2,077 Listeners

Nouman Ali Khan by Muslim Central

Nouman Ali Khan

886 Listeners

Maher Al Mueaqly by Muslim Central

Maher Al Mueaqly

69 Listeners

Mishary Rashid Alafasy by Muslim Central

Mishary Rashid Alafasy

481 Listeners

Bilal Assad by Muslim Central

Bilal Assad

338 Listeners

Yasser Al Dossari by Muslim Central

Yasser Al Dossari

103 Listeners

Abdur-Rahman as-Sudais by Muslim Central

Abdur-Rahman as-Sudais

106 Listeners

Saud Al-Shuraim by Muslim Central

Saud Al-Shuraim

78 Listeners

Lecture du coran by Aelia Phosphore

Lecture du coran

69 Listeners

Noreen Muhammad Siddique by Quran Central

Noreen Muhammad Siddique

234 Listeners

Digital Islamic Reminder by Digital Islamic Reminder

Digital Islamic Reminder

53 Listeners

Learn About Islam by LK

Learn About Islam

114 Listeners

Mufti Menk Podcast by Mufti Ismail Menk

Mufti Menk Podcast

39 Listeners

The Holy Quran, Sheikh Maher Al-Muaiqly | القران الكريم ماهر المعيقلي by Sheikh Maher Al-Muaiqly

The Holy Quran, Sheikh Maher Al-Muaiqly | القران الكريم ماهر المعيقلي

25 Listeners

The Holy Quran, Sheikh Saad Al Ghamdi | القران الكريم سعد الغامدي by Sheikh Saad Al Ghamdi

The Holy Quran, Sheikh Saad Al Ghamdi | القران الكريم سعد الغامدي

11 Listeners