
Sign up to save your podcasts
Or


কোভিড ১৯ এর কারণে বিশ্বজুড়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ হয়ে গেছে বিমান চলাচল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে।বেশ কিছু সংখ্যক অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশী এবং অস্ট্রেলিয়ার পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট বাংলাদেশে গিয়ে আটক পড়েছেন।অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন ঢাকা এবং অন্যানো কিছু সংগঠনের এর তৎপরতায় অবশেষে আটক পড়া বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ানদের একটি গ্রূপ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের বিশেষ ব্যাবস্থায় মেলবোর্ন এসে পৌঁছেছেন। সেখানে তারা সরকারের তত্বাবধানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে এখন যে যার গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। এস বি এস বাংলার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন মনজু জামান যিনি ওই দলের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া এসেছেন। মনজু জামানের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
কোবিড - ১৯ এর লকডাউন ও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। চলছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম। এদিকে এইচ এস সি পরীক্ষা আসন্ন। কিভাবে বা কোন পদ্ধতিতে হবে এই পরীক্ষা এনিয়ে দোলাচল রয়েছে। শিক্ষাথীরা যেমন জানেন না তেমনি শিক্ষকরাও স্পষ্ট করে কিছু বলছে না। এই অনিশ্চিয়তায় কি ভাবছে শিক্ষাথীরা এ নিয়ে এস বি এস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছে এইচ এস সি পরীক্ষাথী নাবিলা আফ্রিদি স্রোতস্বীনী। সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।
প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন যে আগামী সপ্তাহে সরকারের কোভিড সেফ অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে।তিনি বলেন জাতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক আগামী শুক্রবার ৮ মে এগিয়ে আনা হয়েছে। কোভিড-১৯ ইতিমধ্যে অস্ট্রেলিয়ান অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে।প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন যে সরকারী সহায়তা চাইছেন তাদের সংখ্যা অবিচ্ছিন্নভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।এবং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে বলে আশংকা করা হচ্ছে,ফলে আগামী অর্থবছর আগের তুলনায় নেট বিদেশী মাইগ্রেশন উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পাবে।কোভিড-১৯ এর ফলে আরোপিত বিধিনিষেধ গুলো পর্যালোচনা করার জন্য জাতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক আগামী শুক্রবার ৮ মে এগিয়ে আনা হয়েছে।স্কট মরিসন বলেন যে উল্লোখযোগ হারে নিষেধাজ্ঞা গুলি তুলতে সরকারের কোভিড সেফ অ্যাপ্লিকেশনটির অনেক বেশি ডাউনলোডের হারের উপর নির্ভর করবে।প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।
কোভিড ১৯ এর কারণে বিশ্বজুড়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ হয়ে গেছে বিমান চলাচল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে।বেশ কিছু সংখ্যক অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশী এবং অস্ট্রেলিয়ার পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট বাংলাদেশে গিয়ে আটক পড়েছেন।অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন ঢাকা এবং অন্যানো কিছু সংগঠনের এর তৎপরতায় অবশেষে আটক পড়া বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ানদের একটি গ্রূপ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের বিশেষ ব্যাবস্থায় মেলবোর্ন এসে পৌঁছেছেন। সেখানে তারা সরকারের তত্বাবধানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে এখন যে যার গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। এস বি এস বাংলার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন মনজু জামান যিনি ওই দলের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া এসেছেন। মনজু জামানের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
কোবিড - ১৯ এর লকডাউন ও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। চলছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম। এদিকে এইচ এস সি পরীক্ষা আসন্ন। কিভাবে বা কোন পদ্ধতিতে হবে এই পরীক্ষা এনিয়ে দোলাচল রয়েছে। শিক্ষাথীরা যেমন জানেন না তেমনি শিক্ষকরাও স্পষ্ট করে কিছু বলছে না। এই অনিশ্চিয়তায় কি ভাবছে শিক্ষাথীরা এ নিয়ে এস বি এস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছে এইচ এস সি পরীক্ষাথী নাবিলা আফ্রিদি স্রোতস্বীনী। সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।
সম্প্রতি সরকার কোভিড-সেফ ট্রেসিং অ্যাপ চালু করেছে। প্রাথমিকভাবে অস্ট্রেলিয়ানরা ভাল সাড়া দিয়েছে। গত রবিবার এটি চালু করার পর ডাক্তার, নার্স, বিজনেস এবং ব্যাংকিং গ্রুপগুলো এই ভলান্টিয়ার অ্যাপটির সমর্থন করেছে।প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে সরকার চাইল্ড কেয়ার সেন্টারগুলোকে এসেন্সিয়াল সার্ভিসের আওতায় রেখেছে। যে সব অভিভাবকরা কাজে যান তাদের সন্তানদের দেখভালের জন্য সরকার এই ব্যাবস্থা রেখেছেন। কিন্তু সেখানে শিশুরা কি নিরাপদ। এ প্রসঙ্গে এস বি এস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন সায়রা মির্জা ,আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেটর ,ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির আর্লি লার্নিং সেন্টার ,হক্সবেরি। সায়রা মির্জার সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
অস্ট্রেলিয়ায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার ক্রমাগতভাবে কমে আসছে। তাই, কয়েকটি রাজ্য লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলো ধীরে ধীরে তুলে নিচ্ছে। কুইন্সল্যান্ড এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া করোনাভাইরাস নিষেধাজ্ঞাগুলো সতর্কতার সঙ্গে শিথিল করছে। তবে, ফেডারাল সরকার সতর্ক করে বলছে যে, এই লড়াই এখনও শেষ হয় নি।উপরের প্রতিবেদনটি শুনতে অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ এর এই মহামারীর সময় ডাক্তাররা তাদের জীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রেখে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। কোভিড-১৯ এর যুদ্ধে তারা প্রথম কাতারের যোদ্ধা।এই প্রবাসে উল্লেখযোগ সংখ্যক বাংলাভাষী ডাক্তার রয়েছেন। তারাও এই যুদ্ধে সামিল। ডাক্তাররা কতটুকু নিরাপত্তার সাথে কাজ করতে পারছেন ।তাদের প্রয়োজনীয় পিপিই, গ্লাভস , মাক্স ফেইস শিল্ড পাচ্ছেন কিনা। তারা কোনো আতঙ্কে আছেন কিনা এ সব কিছু নিয়ে এস বি এস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন ডাক্তার শায়লা ইসলাম ।তিনি সিনিয়র স্টাফ স্পেশালিস্ট ইমার্জেন্সি ফিজিশিয়ান ব্লাকটাউন - ওয়েস্টমিড হাসপাতাল এবং প্রবাসী ডাক্তারদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলস এর প্রেসিডেন্ট।
ডাক্তার শায়লা ইসলামের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
অস্ট্রেলিয়ায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার ক্রমাগতভাবে কমে আসছে। তাই, কয়েকটি রাজ্য লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলো ধীরে ধীরে তুলে নিচ্ছে। কুইন্সল্যান্ড এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া করোনাভাইরাস নিষেধাজ্ঞাগুলো সতর্কতার সঙ্গে শিথিল করছে। তবে, ফেডারাল সরকার সতর্ক করে বলছে যে, এই লড়াই এখনও শেষ হয় নি।উপরের প্রতিবেদনটি শুনতে অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
From the publisher's feed

10 Listeners

9 Listeners

0 Listeners

1 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

3 Listeners

0 Listeners

1 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners