
Sign up to save your podcasts
Or


করোনা ভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবের কারণে সারা বিশ্ব আজ অবরুদ্ধ। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সীমিত হয়েছে।প্রাদুর্ভাব রুখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। সীমান্ত বন্ধ করেছেন অনেক দেশ। সীমিত হয়েছে বিমান চলাচল।অস্ট্রেলিয়াতে পড়তে আসা শিক্ষাথীরা পড়েছেন মহা বিপাকে। লকডাউন ও নিষেধাজ্ঞার কারণে বন্ধ হয়েছে অনেক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান। চাকুরী হারিয়েছেন অনেকে ।সরকারি সহায়তার কোনো আশ্বাস দেয়া হয়নি তাদের।যাদের মধ্যে উল্লোখযোগ সংখক রয়েছেন বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষাথীরা। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়াতে ভিসিট ভিসায় আসা বাংলাদেশিরা আটক পড়েছেন ফিরে যাতে পারছেন না নিজ দেশে। এ সব কিছু নিয়ে এস বি এস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন অস্ট্রেলিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশ সরকারের হাই কমিশনার মান্যবর সুফিউর রহমান। রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমানের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।
করোনা ভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবের সময় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন অনেকে। বিশেষ করে যারা চিকিৎসা সেবায় রয়েছেন। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে যারা স্বাস্থ্য কর্মী কিংবা ডাক্তার তাদের মধ্যে কিছুটা হলেও আতংক রয়েছে। তবে তারা সেই ভয় বা আতংককে পেছনে ফেলে নিরন্তন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সরাসরি রোগীর কাছাকাছি আসা এই কর্মীরা কতটুকু নিরাপদ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া থেকে। এস বি এস বাংলার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার রেজা আলী, সিনিয়র কনসালটেন্ট ,ডিরেক্টর ইমার্জেন্সি মেডিসিন , ব্লাকটাউন এবং মাউন্ট ড্রুয়েট হাসপাতাল সিডনি। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার রেজা আলীর সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়াররে লিংকটিতে ক্লিক করুন।
অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা করছে যে তারা গৃহহীনতার ঝুঁকিতে রয়েছে, মহামারীরফলে এখন অনেকে বেকার হলেও দেশে ফিরে যাতে পারছে না ।অস্থায়ী ভিসাধারীরা ফেডারাল সরকারের $ ১৩০ বিলিয়ন ডলারের জব সিকার প্যাকেজের জন্য যোগ্য নন, বা তারা ভাড়া সহায়তা প্রকল্পের আওতাভুক্ত নয়। প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চলাফেরা নজরদারি করার জন্য একটি ফোন অ্যাপ বানানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এর পেছনে রয়েছে। ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার বলেন, ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই অ্যাপটি একটি “কার্যকরী অস্ত্র” হতে পারে। তবে, প্রাইভেসি অ্যাডভোকেটরা এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা মনে করছেন এর মাধ্যমে সরকারি নজরদারি আরও বৃদ্ধি পাবে।
কোভিড-১৯ কন্টাক্ট-ট্রেসিং অ্যাপ নিয়ে প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চলাফেরা নজরদারি করার জন্য একটি ফোন অ্যাপ বানানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এর পেছনে রয়েছে। ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার বলেন, ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই অ্যাপটি একটি “কার্যকরী অস্ত্র” হতে পারে। তবে, প্রাইভেসি অ্যাডভোকেটরা এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা মনে করছেন এর মাধ্যমে সরকারি নজরদারি আরও বৃদ্ধি পাবে।
কোভিড-১৯ কন্টাক্ট-ট্রেসিং অ্যাপ নিয়ে প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা করছে যে তারা গৃহহীনতার ঝুঁকিতে রয়েছে, মহামারীরফলে এখন অনেকে বেকার হলেও দেশে ফিরে যাতে পারছে না ।অস্থায়ী ভিসাধারীরা ফেডারাল সরকারের $ ১৩০ বিলিয়ন ডলারের জব সিকার প্যাকেজের জন্য যোগ্য নন, বা তারা ভাড়া সহায়তা প্রকল্পের আওতাভুক্ত নয়। প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারের লিংকটিতে ক্লিক করুন।
করোনা ভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবের সময় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন অনেকে। বিশেষ করে যারা চিকিৎসা সেবায় রয়েছেন। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে যারা স্বাস্থ্য কর্মী কিংবা ডাক্তার তাদের মধ্যে কিছুটা হলেও আতংক রয়েছে। তবে তারা সেই ভয় বা আতংককে পেছনে ফেলে নিরন্তন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সরাসরি রোগীর কাছাকাছি আসা এই কর্মীরা কতটুকু নিরাপদ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া থেকে। এস বি এস বাংলার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার রেজা আলী, সিনিয়র কনসালটেন্ট ,ডিরেক্টর ইমার্জেন্সি মেডিসিন , ব্লাকটাউন এবং মাউন্ট ড্রুয়েট হাসপাতাল সিডনি। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তার রেজা আলীর সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়াররে লিংকটিতে ক্লিক করুন।
করোনা ভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবের কারণে সারা বিশ্ব আজ অবরুদ্ধ। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সীমিত হয়েছে।প্রাদুর্ভাব রুখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। সীমান্ত বন্ধ করেছেন অনেক দেশ। সীমিত হয়েছে বিমান চলাচল।অস্ট্রেলিয়াতে পড়তে আসা শিক্ষাথীরা পড়েছেন মহা বিপাকে। লকডাউন ও নিষেধাজ্ঞার কারণে বন্ধ হয়েছে অনেক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান। চাকুরী হারিয়েছেন অনেকে ।সরকারি সহায়তার কোনো আশ্বাস দেয়া হয়নি তাদের।যাদের মধ্যে উল্লোখযোগ সংখক রয়েছেন বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষাথীরা। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়াতে ভিসিট ভিসায় আসা বাংলাদেশিরা আটক পড়েছেন ফিরে যাতে পারছেন না নিজ দেশে। এ সব কিছু নিয়ে এস বি এস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন অস্ট্রেলিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশ সরকারের হাই কমিশনার মান্যবর সুফিউর রহমান। রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমানের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।
করোনা ভাইরাস সংকটে বাংলাদেশে লকডাউন এর ফলে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।কোভিড-১৯ এর কারণে বাংলাদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ান ও পার্মানেন্ট রেসিডেন্টদের ফিরিয়ে আনতে প্রাথমিক উদ্যোগ নিয়েছিল ক্যাম্পবেলটোন মাল্টিকালচারাল সোসাইটি। বাংলাদেশি কমিউনিটি এ্যাডভোকেট বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, মাল্টিকালচারাল সোসাইটি অব ক্যাম্বেলটাউন ইনকের সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি অস্ট্রেলিয়ার সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে এ নিয়ে যোগাযোগ করেন । অবশেষে আগামী ১৬ এপ্রিল শ্রীলংকান এয়ারলাইন্স এর একটি ফ্লাইটে কিছু আটকে পড়া বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ান ও পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট মেলবোর্ন আসছেন। এস বি এস বাংলার কাছে এ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম । মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব রুখতে দেশব্যাপী লোকডাউন সহ বিভিন্ন কার্যক্রম ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। অনেক বয়স্ক মানুষেরা বের হতে পারছেনা বাড়ি থেকে। এতে করে জীবন যাত্রা অনেকটা থমকে গেছে । বাংলাদেশের প্রথম লাইফস্টাইল অ্যাপ “কথা” নিয়ে এলো "কে-বাজার" .সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে “কথা” টিম পৌঁছে দিচ্ছে ঘরের বাজার সদাই নিরাপদে ঘরের দরজায়।এস বি এস বাংলাকে আরো বিস্তারিত জানালেন মাহবুব জামান যিনি এই অ্যাপ টি তৈরির জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন
From the publisher's feed

10 Listeners

9 Listeners

0 Listeners

1 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

3 Listeners

0 Listeners

1 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners

0 Listeners