
Sign up to save your podcasts
Or


যখনই গুরুদক্ষিণার প্রসঙ্গ আসে, তখনই একলব্যের নাম উঠে আসে বারে বারে। নিজের পরিশ্রম লব্ধ সমস্ত বিদ্যা নির্দ্বিধায় অর্পণ করেছিলেন গুরু দ্রোণের পায়ে। দ্রোণ কি তাঁর প্রিয় শিষ্য অর্জুনের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে অবিচার করেছিলেন একলব্যের সঙ্গে? নাকি এর নেপথ্যে আছে অন্য কূটনৈতিক দর্শন? এই ঘটনার পরে কী হয়েছিল একলব্যের? এর সব কিছুর উত্তর খুঁজব আমরা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলা তথা সমগ্র ভারতের আবেগ ও গর্ব। তিনি তাঁর জীবনকালে যে বিপুল সাহিত্যসৃষ্টি করেছেন, খুব কম সাহিত্যিকই সম্ভবত তাঁদের জীবনকালে তা করতে পেরেছেন। রবীন্দ্রনাথের বহুবিধ রচনার মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম আলোচ্য বোধহয় তাঁর ভ্রমণ বিষয়ক গদ্যগুলি। আজ আমরা তাঁর এরকমই একটি লেখা পাঠ করতে চলেছি। রবীন্দ্রনাথ ১৯১২ সালে বিদেশযাত্রার প্রারম্ভে ও পরে ইংল্যান্ড ও আমেরিকায় ভ্রমণকালে যাত্রাপথের অভিজ্ঞতাকে লিপিবদ্ধ করেছিলেন। যখন যে শহরে নেমেছেন, লিখেছেন সেস্থানের কথা। কখনও লিখেছেন আরব সাগরের কথা আবার কখনও বা লোহিত সাগরের। যাত্রাপথে যখন মিলিত হয়েছেন কোনও সাহিত্যিকের সঙ্গে এসেছে সে সব ঘটনাও। এই সমস্ত ঘটনা পরে তাঁর ‘পথের সঞ্চয়’ নামক বইতে লিপিবদ্ধ হয়েছিল।
তিনি ফ্রান্সের খবর নিয়ে জার্মানিকে দিতেন আর জার্মানির খবর নিয়ে ফ্রান্সকে। ফ্রান্সকে খবর দিলেন জার্মান গুপ্তচরের দল সাবমেরিনে করে মরক্কো পৌঁছাবে খুব শীঘ্রই। আবার উল্টোদিকে জার্মানীকে খবর দিলেন খুব তাড়াতাড়ি ফেঞ্চ ও ব্রিটিশের যুক্ত বাহিনী জার্মানীর আক্রমণ করবে।
১৫ই অক্টোবর ১৯১৭। সকাল চারটেতে দুজন মহিলা পাদ্রী নিয়ে কারাকক্ষে ঢুকে এলো কিছু ফরাসী সেনা। কারাকক্ষে পরম নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিলেন একজন মহিলা। তিনি সবাইকে দেখে একটু বিরক্ত হয়েই প্রশ্ন করলেন, “এত সকালে কি মৃত্যুদন্ড কার্যকর না করলেই নয়? আমরা কি বিকালে তিনটের দিকে খেয়ে দেয়ে তারপরে যেতে পারি না?”
সেই সময় বিশেষ করে ব্রিটেন ও ফ্রান্স সারা পৃথিবীতে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল, সেই সুযোগ নিয়ে পৃথিবীর নানা জায়গা থেকে পরিক্রমণ দেখার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই অর্থে এটিকে প্রথম আন্তর্জাতিক স্তরে বৃহৎ বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের নিদর্শন বলা যায়। মোট 122টি জায়গা থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। তার মধ্যে আমাদের দেশও ছিল।
.
ভারতে কয়েক জায়গায় পরিক্রমণ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। কলকাতা থেকে নোটারি পাবলিক উইলিয়াম ম্যাগি এবং মাদ্রাজের গভর্নরের প্রাসাদের উপর থেকে জ্যোতির্বিদ পাদ্রি উইলিয়াম হির্স্ট পরিক্রমণ পর্যবেক্ষণ করেছলেন। উইলিয়াম হির্স্ট এবং রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবুর্গের বিখ্যাত বিজ্ঞানী মিখাইল লোমোনোসভ (1711-1765) তাঁদের পর্যবেক্ষণ থেকে প্রথম শুক্রের বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্বের কথা বলেন; আধুনিক কালের বিজ্ঞানীরা অবশ্য তাঁদের দূরবিন তা দেখার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত নন। সে সময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য চট্টগ্রামের উপকূল জরিপ করছিলেন বার্থেলমিউ প্লেইস্টেড (মৃত্যু 1767), তিনিও পর্যবেক্ষণের রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন। তামিলনাড়ুর তরঙ্গমওয়াদি থেকে কয়েকজন জেসুইট পাদ্রি পরিক্রমণ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
.
.
তারপর?
.
.
.
পর্বপাঠ ও দেবব্রতের চরিত্রে- শঙ্খ
মূল রচনা - গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়
স্ক্রিপ্ট - কৌশিক রায়
গানে- স্বর্ণালী ও শঙ্খ
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ
তিতলির চরিত্রে- বর্ণিশা ভট্টাচার্য
আচ্ছা বলুন তো সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কতটা? আপনি এক্ষুনি ভূগোল বা পদার্থবিদ্যার বই খুলে হয়তো উত্তর বলে দেবেন। কিন্তু এবার ভাবুন তো কীভাবে মাপলেন এই দূরত্ব বিজ্ঞানীরা? কয়েক শতাব্দী ধরে বহু দুর্ঘটনা ও জীবনহানির মাধ্যমে একদল উন্মাদ এই দূরত্ব মেপেছিল। এই উন্মাদের আমরা চিনি ‘বিজ্ঞানী’ নামে। বিজ্ঞান সাধনার পিছনে কতটা কষ্ট স্বীকার করতে হয়? কতটা উন্মাদ হতে হয়? আজ শোনাব সে গল্প।
দেঁলাদ হুগলীর উপকূলে দ্বিতীয় বাণিজ্য বন্দরের খোঁজ করতে গিয়েই মোগল বাদশা ঔরংজেবের থেকে বার্ষিক চল্লিশ হাজার টাকার বিনিময়ে করমুক্ত ব্যবসার অধিকার পেলেন। গৌরহাটিতে কুঠি স্থাপন করে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করলে নবদ্বীপ ও শান্তিপুর থেকে তাঁতিদের আগমন ঘটে। তাঁরা যেমন তাঁতি ছিল তেমনই ছিলেন বৈষ্ণব। ফলে চন্দননগরে বৈষ্ণবদের আধিক্য বাড়ল। সেই সময় চন্দননগরে এমন বড় বড় গুদাম, সৌধ তৈরি হল যে চন্দননগরকে প্রাচ্যের ভার্সাই বলা শুরু হয়েছিল।
.
আজ শুনতে থাকুক বাংলার ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগরকে নিয়ে আমাদের এই পর্ব।
.
পর্বপাঠ- শঙ্খ
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ
কভার- ইনভিজিবলম্যান
বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার- শুভজিৎ ভড়
Follow us
জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের যে বিকেলে কলকাতার তিন শিল্পী বাঘগুহায় গিয়ে পৌঁছলেন সেই রাত্রে তীবুতে শোওয়ার তোড়জোড় করার সময়ে তাঁবুর দড়িতে হঠাৎ লাগল এক হ্যাঁচকা টান। তাঁর কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই লোকজনের হল্লা, কুকুরের ঘেউ-ঘেউ, আর অদূরে ভীলদের গ্রামে ক্যানেস্তারা পেটানোর শব্দে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়ে গেল। তাবুর বাইরে এসে শিল্পীত্রয় দেখলেন তাঁদের সঙ্গে কলকাতা থেকে আসা ওড়িয়া চাকর ইন্দ্র ভয়ে কীটা হয়ে আছে। সে মেসোপটেমিয়ায় যুদ্ধ করে এসেছে ইণ্ডিয়ান আর্মির সেপাই হয়ে। কিন্তু চোখের সামনে দিয়ে একটি কেঁদো বাঘকে সদর্পে চলে যেতে দেখে তার সব সাহস উবে গিয়েছে। শিল্পী অসিতকুমার হালদারও ভয় কিছু কম পাননি। সে-রাত্রে তো বটেই, যতদিন তাঁরা বাঘগুহায় ছিলেন, এক রাতেও তিনি মাঝের বিছানায় ছাড়া ঘুমোননি। দুই পাশের দুটি বিছানায় শুতেন নন্দলাল বসু এবং সুরেন্দ্রনাথ কর। অবশ্য কয়েকদিন পর থেকেই রাতে বাঘের ডাক বা আসা-যাওয়ার শব্দ শোনার কিংবা সকালে তাবুর ধারে-কাছে বাঘের পায়ের ছাপ দেখার ব্যাপারটা তাদের সয়ে গিয়েছিল।সে কাহিনি কোনও রোমাঞ্চ কাহিনির থেকে কম কিছু নয়। আগামীকাল আসছে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি কর্তৃক সম্মানীত লেখক প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত রচিত ‘প্রত্নতথ্য’ বই থেকে নেওয়া ‘বাঘগুহায় শিল্পীত্রয়’ গল্পটির অডিও রূপান্তর।
.
.
পর্বপাঠ- শঙ্খ
মূল রচনা- প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ
কভার- ইনভিজিবলম্যান
ফরাসিরা যেখানে যায় সেখানেই সাজিয়ে গুছিয়ে নেন। তালডাঙার একটি বড় বাগান ১৭৮০ সালে লিজ নেন লুইস বওনান্দ নামে ফরাসি নামে এক ব্যবসায়ী। তিনিই বাংলায় প্রথম নীল চাষ শুরু করেন। আজ আমরা গল্প করব বাংলার ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগরকে নিয়ে। আমাদের চ্যানেলটিকে ফলো করে সঙ্গে থাকুন। আর শুনতে থাকুন আমাদের এই পর্ব
.
ফরাসিরা আসার আগে ঐ অঞ্চলে প্রথম ছিল বোড়কিষাণপুর ও চক্নসিরাবাদ। পরে যোগ হয় গোন্দলপাড়া ও খলিসানি। উত্তরে বোড়কিষাণপুর , দক্ষিণে গোন্দলপাড়া ও পশ্চিমে খলিসানি- এই তিনটে গ্রামের কথাই জানা যায় ফরাসিদের আসার আগে। তখন ঐ অঞ্চলের দুটো নদী প্রবাহিত হওয়ায় আবহাওয়া মনোরম ছিল। একটা হুগলী অন্যটা সরস্বতী। ইউরোপের ঔপনিবেশিক দেশগুলোর কাছে ভারতবর্ষ তখন সোনার ডিম পাড়া হাঁস। ফরাসীরাও ভেসে পড়ে একদিন বাংলায় এসে পৌঁছাল। এখানে বসবাস করার জন্য জায়গা তো প্রয়োজন। ১৬৭৩ সালে সেই সময়ের বাংলার নবাব ইব্রাহিম খানের থেকে ফ্রেঞ্চ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি হুগলীর ডান তটে একটি বন্দর তৈরির অনুমতি পায়। তারা বাণিজ্য শুরু করে। যত বাণিজ্য বাড়তে থাকে তত এদেশে তাদের একটি স্থায়ী বাসস্থানের প্রয়োজন দেখা দেয়। ১৬৮৮ সালে মোঘল বাদশার অনুমতিক্রমে তারা একটি ফরাসি কলোনি স্থাপনের অধিকার পায়।অবশ্য এর আগেই ১৬৭৩ সাল নাগাদ এই অঞ্চলে ফরাসি সাহেব দ্যুপ্লেসি এসে ৪০১ টাকায় বোড়কিষাণগঞ্জে ১৩ আরপাঁ জমি কিনে একটি বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে ফেলেছেন।
.
তারপর...
.
.
পর্বপাঠ- শঙ্খ
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ
কভার- ইনভিজিবলম্যান
বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার- শুভজিৎ ভড়
Follow us
বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্ট এবং চার্চ দ্বারা স্বীকৃত চারটি গসপেলের প্রায় দেড় হাজার বছরের অ্যাগ্রেসিভ মার্কেটিং-এর কারণে এই গল্পের অনেকটাই পৃথিবীর মানুষের জানা হয়ে গিয়েছে, বিশ্বজিৎ। তবে কি জানো, এই গল্পে কিছু জায়গায় সিনেমার ‘এডিটিং’এর মতন করে কাঁচি চালানো হয়েছে। আমরা এবার সেই এডিটিং’এ বাদ যাওয়া অংশের কিছুটা জানার চেষ্টা করব। জানার চেষ্টা করব কী নেই সেখানে।
.
ছায়ামানব গুহার ভেতরে প্রবেশ করল। মেরী তাকে ভাল করে দুচোখ ভরে দেখলেন। মৃত্যুর দুদিন পর আবার ফিরে এসেছে তার আরাধ্য পুরুষ, যীশু। কিন্তু এমনটা কী ঈশ্বর ব্যতিত কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব! দুচোখে অবিশ্বাস নিয়ে সদ্য মানুষ থেকে ঈশ্বরে রুপান্তরিত হওয়া তাঁর আরাধ্য পুরুষের দিকে চেয়ে রইলেন মেরী ম্যাগডালেন। ঈশ্বর গুহার ভেতরে এসে তাঁর সামনে দাঁড়ালেন। বেশ কিছু সময় ধরে কথা হল তাঁদের…
.
মেরি সেদিন সেই পাহাড়ের গুহায় না গেলে খ্রিস্টান ধর্মের জন্মই হত না?”
দুই হাজার বছর ধরে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা আর খ্রিস্টান চার্চগুলো নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য মেরিকে সরিয়ে দিলেন। ভেবে দেখো, দুইহাজার বছর পূর্বে বিশেষত ইউরোপে নারীর কী সামাজিক পরিস্থিতি ছিল। সেখানে হঠাৎ করে একটি সংগঠনের নেতৃত্ব যদি একজন নারী দিতে শুরু করেন, তাহলে এত বছরের তৈরি এই নিয়মনীতি বিধিনিষেধ সব যে ভেঙে পড়ত। সমাজের প্রতিটা ক্ষেত্রে, নারীর সমান অধিকার স্থাপিত হত। প্রভু হয়তো সেটাই চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর বাকি শিষ্যরা তা মেনে নেননি। যে সমান অধিকার সমাজের প্রতিটা জাতির মানুষ, লিঙ্গের মানুষ, বর্ণের মানুষের জন্য কামনা করে প্রভু আত্মাহুতি দিলেন, সেই মহৎ উদ্দেশ্যটা ধামাচাপা পড়ে তৈরি হয়ে গেল এক নতুন ধর্মমত। মেরি ম্যাগডালেন হয়তো নিজের দিক থেকে প্রভুর শেষ আদেশ পালন করেই সেদিন গুহায় এসেছিলেন এবং প্রভুর পুনর্জন্ম প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
.
নর্থ ক্যারোলিনা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর বারট ব্রুম্যান’ দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করেছেন যীশুর অজানা জীবন নিয়ে। তিনি বলছেন, “নিউ টেস্টামেন্ট এবং সবকটা গসপেল অনুযায়ী মৃত্যুর পর ‘রেজারেক্টেড’ যীশুকে প্রথমবার দেখেছিলেন মেরী ম্যাগডালেন। তিনি মাউন্ট জিয়ন’এর গুহায় সেদিন যীশুর সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। তারপর ফিরে এসে বাকিদের এই ঘটনা জানান। বাস্তবে মৃত মানুষের পুনরায় বেঁচে ওঠা সম্ভব নয়। সেই ভাবে ভাবতে গেলে যীশুও পুনরায় বেঁচে ওঠেননি। আসলে তাঁর সঙ্গে মেরী ম্যাগডালেনের সম্পর্ক এতটাই গভীর ছিল যে নিজের চোখের সামনে ঘটা যীশুর মৃত্যুকে মন থেকে মেনে নিতে পারেননি মেরী। দুদিন পর যখন মেরী সেই গুহায় গিয়েছিলেন তখন তিনি নিজের কল্পনায় যীশুকে দেখতে পেয়েছিলেন, যাকে বলে ‘হ্যালুসিনেশন’। মেরী ম্যাগডালেন যে জীবনের কোনও এক সময় ‘হিস্টিরিক’ অথবা ‘এপিলেপ্টিক’ ছিলেন সেই প্রমাণ আমরা আগেই পেয়েছি। তাই নিজের প্রাণের চেয়েও প্রিয় মানুষ যীশুকে ‘হ্যালুসিনেট’ করা তাঁর পক্ষে অসম্ভব নয়। তারপর মাউন্ট জিয়ন থেকে ফিরে এসে মেরী তাঁর সেই অভিজ্ঞতার কথা সকলকে জানান। আর এই ঘটনাই (যীশুর রেজারেকশন) জন্ম দিয়েছিল খ্রিস্টানিটির। সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। অর্থাৎ মেরী ম্যাগডালেন ছাড়া খ্রিস্টানিটির জন্মই হত না। সেই হিসেবে খ্রিস্টানিটির জন্মের নিরিখে যীশুর চেয়েও মেরী ম্যাগডালেনের গুরুত্ব বেশি।”
মূল রচনা - বিশ্বজিৎ সাহা
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়
বিভিন্ন চরিত্র ও পর্বপাঠ- শঙ্খ বিশ্বাস
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস
কভার - রৌণক
From the publisher's feed