
Sign up to save your podcasts
Or


তিব্বতের দুর্গম পাহাড় ঘেরা অঞ্চল ও প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার জন্য অনেকদিন ধরে শত্রুর আক্রমণ সেখানে কমই ছিল। যদিও এই অঞ্চল নিয়ে মোঙ্গল ও চীনের রাজবংশের মধ্যে অনেকদিন ধরে দড়ি টানাটানি চলেছিল। রাজনৈতিক টানাপোড়েনেই ১৭৯২ সাল থেকে সমস্ত বিদেশী বিশেষত পশ্চিমীদের তিব্বতে প্রবেশ সরকারিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। উনিশ শতকে ভারতে ইংরেজরা সাম্রাজ্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গেই তারা আরও উত্তরে সাম্রাজ্যে প্রসারিত করতে চাইলেও তা সম্ভব হচ্ছিল না। ইউরোপীয়রা আমেরিকা আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গেই প্রায় গোটা বিশ্বের মানচিত্র পরের একশো বছরে সম্পূর্ণ করে ফেলেছিল। কিন্তু বাকি থেকে গিয়েছিল তিব্বত। তিব্বতে যেহেতু ইউরোপীয়দের প্রবেশাধিকার ছিল না, তাই এই ম্যাপও কোনোভাবে সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। একটা সময় তিব্বতের রাজধানী লাসাকে তাই নিষিদ্ধ নগরীও বলা হত। ঘটনা চক্রে এগিয়ে এলেন এক বাঙালি গুপ্তচর। পৃথিবীর এই অজানা অংশের মানচিত্র সম্পূর্ণ করলেন তিনি। অদ্ভুত এই অবিশ্বাস্য অভিযান যে করেছিলেন এক বাঙালি তা না শুনলে বিশ্বাসই করা কঠিন। কীভাবে অসাধ্য সাধন করেছিলেন তিনি? আমাদের দুই পর্বের এই অনুষ্ঠানে থাকছে সেই সমস্ত অজানা গল্প।
পর্বপাঠ- শঙ্খ
প্রথম পর্ব - https://spotifyanchor-web.app.link/e/5w5JxwJBrDb
দ্বিতীয় পর্ব - https://spotifyanchor-web.app.link/e/DoGElvJBrDb
কলকাতায় এসেছেন অথচ কালীঘাটের মা কালীর দর্শন করবেন না তাই কখনও হয় ? অনেকে তো এমনটাও বলে থাকেন কলকাতার নাম এসেছে কালীঘাটের কালী থেকেই। অথচ ঠিক কীভাবে এবং কে কালীঘাট মন্দির স্থাপন করেছিলেন সেসব নিয়ে ইতিহাস অদ্ভুতভাবে নিরুত্তর। কে দিয়েছিলেন এই মন্দিরের বিশাল জমি? এসব নিয়েই থাকছে আমাদের তিন পর্বের অনুষ্ঠান।কালীঘাটের ইতিহাস বিষয়ক একটি শতাব্দী প্রাচীন রচনা পুনরুদ্ধার করেছি আমরা। আজ থাকল তৃতীয় পর্ব
প্রথম পর্ব - https://spotifyanchor-web.app.link/e/5w5JxwJBrDb
বাংলায় বিভিন্ন পুজার মধ্যে কিন্তু মাতৃপুজোর প্রচলন বেশি। আরও ভালো করে বললে বলতে হয়, বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে একটা সিংহভাগ মানুষ কিন্তু মা কালীর ভক্ত। কালীঘাটের মা কালী বা দক্ষিণেশ্বরের মা কালী, নাম শুনলেই কিন্তু আমরা শ্রদ্ধায় মাথা নত করি। অনেকে তো এমনটাও বলে থাকেন কলকাতার নাম এসেছে কালীঘাটের কালী থেকেই। অথচ ঠিক কীভাবে এবং কে কালীঘাট মন্দির স্থাপন করেছিলেন সেসব নিয়ে ইতিহাস অদ্ভুতভাবে নিরুত্তর। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সতীপীঠ ঠিক কতটা পুরানো? এসব নিয়েই থাকছে আমাদের তিন পর্বের অনুষ্ঠান।কালীঘাটের ইতিহাস বিষয়ক একটি শতাব্দী প্রাচীন রচনা পুনরুদ্ধার করেছি আমরা। আজ থাকল দ্বিতীয় পর্ব
বাংলায় বিভিন্ন পুজার মধ্যে কিন্তু মাতৃপুজোর প্রচলন বেশি। আরও ভালো করে বললে বলতে হয়, বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে একটা সিংহভাগ মানুষ কিন্তু মা কালীর ভক্ত। কালীঘাটের মা কালী বা দক্ষিণেশ্বরের মা কালী, নাম শুনলেই কিন্তু আমরা শ্রদ্ধায় মাথা নত করি। অনেকে তো এমনটাও বলে থাকেন কলকাতার নাম এসেছে কালীঘাটের কালী থেকেই। অথচ এখান থেকে হাজার খানেক বছর পিছিয়ে গেলে দেখা যাবে সেখানে কিন্তু বাংলায় শক্তিপুজোর চিহ্ন মাত্র নেই। কীভাবে শুরু হয়েছিল বাংলার শক্তিপুজো? কালীঘাটের মন্দিরের সূচনাই বা হল কীভাবে। এসব নিয়েই থাকছে আমাদের দুই পর্বের অনুষ্ঠান। শতাব্দী প্রাচীন একটি কালীঘাট ও বাংলার শক্তিপুজো বিষয়ক রচনা আজ পড়ছি আমরা। আজ প্রথম পর্ব।
আচ্ছা, বলুন তো কলকাতার প্রথম পাকা রাস্তা কোনটা? জানেন না বুঝি? তাহলে খিদিরপুর কার নাম থেকে এসেছে তা তো নিশ্চয়ই জানবেন? বা বোটানিক্যাল গার্ডেন কে বানিয়েছিলেন? লর্ড সিনহা রোডের লর্ড সিনহা আসলে কে ছিলেন? কী বললেন? এসব কিছুই জানেন না? তাহলে আজকে চলুন কলকাতা ঘুরে আসা যাক। উঁহু উঁহু ভিক্টোরিয়া চিড়িয়াখানা নয়, বরং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তাঘাট আর অঞ্চল। এমন সব জায়গা যেখানে আমরা প্রায়শই যাতা করি কিন্তু জানি না সে জায়গার অতীত। বলটু আর পিকাইকে নিয়ে শঙ্খদা আজ চলল কলকাতা ওয়াকে। আপনারাও সঙ্গী হতে চান বুঝি? টিকিট কাটতে তাড়াতাড়ি আমাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব বটনটি ক্লিক করুন আর শুনতে থাকুন আজকের পর্ব। আজ থাকল দ্বিতীয় পর্ব ।
আচ্ছা, বলুন তো কলকাতার প্রথম পাকা রাস্তা কোনটা? জানেন না বুঝি? তাহলে খিদিরপুর কার নাম থেকে এসেছে তা তো নিশ্চয়ই জানবেন? বা বোটানিক্যাল গার্ডেন কে বানিয়েছিলেন? লর্ড সিনহা রোডের লর্ড সিনহা আসলে কে ছিলেন? কী বললেন? এসব কিছুই জানেন না? তাহলে আজকে চলুন কলকাতা ঘুরে আসা যাক। উঁহু উঁহু ভিক্টোরিয়া চিড়িয়াখানা নয়, বরং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তাঘাট আর অঞ্চল। এমন সব জায়গা যেখানে আমরা প্রায়শই যাতা করি কিন্তু জানি না সে জায়গার অতীত। বলটু আর পিকাইকে নিয়ে শঙ্খদা আজ চলল কলকাতা ওয়াকে। আপনারাও সঙ্গী হতে চান বুঝি? টিকিট কাটতে তাড়াতাড়ি আমাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব বটনটি ক্লিক করুন আর শুনতে থাকুন আজকের পর্ব।
প্রথম পর্ব
সোনাগাছি, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় এবং ভারতের অন্যতম বড় রেড লাইট এরিয়ার মধ্যে গণ্য হয়ে উঠছে। অথচ এই সোনাগাছি আজকের নয়। ১০০ বছর আগে সোনাগাছি কেমন ছিল?
সোনাগাছি, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় এবং ভারতের অন্যতম বড় রেড লাইট এরিয়ার মধ্যে গণ্য হয়ে উঠছে। অথচ এই সোনাগাছি আজকের নয়। ১০০ বছর আগে সোনাগাছি কেমন ছিল?
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবী জুড়ে মহামারী ছড়িয়ে পড়ছে। নতুন নতুন ভাইরাস, নতুন নতুন রোগ। আর এই সব কিছুর মধ্যে সব থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিশুরা। তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, যেকোনো ভাইরাসের আক্রমণে তাদের জীবনহানি যে স্বাভাবিক জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছিল। যাদের এই সমস্ত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ হত, একমাত্র তাদের জন্য সুস্থ হওয়ার কামনা করা ছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের আর কিছুই করার ছিল না। সেই সময় একজন বিজ্ঞানী ভ্যাকসিন বানানোর প্রচেষ্টায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। তিনি নিজে প্রায় কুড়িটি বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টায় জীবন কাটিয়েছেন। সফল হননি প্রত্যেকবার, তবে তারপরেও তাঁর মতো চূড়ান্ত সাফল্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে হাতে গোনা কয়েকজনই লাভ করেছেন। কম করে হলেও নয়টি মারণ রোগের ভ্যাকসিন তাঁর হাতেই তৈরি।
প্রথম পর্ব শুনতে ক্লিক করুন
রাঙামামা বলে উঠলেন, “আর ঠিক এখানেই ভগবান কৃষ্ণকে একটু আলাদা রেখে, কৃষ্ণ চরিত্রটিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় তিনি ঠিক কতটা ধুরন্ধর রাজনীতিবিদ ছিলেন। কৃষ্ণ বুঝলেন কৌরবরা ধীরে ধীরে হস্তিনাপুরের দখল নিচ্ছে, তাই তিনি পাণ্ডবদের পক্ষ নিলেন। অথচ যখনই কোনও না কোনও পাণ্ডবের উত্তরসূরীর উৎপত্তি হয়েছে, কৃষ্ণ খুব সুচারুভাবে তাঁকে যুদ্ধের মাঠে নামিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন। ঘটোৎকচ থেকে বাকি পাণ্ডবদের সমস্তপুত্রদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা তিনি সুনিশ্চিত করলেন। ভালো করে খেয়াল করলে দেখবে, অভিমন্যু ছিলেন সুভদ্রার পুত্র। যাদব বংশীয়। অথচ কৃষ্ণ তাঁকেও সরিয়ে দিলেন। তিনি অভিমন্যুর পুত্র পরীক্ষিৎ-কে যুদ্ধশেষে অবশেষ রাখলেন। যাতে পুরো আর্যার্তের নতুন অধিপতির শরীরে থাকে যাদবদের রক্ত। ঠিক সেই কারণেই তিনি যাদবদের কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে দেননি। কিন্তু প্রতিপক্ষহীন আর্যাবর্তে যাদবরা নিজেরাই মারামারি করে শেষ হয়ে যায়।”
From the publisher's feed