
Sign up to save your podcasts
Or


মেরী পরামর্শ দিলেন যীশু যদি নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে দক্ষিণের সবকটা ছোট ছোট রেবেল গ্রুপকে প্রভাবিত করে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে পারেন তবে এই আন্দোলন সত্যিই এক অন্য মাত্রা পাবে। রোমান সাম্রাজ্যের ভীত নড়ে যাবে সেই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জেরে। এক স্বাধীন ইজরায়েলের জন্ম হবে যেখানে যীশুর মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। যীশু ইতিমধ্যেই মেরী ম্যাগডালেন’এর দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। মেরীর এই পরামর্শ তাকে আরও গভীরভাবে প্রভাবিত করল। মেরী ম্যাগডালেন’এর পরামর্শ দান এবং যীশুর এই সিদ্ধান্ত অবশ্য সবাইকে প্রসন্ন করতে পারলো না। এই সময় থেকেই শুরু হল যীশুর দলের মধ্যে এক অন্তর্দ্বন্দ্ব যা পরবর্তীকেলে মেরী ম্যাগডালেন’কে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার কাজে বড়ো ভূমিকা নিল।
.
যীশু তাঁর বারো জন অনুগামীকে সমগ্র ইজরায়েলের বারোটি পৃথক ট্রাইবকে সুরক্ষিত করার দায়িত্ব দিলেন। সেই বারোটি জনজাতির মধ্যে দক্ষিণ ইজরায়েল এবং বর্তমান প্যালেস্টাইনের কিছু অংশের মানুষও রয়েছে। তবে এর উল্লেখ ‘গসপেল অফ জন’এ অধ্যায় ৬’এর ভার্স ৭১’এ রয়েছে। দক্ষিণ ইজরায়েল এবং বর্তমান প্যালেস্টাইন’এর সেই ভূখণ্ডকে “কেরিওথ” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। গসপেল অফ জন-এর তথ্য অনুযায়ী যীশু সেখানে গিয়েছিলেন এবং তাঁর বারো জন অনুগামীর মধ্যে একজন ছিলেন সেই ভূখণ্ডেরই বাসিন্দা। সেই অনুগামীর নাম হল ‘জুডাস’। আর এই কেরিওথ ভূখণ্ডের জনজাতিকে সুরক্ষিত করার দায়িত্ব আসে জুডাস’এর ওপরই।
.
তাহলে এরপর কী এমন ঘটলো যার ফলে যীশুর সবচেয়ে কাছের দু’জন মানুষের মধ্যে একজন হয়ে গেল ইতিহাসের “গ্রেটেস্ট ট্রেইটর” আর অন্যজন হারিয়ে গেলেন বিস্মৃতির অন্ধকারে?
মূল রচনা - বিশ্বজিৎ সাহা
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়
বিভিন্ন চরিত্র ও পর্বপাঠ- শঙ্খ বিশ্বাস
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস
কভার - রৌণক
গ্যারি আকণ্ঠ মদপান করে তাঁর চেয়ারটায় লম্বা হয়ে বসে পড়ে। বেশ হতাশার সুরেই বলে ওঠে, “বিশ্বজিৎ, আমি নিজের জীবনটা একটা মরীচিকার পিছনে দৌড়ে নষ্ট করেছি। তুমিও একই ভুল করো না। মানুষ সত্যি জানতে চায় না। তাঁর প্রয়োজন ধর্মের আফিম। যাতে নেশায় বুঁদ হয়ে রাষ্ট্র চালানো যায়, যুদ্ধ চালানো যায়। কিন্তু নিজের ভিতরটাকে দেখা যায় না। আর এমনিতেও ধর্মগুরুরা সত্য সন্ধানের চেষ্টা প্রভুর মৃত্যুর পরে পরেই ত্যাগ করেছে। প্রভুর প্রথম ১২জন শিষ্যই যেখানে নিজেদের লাভের কড়ি গুনতে ব্যস্ত ছিলেন,তখন আর বাকিদের দোষ কী?”
.
.
সব রহস্য সমাধানের আগে আমাদের ফিরে যেতে হবে খৃষ্ট জন্মের বেশ কিছু বছর আগে। ছোট বেলা থেকে যে সমস্ত দৃশ্য চোখের সামনে ঘটতে দেখে তৈরি হয়েছে যিশু ও মেরির বিপ্লবী সত্ত্বা, সেটা জানতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে প্রায় ২২০০ বছর আগের ইউরোপে। সময়টা অনুমানিক পঞ্চাশ খ্রিস্টপূর্বাব্দের আশেপাশে। ইউরোপের প্রায় সবটাই তখন রোমানদের দখলে। ইতিমধ্যেই তাদের পরোক্ষ শাসন ব্যবস্থা ইজরায়েলের কোনও কোনও অংশে প্রত্যক্ষ্য রূপ নিয়েছে। সেই রকমই একটি জায়গা হল ইজরায়েলের উত্তর দিকে অবস্থিত গ্যালিলি। জায়গাটি অনেকাংশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা।
গ্যালিলির বেশীরভাগ অংশই তখন রোমান সৈন্যদের সম্মিলিত পায়ের শব্দে গমগম করে। সাধারণ মানুষ রীতিমতন ভিত-সন্ত্রস্ত তাদের শাসনের জাঁতাকলে পড়ে। রোমান সৈন্যদের অত্যাচার ক্রমাগত মাত্রা ছাড়াচ্ছিল। ঠিক তখনই গ্যালিলির কিছু জ্ঞানী মানুষ মিলে তৈরি করল এক গুপ্ত সমিতি। তারা গোপনে গ্যালিলির সাধারণ মানুষকে রোমান সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে একজোট করার চেষ্টা শুরু করল। তাদের কল্যাণে গ্যালিলি ক্রমশ হয়ে উঠল ইউরোপের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পীঠস্থান। আর সেই গুপ্ত সমিতির প্রধান কাজের জায়গা ছিল গ্যালিলির দক্ষিণে এক ছোট্ট মৎস্যজীবীদের গ্রাম, যার নাম ছিল ম্যাগডেলা। গ্রামটির চারদিক ঘেরা ছিল জলাশয় দিয়ে। আর সেই জলাশয়ের মাছ বিক্রি করাই ছিল ম্যাগডেলা’র বেশীরভাগ মানুষদের পেশা। অবশ্য তাদের মধ্যে অনেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য রোমে চলে গিয়েছিল বিভিন্ন সময়ে। আর সেখানেই হয়েছিল বিপদ। তারা দেখেছিল আসলে রোমানরা নিজেদের দেশে কতটা স্বাধীন। তাদের কাছে ছিল শিক্ষার স্বাধীনতা, অর্থের স্বাধীনতা যার কোনটাই গ্যালিলিতে ছিল না। রোমে প্রাপ্ত উচ্চশিক্ষাই তাদের বিদ্রোহী মানসিকতার জন্ম দেয়। গ্যালিলিতে ফিরে এসে তারা নিজেদের স্বাধীনতা অর্জনের জন্যে তৈরি করে সেই গুপ্ত সমিতি।
.
.
যে সমস্ত বিদ্রোহীরা মাউন্ট আরবেল’এর গুহাগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিল তারাও খুব বেশিদিন শান্তিতে থাকতে পারল না। জুডেয়াতে থাকা রোমান সৈন্যদের একটা বড় অংশ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অবরোধ গড়ে তুলল মাউন্ট আরবেল’এর নীচে। তারা কষ্ট করে পাহাড় চড়ল না। বদলে তারা ছাউনি গড়ে তুলল মাউন্ট আরবেল’এর তলার সমতল ভূমিতে। তারা ভাল করেই জানতো বিদ্রোহীরা নিজেদের পরিবারসমেত লুকিয়ে আছে পাহাড়ের গুহাতে। তাদের খাদ্য এবং অন্যান্য সরঞ্জাম খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে আসবে। তখন তাদের নীচে নামতেই হবে। রোমান সৈনিকদের এই অবরোধ চলেছিল ছিয়াত্তর দিন। মাউন্ট আরবেল’এর গুহাতে অনাহারে মারা গিয়েছিল বেশ কিছু বিদ্রোহী পরিবার। কয়েক জন নীচে নামার সময় সৈনিকদের বর্শার খোঁচা খেয়ে মরেছিল। ছিয়াত্তর দিনের মাথায় জীবিত থাকা সর্বশেষ পরিবারটি মাউন্ট আরবেল’এর চূড়া থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছিল। বিদ্রোহ তখনকার মতন দমন হলেও এক ছাইচাপা আগুন রয়ে গিয়েছিল গ্যালিলি তথা সমগ্র ইজরায়েলের সাধারণ মানুষের মনে। সেই আগুনেই পুড়েছিল যীশু, মেরী ম্যাগডালেনরা।
.
.
.
মূল রচনা - বিশ্বজিৎ সাহা
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়
বিভিন্ন চরিত্র ও পর্বপাঠ- শঙ্খ বিশ্বাস
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস
কভার - রৌণক
বছর দুয়েক আগের ঘটনা। আমরা জেরুজালেমের বেশ কিছু আরকিওলজিকাল সাইট ঘুরে দেখেছি। সেখানেই জানতে পারি প্রভু যিশুর এক শিষ্যার কথা। মেরি ম্যাগডালেন। এই নাম ড্যান ব্রাউনের দা ভিঞ্চি কোডের দৌলতে যা জেনেছিলাম, আমার দৌড় ছিল ঠিক ততটাই। অথচ সেখানে লোকাল গাইড আমাদের এক এমন গল্প শোনল যে সত্যি-মিথ্যের হিসাবে পালটে দেয়। আমরা চলেছিলাম ‘তেল মেদিগো’ শহরের দিকে।
মানুষের আপাত নিরীহ জীবন যে কখন কীভাবে বদলে যায় তা বোধহয় অনুমান করাই শক্ত। নিপাট শান্ত-শিষ্ট ছেলে আমি। কখনও রোমে গিয়েছি, কখনও ভাটিক্যান তো কখনও শতাব্দী প্রাচীন লাইব্রেরিতে। এতদূর অবধি হয়তো ঠিকই ছিল, কিন্তু কী কুক্ষণে যে আমার এক ইহুদী সহপাঠীর সঙ্গে জেরুজালেম ঘুরতে গেলাম!
বাংলার রায়বাঘিনীকে নিয়ে আজ তৃতীয় পর্ব।
গভীর রাতের সুযোগ নিয়ে ওসমান খানের সেনাবাহিনী রানী ভবশঙ্করীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ হানল মন্দিরে। পাঠানদের মন্দিরে প্রবেশ করতেই শুরু হয় পালটা আক্রমণ। ক্ষিপ্র
.
.
রানি ভবশঙ্করী কি পারবেন নিজের সাম্রাজ্য রক্ষা করতে?
.
গল্প পাঠে- মৌটুসি মৈত্র
রানি ভবশঙ্করীর চরিত্রে- বর্ণিশা ভট্টাচার্য
বিভিন্ন পুরুষ চরিত্রে- শঙ্খ বিশ্বাস।
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস।
মূল গল্প- অমৃত কোনার।
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়।
কভার- রৌণক মণ্ডল
সিংহাসনে না বসেও সাম্রাজ্যের প্রতিটা দিকে নজর ছিল রানির। স্বামীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চালাতে থাকেন রাজ্য শাসনের কাজ। বাংলায় তখন বহিরাগত শত্রুর আক্রমণ চলছে। সেই সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে সাম্রাজ্যের সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে বিশেষ নজর দেন ভবশঙ্করী। শুধু পুরোনো দুর্গগুলোর সংস্করণই নয় ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সামরিক দুর্গের নির্মাণ করা হয় তাঁরই নির্দেশে।
.
.
১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দে এই ত্রিবেণীর যুদ্ধে ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য ও মুকুন্দদেবের মিলিত সেনাবাহিনী গৌড়ের সুলতান সুলেমান কারীকে পরাজিত করে। যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন রুদ্রনারায়ণের ভাই এবং মুকুন্দদেবের সেনাপতি রাজীবলোচন রায়। এই রাজীবনলোচন রায়ই ইতিহাসে ‘কালাপাহাড়’ নামে বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত। যুদ্ধে জয়লাভ করার ফলে সপ্তগ্রামের নিয়ন্ত্রণ আসে মহারাজ রুদ্রনারায়ণের হাতে। এরপরই গঙ্গার তীরে গজগিরিতে ত্রিবেণীর একটি ঘাটে একটি মন্দির নির্মাণ করা হয় তাঁর নির্দেশে।
সুলেমানের মৃত্যুর পরে তাঁর পুত্র দাউদ খান হন গৌড়ের নতুন শাসক। তিনি বেশ বুঝতে পারেন এই শক্তিশালী ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্যকে তিনি তো কোনোমতেই দখল করতে পারবেন না, বরং যদি মোঘলদের হাত থেকে বাঁচতে হয় তবে এই সাম্রাজ্যের সাহায্য তাঁর প্রয়োজন। যথারীতি মোঘলদের পরাজিত করার জন্যে রাজা রুদ্রনারায়ণের সাহায্য চান দাউদ খান। কিন্তু রুদ্রনারায়ণ এই প্রস্তাবে রাজি হন না। রাগের বশবর্তী হয়ে দাউদ খান তাঁর সেনাপতি কলটু খানকে ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য আক্রমণের নির্দেশ দেন। কিন্তু সে চেষ্টা বৃথা যায়। রাজা রুদ্রনারায়ণের সেনাবাহিনী কলটু খানের সেনাকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে এবং কলটু খানকে হত্যা করে। এই যুদ্ধে বিশাল সংখক পাঠান সেনারও মৃত্যু হয়। যার ফলস্বরূপ বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল মুসলিম শাসনমুক্ত হয়।
.
.
ইতিহাসের পাতায় যতবার নারী শাসকদের উত্থান ঘটেছে ততবার অন্তর্ঘাত আর বিশ্বাসঘাতকতা এসেছে তাঁর নিজের সভাসদদের থেকেই। রানীও নিজের অজান্তে এক বিশ্বাসঘাতকের হাতেই রাজ্যভার দিয়ে এসেছিলেন।
গল্প পাঠে - মৌটুসি মৈত্র
রানি ভবশঙ্করী- বর্ণিশা ভট্টাচার্য
বিভিন্ন পুরুষ চরিত্রে- শঙ্খ বিশ্বাস
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস।
মূল গল্প- অমৃত কোনার।
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়।
কভার- শুভজিৎ ভড় ।
সময়কাল ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি। বাংলার বর্তমান হুগলী, হাওড়া জুড়ে তখন বিরাজ করছে এক বিশাল সাম্রাজ্য। ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য, পরবর্তীতে যা ভূরশুঁট সাম্রাজ্য নামে পরিচিত হয়। সুলতানী শাসনের চোখ রাঙানীকে উপেক্ষা করে, বহিরাগত শত্রুর আক্রমণকে প্রতিহত করেবাংলার মাটিতে সদর্পে মাথা উঁচু করে যে কয়টি সাম্রাজ্য নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য এই ভুরিশ্রেষ্ঠ রাজ্য। দামোদর নদ ও শোন নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই রাজ্য বাণিজ্য ও শিল্পের জন্যও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিল।
.
ঠিক এইসময়ই একদিন ঘটে এক অদ্ভুত ঘটনা। ভবশঙ্করী শিকার অভিযানের জন্য রওনা হয়। এমনটা সে প্রায়শই করে থাকে। কিন্তু এদিনের বিষয়টা খানিক অন্যরকম।ভবশঙ্করী তাঁর সঙ্গীসাথীদের নিয়ে উপস্থিত হন গভীর জঙ্গলে। তাঁরা যখন শিকারের পিছনে ধাওয়া করতে ব্যস্ত ঠিক তখনই একদল বুনো মহিষ আক্রমণ করে তাঁদের উপর। চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে তাঁদের। যে কোনো মানুষের পক্ষে এতগুলো বুনো মহিষের সাথে যুদ্ধ করা মোটেই সহজ নয়। একা তো নয়ই এমনকি দলবদ্ধভাবেও প্রায় না পারারই সমান। কিন্তু ভবশঙ্করী তো সহজে হাল ছাড়ার পাত্রী নন।
.
আজকে আপনারা শুনবেন বাংলার এমন এক রানির গল্প যিনি তাঁর বিচক্ষণতা ও বীরত্বের মাধ্যমে রুখে দিয়েছিলেন বাংলায় পাঠান আধিপত্য। একই সঙ্গে দিল্লির মোগল বাদশা আকবরও তাঁর সঙ্গে মিত্রতা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে তাঁকে ‘রায় বাঘিনী’উপাধিতে ভূষিত করেন।
.
.
গল্পপাঠে- মৌটুসি মৈত্র,
রানি ভবশঙ্করীর চরিত্রে বর্ণিশা ভট্টাচার্য ও বিভিন্ন পুরুষ চরিত্রে শঙ্খ বিশ্বাস।
সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস।
মূল গল্প- অমৃত কোনার।
স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়।
কভার- রৌনক মণ্ডল
পাণ্ডবরা যখন বনপর্বে যখন রাজ্য হারিয়ে বনে বনে ঘুরছেন, তখন এক ঋষি যুধিষ্ঠির ও ভীমকে জানান, পাশা খেলে রাজ্যপাট হারানোর ব্যাপারে তাঁরাই একমাত্র নন। আছেন আরও একজন। এই বলে তিনি রাজা নল ও দময়ন্তীর কাহিনি শুরু করেন। রাজা নল দময়ন্তীর রূপের কথা নারদের কাছে শুনে তাঁর প্রেমে পড়েন। সব সময় তাঁর কথা চিন্তা করতে থাকেন। একদিন তিনি বনে শিকার করতে গিয়ে একটি সোনার রাজহাঁস দেখতে পান। সেটাকে শিকার করার আগেই হাঁসটি রাজাকে বলে, "আমাকে হত্যা করবেন না। আমার পরিবার আছে। বরং আপনি যা চান আমি সেই মনোবাঞ্ছা পূরণে সাহায্য করতে পারি।" রাজা নল খুশি হয়ে রাজ হাঁসটিকে দময়ন্তীর কাছে পাঠালেন।
রাজহাঁসটি দময়ন্তীর মহলে উপস্থিত হয়ে রাজা নলের সুখ্যাতি করেন। পদ্মপাতার উপরে জল দিয়ে রাজার ছবি আঁকলে দময়ন্তী প্রেমে পড়েন। কিছু দিনের মধ্যেই দময়ন্তীর স্বয়ম্বরের ব্যবস্থা হয়। দময়ন্তী মনে মনে ঠিক করে নিয়েছেন তিনি রাজা নলকেই বিবাহ করবেন।
দময়ন্তীর মতো সুন্দরী সারা পৃথিবীতে ছিল না। তাই তাঁর স্বয়ম্বরে যেমন পৃথিবীর বড় বড় রাজাদের কাছে নিমন্ত্রণ গিয়েছিল, তেমনই আমন্ত্রণ গিয়েছিল গন্ধর্ব, দেবতা ও অন্যান্যদের কাছেও। স্বয়ম্বরের দিন দেবরাজ ইন্দ্র, অগ্নিদেব, পবনদেব ও যম চারজনেই অবিকল নলের মতো সেজে স্বয়ম্বরে উপস্থিত হন। অভিসন্ধি? তাঁরাও যে বিবাহ করতে চান দময়ন্তীকে। দময়ন্তী কিভাবে চিনেছিলেন আসল রাজা নলকে?
নল দময়ন্তীর গল্পকে সব সময়ই প্রেমের গল্প বা এক পতিব্রতা নারীর গল্প হিসাবে পরিবেশন করা হয়। কিন্তু এসবের ভিড়ে হারিয়ে যায় দময়ন্তীর অসম্ভব বিচক্ষণতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা।
গোয়েন্দা মানেই কি যে খুনি আর চোর ধরে? নাকি গোয়েন্দা মানে এমন একজন যিনি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে উপনীত সঠিক সিদ্ধান্তে? সমাধান করেন সমস্যার? তাহলে এমন গোয়েন্দা আছে নাকি মহাভারতে? তাও মহিলা?
এই বুধবার রাত নটায় গল্প হবে। প্রেমের উইকে প্রেমের গল্প তো হবেই। কিন্তু তার মাঝেই পাওয়া যাবে এক মহিলা গোয়েন্দাকে। আজ তৃতীয় পর্ব
কণ্ঠ - কৌশিক রায়, সাউন্ড ডিজাইন -শঙ্খ বিশ্বাস , কভার - শুভজিৎ ভড়
পাণ্ডবরা যখন বনপর্বে যখন রাজ্য হারিয়ে বনে বনে ঘুরছেন, তখন এক ঋষি যুধিষ্ঠির ও ভীমকে জানান, পাশা খেলে রাজ্যপাট হারানোর ব্যাপারে তাঁরাই একমাত্র নন। আছেন আরও একজন। এই বলে তিনি রাজা নল ও দময়ন্তীর কাহিনি শুরু করেন। রাজা নল দময়ন্তীর রূপের কথা নারদের কাছে শুনে তাঁর প্রেমে পড়েন। সব সময় তাঁর কথা চিন্তা করতে থাকেন। একদিন তিনি বনে শিকার করতে গিয়ে একটি সোনার রাজহাঁস দেখতে পান। সেটাকে শিকার করার আগেই হাঁসটি রাজাকে বলে, "আমাকে হত্যা করবেন না। আমার পরিবার আছে। বরং আপনি যা চান আমি সেই মনোবাঞ্ছা পূরণে সাহায্য করতে পারি।" রাজা নল খুশি হয়ে রাজ হাঁসটিকে দময়ন্তীর কাছে পাঠালেন।
রাজহাঁসটি দময়ন্তীর মহলে উপস্থিত হয়ে রাজা নলের সুখ্যাতি করেন। পদ্মপাতার উপরে জল দিয়ে রাজার ছবি আঁকলে দময়ন্তী প্রেমে পড়েন। কিছু দিনের মধ্যেই দময়ন্তীর স্বয়ম্বরের ব্যবস্থা হয়। দময়ন্তী মনে মনে ঠিক করে নিয়েছেন তিনি রাজা নলকেই বিবাহ করবেন।
দময়ন্তীর মতো সুন্দরী সারা পৃথিবীতে ছিল না। তাই তাঁর স্বয়ম্বরে যেমন পৃথিবীর বড় বড় রাজাদের কাছে নিমন্ত্রণ গিয়েছিল, তেমনই আমন্ত্রণ গিয়েছিল গন্ধর্ব, দেবতা ও অন্যান্যদের কাছেও। স্বয়ম্বরের দিন দেবরাজ ইন্দ্র, অগ্নিদেব, পবনদেব ও যম চারজনেই অবিকল নলের মতো সেজে স্বয়ম্বরে উপস্থিত হন। অভিসন্ধি? তাঁরাও যে বিবাহ করতে চান দময়ন্তীকে। দময়ন্তী কিভাবে চিনেছিলেন আসল রাজা নলকে?
নল দময়ন্তীর গল্পকে সব সময়ই প্রেমের গল্প বা এক পতিব্রতা নারীর গল্প হিসাবে পরিবেশন করা হয়। কিন্তু এসবের ভিড়ে হারিয়ে যায় দময়ন্তীর অসম্ভব বিচক্ষণতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা।
গোয়েন্দা মানেই কি যে খুনি আর চোর ধরে? নাকি গোয়েন্দা মানে এমন একজন যিনি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে উপনীত সঠিক সিদ্ধান্তে? সমাধান করেন সমস্যার? তাহলে এমন গোয়েন্দা আছে নাকি মহাভারতে? তাও মহিলা?
এই বুধবার রাত নটায় গল্প হবে। প্রেমের উইকে প্রেমের গল্প তো হবেই। কিন্তু তার মাঝেই পাওয়া যাবে এক মহিলা গোয়েন্দাকে। আজ দ্বিতীয় পর্ব
কণ্ঠ - কৌশিক রায়, সাউন্ড ডিজাইন -শঙ্খ বিশ্বাস , কভার - শুভজিৎ ভড়
গোয়েন্দা মানেই কি যে খুনি আর চোর ধরে? নাকি গোয়েন্দা মানে এমন একজন যিনি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে উপনীত সঠিক সিদ্ধান্তে? সমাধান করেন সমস্যার? তাহলে এমন গোয়েন্দা আছে নাকি মহাভারতে? তাও মহিলা?
এই বুধবার রাত নটায় গল্প হবে। প্রেমের উইকে প্রেমের গল্প তো হবেই। কিন্তু তার মাঝেই পাওয়া যাবে এক মহিলা গোয়েন্দাকে। আজ প্রথম পর্ব
কণ্ঠ - কৌশিক রায়, সাউন্ড ডিজাইন -শঙ্খ বিশ্বাস , কভার - শুভজিৎ ভড়
From the publisher's feed