Clock Tower

Clock Tower

By Kaushik RoyHistory
Download on the App Store

Clock Tower episodes

  • খ্রিস্টান ধর্মের স্থপতি যিশু খ্রিস্ট নন? নেপথ্যে আছেন এক মহিলা? Ep3

    মেরী পরামর্শ দিলেন যীশু যদি নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে দক্ষিণের সবকটা ছোট ছোট রেবেল গ্রুপকে প্রভাবিত করে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে পারেন তবে এই আন্দোলন সত্যিই এক অন্য মাত্রা পাবে। রোমান সাম্রাজ্যের ভীত নড়ে যাবে সেই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জেরে। এক স্বাধীন ইজরায়েলের জন্ম হবে যেখানে যীশুর মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। যীশু ইতিমধ্যেই মেরী ম্যাগডালেন’এর দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। মেরীর এই পরামর্শ তাকে আরও গভীরভাবে প্রভাবিত করল। মেরী ম্যাগডালেন’এর পরামর্শ দান এবং যীশুর এই সিদ্ধান্ত অবশ্য সবাইকে প্রসন্ন করতে পারলো না। এই সময় থেকেই শুরু হল যীশুর দলের মধ্যে এক অন্তর্দ্বন্দ্ব যা পরবর্তীকেলে মেরী ম্যাগডালেন’কে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার কাজে বড়ো ভূমিকা নিল।

    .

    যীশু তাঁর বারো জন অনুগামীকে সমগ্র ইজরায়েলের বারোটি পৃথক ট্রাইবকে সুরক্ষিত করার দায়িত্ব দিলেন। সেই বারোটি জনজাতির মধ্যে দক্ষিণ ইজরায়েল এবং বর্তমান প্যালেস্টাইনের কিছু অংশের মানুষও রয়েছে। তবে এর উল্লেখ ‘গসপেল অফ জন’এ অধ্যায় ৬’এর ভার্স ৭১’এ রয়েছে। দক্ষিণ ইজরায়েল এবং বর্তমান প্যালেস্টাইন’এর সেই ভূখণ্ডকে “কেরিওথ” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। গসপেল অফ জন-এর তথ্য অনুযায়ী যীশু সেখানে গিয়েছিলেন এবং তাঁর বারো জন অনুগামীর মধ্যে একজন ছিলেন সেই ভূখণ্ডেরই বাসিন্দা। সেই অনুগামীর নাম হল ‘জুডাস’। আর এই কেরিওথ ভূখণ্ডের জনজাতিকে সুরক্ষিত করার দায়িত্ব আসে জুডাস’এর ওপরই।

    .

    তাহলে এরপর কী এমন ঘটলো যার ফলে যীশুর সবচেয়ে কাছের দু’জন মানুষের মধ্যে একজন হয়ে গেল ইতিহাসের “গ্রেটেস্ট ট্রেইটর” আর অন্যজন হারিয়ে গেলেন বিস্মৃতির অন্ধকারে?


    মূল রচনা - বিশ্বজিৎ সাহা

    স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়

    বিভিন্ন চরিত্র ও পর্বপাঠ- শঙ্খ বিশ্বাস

    সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস

    কভার - রৌণক

    26 min
  • খ্রিস্টান ধর্মের স্থপতি যিশু খ্রিস্ট নন? নেপথ্যে আছেন এক মহিলা? Ep2

    গ্যারি আকণ্ঠ মদপান করে তাঁর চেয়ারটায় লম্বা হয়ে বসে পড়ে। বেশ হতাশার সুরেই বলে ওঠে, “বিশ্বজিৎ, আমি নিজের জীবনটা একটা মরীচিকার পিছনে দৌড়ে নষ্ট করেছি। তুমিও একই ভুল করো না। মানুষ সত্যি জানতে চায় না। তাঁর প্রয়োজন ধর্মের আফিম। যাতে নেশায় বুঁদ হয়ে রাষ্ট্র চালানো যায়, যুদ্ধ চালানো যায়। কিন্তু নিজের ভিতরটাকে দেখা যায় না। আর এমনিতেও ধর্মগুরুরা সত্য সন্ধানের চেষ্টা প্রভুর মৃত্যুর পরে পরেই ত্যাগ করেছে। প্রভুর প্রথম ১২জন শিষ্যই যেখানে নিজেদের লাভের কড়ি গুনতে ব্যস্ত ছিলেন,তখন আর বাকিদের দোষ কী?”

    .

    .

    সব রহস্য সমাধানের আগে আমাদের ফিরে যেতে হবে খৃষ্ট জন্মের বেশ কিছু বছর আগে। ছোট বেলা থেকে যে সমস্ত দৃশ্য চোখের সামনে ঘটতে দেখে তৈরি হয়েছে যিশু ও মেরির বিপ্লবী সত্ত্বা, সেটা জানতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে প্রায় ২২০০ বছর আগের ইউরোপে। সময়টা অনুমানিক পঞ্চাশ খ্রিস্টপূর্বাব্দের আশেপাশে। ইউরোপের প্রায় সবটাই তখন রোমানদের দখলে। ইতিমধ্যেই তাদের পরোক্ষ শাসন ব্যবস্থা ইজরায়েলের কোনও কোনও অংশে প্রত্যক্ষ্য রূপ নিয়েছে। সেই রকমই একটি জায়গা হল ইজরায়েলের উত্তর দিকে অবস্থিত গ্যালিলি। জায়গাটি অনেকাংশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা।

    গ্যালিলির বেশীরভাগ অংশই তখন রোমান সৈন্যদের সম্মিলিত পায়ের শব্দে গমগম করে। সাধারণ মানুষ রীতিমতন ভিত-সন্ত্রস্ত তাদের শাসনের জাঁতাকলে পড়ে। রোমান সৈন্যদের অত্যাচার ক্রমাগত মাত্রা ছাড়াচ্ছিল। ঠিক তখনই গ্যালিলির কিছু জ্ঞানী মানুষ মিলে তৈরি করল এক গুপ্ত সমিতি। তারা গোপনে গ্যালিলির সাধারণ মানুষকে রোমান সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে একজোট করার চেষ্টা শুরু করল। তাদের কল্যাণে গ্যালিলি ক্রমশ হয়ে উঠল ইউরোপের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পীঠস্থান। আর সেই গুপ্ত সমিতির প্রধান কাজের জায়গা ছিল গ্যালিলির দক্ষিণে এক ছোট্ট মৎস্যজীবীদের গ্রাম, যার নাম ছিল ম্যাগডেলা। গ্রামটির চারদিক ঘেরা ছিল জলাশয় দিয়ে। আর সেই জলাশয়ের মাছ বিক্রি করাই ছিল ম্যাগডেলা’র বেশীরভাগ মানুষদের পেশা। অবশ্য তাদের মধ্যে অনেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য রোমে চলে গিয়েছিল বিভিন্ন সময়ে। আর সেখানেই হয়েছিল বিপদ। তারা দেখেছিল আসলে রোমানরা নিজেদের দেশে কতটা স্বাধীন। তাদের কাছে ছিল শিক্ষার স্বাধীনতা, অর্থের স্বাধীনতা যার কোনটাই গ্যালিলিতে ছিল না। রোমে প্রাপ্ত উচ্চশিক্ষাই তাদের বিদ্রোহী মানসিকতার জন্ম দেয়। গ্যালিলিতে ফিরে এসে তারা নিজেদের স্বাধীনতা অর্জনের জন্যে তৈরি করে সেই গুপ্ত সমিতি।

    .

    .

    যে সমস্ত বিদ্রোহীরা মাউন্ট আরবেল’এর গুহাগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিল তারাও খুব বেশিদিন শান্তিতে থাকতে পারল না। জুডেয়াতে থাকা রোমান সৈন্যদের একটা বড় অংশ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অবরোধ গড়ে তুলল মাউন্ট আরবেল’এর নীচে। তারা কষ্ট করে পাহাড় চড়ল না। বদলে তারা ছাউনি গড়ে তুলল মাউন্ট আরবেল’এর তলার সমতল ভূমিতে। তারা ভাল করেই জানতো বিদ্রোহীরা নিজেদের পরিবারসমেত লুকিয়ে আছে পাহাড়ের গুহাতে। তাদের খাদ্য এবং অন্যান্য সরঞ্জাম খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে আসবে। তখন তাদের নীচে নামতেই হবে। রোমান সৈনিকদের এই অবরোধ চলেছিল ছিয়াত্তর দিন। মাউন্ট আরবেল’এর গুহাতে অনাহারে মারা গিয়েছিল বেশ কিছু বিদ্রোহী পরিবার। কয়েক জন নীচে নামার সময় সৈনিকদের বর্শার খোঁচা খেয়ে মরেছিল। ছিয়াত্তর দিনের মাথায় জীবিত থাকা সর্বশেষ পরিবারটি মাউন্ট আরবেল’এর চূড়া থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছিল। বিদ্রোহ তখনকার মতন দমন হলেও এক ছাইচাপা আগুন রয়ে গিয়েছিল গ্যালিলি তথা সমগ্র ইজরায়েলের সাধারণ মানুষের মনে। সেই আগুনেই পুড়েছিল যীশু, মেরী ম্যাগডালেনরা।

    .

    .

    .

    মূল রচনা - বিশ্বজিৎ সাহা

    স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়

    বিভিন্ন চরিত্র ও পর্বপাঠ- শঙ্খ বিশ্বাস

    সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস

    কভার - রৌণক

    26 min
  • খ্রিস্টান ধর্মের স্থপতি যিশু খ্রিস্ট নন? নেপথ্যে আছেন এক মহিলা? Ep1

    বছর দুয়েক আগের ঘটনা। আমরা জেরুজালেমের বেশ কিছু আরকিওলজিকাল সাইট ঘুরে দেখেছি। সেখানেই জানতে পারি প্রভু যিশুর এক শিষ্যার কথা। মেরি ম্যাগডালেন। এই নাম ড্যান ব্রাউনের দা ভিঞ্চি কোডের দৌলতে যা জেনেছিলাম, আমার দৌড় ছিল ঠিক ততটাই। অথচ সেখানে লোকাল গাইড আমাদের এক এমন গল্প শোনল যে সত্যি-মিথ্যের হিসাবে পালটে দেয়। আমরা চলেছিলাম ‘তেল মেদিগো’ শহরের দিকে।

    আমাদের স্থানীয় গাইডকে সঙ্গে নিয়ে জেরুজালেম থেকে বের হয়েছি আমরা। সঙ্গে অবশ্যই ভাড়া করা গাড়ি। গাইডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জেরুজালেম থেকে ‘তেল মেদিগো’ যাবার সুবিধাজনক কোনও পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পাওয়া একটু মুশকিল। কারণ খুব বেশি লোক ইজরায়েলের সীমান্তবর্তী ওই গ্রামে যায় না। জনবসতি প্রায় নেই বললেই চলে। জেরুজালেম থেকে প্রথমে আমাদের যেতে হবে ‘হাইফা’ নামের জায়গাতে, গাড়িতে ঘণ্টা দেড়েকের পথ। দীর্ঘ রাস্তার ক্লান্তি কাটাতেই কথায়কথায় সে শুরু করে তার গল্প।
    .
    “সময়টা ৫৯০ খ্রিস্টাব্দের আশেপাশে, অর্থাৎ যীশুর মৃত্যুর প্রায় সাড়ে পাঁচশো বছর পর। খ্রিস্টান ধর্মের প্রচার এবং প্রসার এই পাঁচটা শতকে ইউরোপ ছাড়িয়ে অন্যান্য মহাদেশগুলিকেও স্পর্শ করেছে। খ্রিস্টান ধর্মের প্রাণকেন্দ্র ইতিমধ্যেই স্থাপিত হয়েছে রোমে। প্রতিষ্ঠা পেয়েছে চার্চ, আর তার প্রধান হলেন পোপ। খ্রিস্টান ধর্মের সর্বময় কর্তা তিনি। সেই সময়ে রোমের পোপ প্রথম ‘গ্রেগরি’। ৫৯১ খ্রিস্টাব্দের এক ‘ইস্টার’এর সকালে তিনি সারা পৃথিবীর খ্রিস্টানদের উদ্দেশ্যে ইস্টার সারমন করলেন। অন্যান্য অনেক তথ্যের সঙ্গে তিনি এমন এক তথ্য সকলের উদ্দেশ্যে পরিবেশন করলেন যার ফলস্বরূপ পরবর্তী দেড়হাজার বছরের জন্যে কলঙ্কিত হয়ে রইলেন এক নারী, যাকে খ্রিস্টান ধর্মের নাভিমূল বলা চলে। সেই নারী আর কেউ নন, তিনি হলেন যীশুর একনিষ্ঠ অনুগামী সেন্ট মেরী ম্যাগডালেন।
    নিজের বক্তৃতায় সেদিন পোপ প্রথম ‘গ্রেগরি’ বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্ট থেকে একটি সূত্র উদ্ধৃত করে জানালেন, মেরী ম্যাগডালেন আসলে ছিলেন একজন পতিতা অর্থাৎ ‘প্রস্টিটিউট’।
    .
    “১৯৮২ সাল নাগাদ মেরী ম্যাগডালেনকে “সেন্ট” বলে স্বীকার করে নিল রোমান ক্যাথেলিক এবং ইস্টার্ন অর্থোডক্স চার্চ। ২০১৬ সালে মেরী ম্যাগডালেন পেলেন দীর্ঘ দু-হাজার বছরে অপ্রাপ্ত তাঁর সর্বচ্চ স্বীকৃতি। পোপ “ফ্র্যান্সিস” তাঁকে যোগ্য মর্যাদা দিলেন। ২০১৬ সালের ২২শে জুলাই’এর ‘ইস্টার ফিস্ট’এ তিনি ঘোষণা করলেন, মেরী ম্যাগডালেন ছিলেন “অ্যাপস্বল অফ অল দ্য অ্যাপস্বলস”। অর্থাৎ খ্রিস্টানিটির সমস্ত শিক্ষকদের শিক্ষা প্রদান করেছিলেন তিনি।
    “এরপর সমস্ত প্রটেস্টান্ট চার্চ মেরীকে “হিরোইন অফ দ্য ফেইথ” আখ্যা দিল। এত সবের পরও কিন্তু সাধারণ খ্রিস্টানদের মনে মেরী ম্যাগডালেন আজও সর্বচ্চ মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়েই রয়েছেন। হয়তো দেড়হাজার বছরের কলঙ্ক এত কম সময়ে মুছে যায় না বলেই। তবে আজও কিন্তু খ্রিস্টান চার্চ স্বীকার করেনি যে মেরী ম্যাগডালেনই প্রকৃতপক্ষে ‘খ্রিস্টানিটি’র স্থপতি ছিলেন। তিনি যদি রেজারেকশন অর্থাৎ পুনর্জন্মের পর যীশুকে না দেখতে পেতেন তবে হয়তো খ্রিস্টানিটির জন্মই হত না।”
    এই শেষ অংশটা আমায় যেন পেয়ে বসল। মেরি ম্যাগডেলান যদি খ্রিস্টান ধর্মের প্রকৃত স্থপতি হন, তাহলে সেখানে প্রভু যিশুর ভূমিকা কি?
    .
    .
    মূল রচনা- বিশ্বজিৎ সাহা
    কণ্ঠ- শঙ্খ বিশ্বাস
    স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়
    সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস
    কভার- রৌনক

    16 min
  • [Trailer] মেরি ম্যাগডালেন দেহপসারিণী নাকি খ্রিস্টান ধর্মের স্থপতি?

    মানুষের আপাত নিরীহ জীবন যে কখন কীভাবে বদলে যায় তা বোধহয় অনুমান করাই শক্ত। নিপাট শান্ত-শিষ্ট ছেলে আমি। কখনও রোমে গিয়েছি, কখনও ভাটিক্যান তো কখনও শতাব্দী প্রাচীন লাইব্রেরিতে। এতদূর অবধি হয়তো ঠিকই ছিল, কিন্তু কী কুক্ষণে যে আমার এক ইহুদী সহপাঠীর সঙ্গে জেরুজালেম ঘুরতে গেলাম!

    পোপ প্রথম গ্রেগরি ‘মেরী অফ বেথানী’কে এক করে দিলেন ‘মেরী অফ ম্যাগডেলা’ অর্থাৎ মেরী ম্যাগডালেনের সঙ্গে। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করেছিলেন নাকি নিজের অজ্ঞতার কারণে, তা অবশ্য সুস্পষ্ট নয়। ৫৯১ খ্রিস্টাব্দের পর থেকেই খ্রিস্টানদের মধ্যে এই বিশ্বাস প্রবল হয়ে উঠল যে মেরী ম্যাগডালেন আসলেই ছিলেন একজন ‘প্রস্টিটিউট’। আগামী পনেরোটা শতাব্দী ধরে চার্চ মেরী ম্যাগডালেন সম্পর্কে এই নির্দেশ বহাল রাখল।
    মেরি ম্যাগডালেন যদি খ্রিস্টান ধর্মের প্রকৃত স্থপতি হন, তাহলে সেখানে প্রভু যিশুর ভূমিকা কি? আমার মাথাটা গেল বিগড়ে। শুরু হল খোঁজ। সত্যের খোঁজ।
    বছর খানেক আগেই এক মহিলা পাদ্রির থেকে জানলাম এক ভদ্রলোকের কথা। সিলভার ডন গ্যারি। লোকটি নাকি একসময় এই সব নিয়ে বিস্তর পড়াশোনা করে অনেক কিছু জেনেছিলেন। কিন্তু পুরাতনপন্থী চার্চ এসব ভালো চোখে নেয়নি। দুর্বৃত্তরা তার বাড়ি আগুন ধরিয়ে দেয়। তাঁর দশ বছরের গবেষণা, তথ্য-প্রমাণ ছাড়াও তাঁর তিন বছরের কন্যাও সেই দুর্ঘটনায় মারা যায়। তারপর থেকে গ্যারি কারো সঙ্গেই দেখা করেন না, কথাও বলেন না। গত একবছর ধরে বিভিন্ন অছিলায় বাজার থেকে গির্জা তাঁর পিছু নিয়েছি। জানি, হয়তো আবারও একবার গ্যারি আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। তবু চেষ্টা আমি করে যাবই। কে বলতে পারে আজকে রাতেই হয়তো গ্যারি আমাকে বলে দিলেন সেই সত্য যার খোঁজে আমি গত দুই বছর নাওয়া-খাওয়া ভুলে দৌড়ে বেড়াচ্ছি।
    এপ্রিল মাসে আসছে অরণ্যমন প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত লেখক বিশ্বজিৎ সাহা রচিত গবেষণা গ্রন্থ ‘ম্যাগডালেন’ বইটির নির্বাচিত কিছু অধ্যায় অবলম্বনে বিনির্মাণ করা আমাদের চার পর্বের অনুষ্ঠান। প্রভু যিশু নিজের আত্মাহুতির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে শিখিয়ে গিয়েছিলেন প্রেম, ভালোবাসা ও ক্ষমার শিক্ষা। প্রায় দুইহাজার বছর আগে তাঁর দেখানো পথই আজ পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ মানুষের ধর্ম বিশ্বাস। কী হবে সেই ধর্মবিশ্বাসের ভিত্তিটাই যদি নড়ে যায়? সত্যিই কি প্রভু যিশুই খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক নাকি নেপথ্যে আছেন অন্য কেউ? চার পর্বের বিশেষ অনুষ্ঠান নিয়ে টিম Clock Tower আসছে এই গুড ফ্রাইডেতে। এক্ষুনি আমাদের পডকাস্ট বা ইউটিউব চ্যানেল ফলো করে সঙ্গে থাকুক আর জানুন এমন এক সত্য যা বদলে দিতে পারে পৃথিবীর ইতিহাস ।
    আসছে ৭ ই এপ্রিল, ২০২৩

    4 min
  • বাংলার রায় বাঘিনী (তৃতীয় পর্ব)

    বাংলার রায়বাঘিনীকে নিয়ে আজ তৃতীয় পর্ব।

    গভীর রাতের সুযোগ নিয়ে ওসমান খানের সেনাবাহিনী রানী ভবশঙ্করীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ হানল মন্দিরে। পাঠানদের মন্দিরে প্রবেশ করতেই শুরু হয় পালটা আক্রমণ। ক্ষিপ্র

    গতিতে শত্রুপক্ষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে রানীর নারী বাহিনী। রানী ভবশঙ্করীর নেতৃত্বে থাকা সেনারা পাঠান সেনাদের পরাস্ত করে ও হত্যা করে। একের পর এক পাঠান সেনার দল আসতে থাকে
    আর তাদের পরাস্ত করতে থাকে ভবশঙ্করীর সশস্ত্রবাহিনী।

    .

    সবদিক বিবেচনা করে ঠিক হয় এক বিশেষ দিনে তান্ত্রিক মতে ছাউনপুরের অন্তর্গত বাঁশুরি গ্রামের মা ভবানীর মন্দিরে রানি ভবশঙ্করীর রাজ্যাভিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। স্থির হয় যে গোলক চট্টোপাধ্যায় নামক একজন তান্ত্রিকের হাতেই সম্পন্ন হবে এই রাজ্যাভিষেক। কিন্তু রাজ্যের মধ্যেই যে লুকিয়ে আছে কালসর্প!

    .

    রানি ভবশঙ্করী কি পারবেন নিজের সাম্রাজ্য রক্ষা করতে?

    .


    গল্প পাঠে- মৌটুসি মৈত্র

    রানি ভবশঙ্করীর চরিত্রে- বর্ণিশা ভট্টাচার্য

    বিভিন্ন পুরুষ চরিত্রে- শঙ্খ বিশ্বাস।

    সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস।

    মূল গল্প- অমৃত কোনার।

    স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়।

    কভার- রৌণক মণ্ডল

    17 min
  • বাংলার রায়বাঘিনী (দ্বিতীয় পর্ব)

    সিংহাসনে না বসেও সাম্রাজ্যের প্রতিটা দিকে নজর ছিল রানির। স্বামীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চালাতে থাকেন রাজ্য শাসনের কাজ। বাংলায় তখন বহিরাগত শত্রুর আক্রমণ চলছে। সেই সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে সাম্রাজ্যের সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে বিশেষ নজর দেন ভবশঙ্করী। শুধু পুরোনো দুর্গগুলোর সংস্করণই নয় ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সামরিক দুর্গের নির্মাণ করা হয় তাঁরই নির্দেশে।

    .

    .

    ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দে এই ত্রিবেণীর যুদ্ধে ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য ও মুকুন্দদেবের মিলিত সেনাবাহিনী গৌড়ের সুলতান সুলেমান কারীকে পরাজিত করে। যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন রুদ্রনারায়ণের ভাই এবং মুকুন্দদেবের সেনাপতি রাজীবলোচন রায়। এই রাজীবনলোচন রায়ই ইতিহাসে ‘কালাপাহাড়’ নামে বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত। যুদ্ধে জয়লাভ করার ফলে সপ্তগ্রামের নিয়ন্ত্রণ আসে মহারাজ রুদ্রনারায়ণের হাতে। এরপরই গঙ্গার তীরে গজগিরিতে ত্রিবেণীর একটি ঘাটে একটি মন্দির নির্মাণ করা হয় তাঁর নির্দেশে।

    সুলেমানের মৃত্যুর পরে তাঁর পুত্র দাউদ খান হন গৌড়ের নতুন শাসক। তিনি বেশ বুঝতে পারেন এই শক্তিশালী ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্যকে তিনি তো কোনোমতেই দখল করতে পারবেন না, বরং যদি মোঘলদের হাত থেকে বাঁচতে হয় তবে এই সাম্রাজ্যের সাহায্য তাঁর প্রয়োজন। যথারীতি মোঘলদের পরাজিত করার জন্যে রাজা রুদ্রনারায়ণের সাহায্য চান দাউদ খান। কিন্তু রুদ্রনারায়ণ এই প্রস্তাবে রাজি হন না। রাগের বশবর্তী হয়ে দাউদ খান তাঁর সেনাপতি কলটু খানকে ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য আক্রমণের নির্দেশ দেন। কিন্তু সে চেষ্টা বৃথা যায়। রাজা রুদ্রনারায়ণের সেনাবাহিনী কলটু খানের সেনাকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে এবং কলটু খানকে হত্যা করে। এই যুদ্ধে বিশাল সংখক পাঠান সেনারও মৃত্যু হয়। যার ফলস্বরূপ বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল মুসলিম শাসনমুক্ত হয়।

    . 

    .

    ইতিহাসের পাতায় যতবার নারী শাসকদের উত্থান ঘটেছে ততবার অন্তর্ঘাত আর বিশ্বাসঘাতকতা এসেছে তাঁর নিজের সভাসদদের থেকেই। রানীও নিজের অজান্তে এক বিশ্বাসঘাতকের হাতেই রাজ্যভার দিয়ে এসেছিলেন।



    গল্প পাঠে - মৌটুসি মৈত্র 

    রানি ভবশঙ্করী- বর্ণিশা ভট্টাচার্য 

    বিভিন্ন পুরুষ চরিত্রে- শঙ্খ বিশ্বাস

    সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস।

     মূল গল্প- অমৃত কোনার। 

    স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়।

    কভার- শুভজিৎ ভড় । 


    16 min
  • বাংলার রায়বাঘিনী (প্রথম পর্ব)

    সময়কাল ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি। বাংলার বর্তমান হুগলী, হাওড়া জুড়ে তখন বিরাজ করছে এক বিশাল সাম্রাজ্য। ভুরিশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য, পরবর্তীতে যা ভূরশুঁট সাম্রাজ্য নামে পরিচিত হয়। সুলতানী শাসনের চোখ রাঙানীকে উপেক্ষা করে, বহিরাগত শত্রুর আক্রমণকে প্রতিহত করেবাংলার মাটিতে সদর্পে মাথা উঁচু করে যে কয়টি সাম্রাজ্য নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য এই ভুরিশ্রেষ্ঠ রাজ্য। দামোদর নদ ও শোন নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই রাজ্য বাণিজ্য ও শিল্পের জন্যও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিল।

    .

    ঠিক এইসময়ই একদিন ঘটে এক অদ্ভুত ঘটনা। ভবশঙ্করী শিকার অভিযানের জন্য রওনা হয়। এমনটা সে প্রায়শই করে থাকে। কিন্তু এদিনের বিষয়টা খানিক অন্যরকম।ভবশঙ্করী তাঁর সঙ্গীসাথীদের নিয়ে উপস্থিত হন গভীর জঙ্গলে। তাঁরা যখন শিকারের পিছনে ধাওয়া করতে ব্যস্ত ঠিক তখনই একদল বুনো মহিষ আক্রমণ করে তাঁদের উপর। চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে তাঁদের। যে কোনো মানুষের পক্ষে এতগুলো বুনো মহিষের সাথে যুদ্ধ করা মোটেই সহজ নয়। একা তো নয়ই এমনকি দলবদ্ধভাবেও প্রায় না পারারই সমান। কিন্তু ভবশঙ্করী তো সহজে হাল ছাড়ার পাত্রী নন।

    .

    আজকে আপনারা শুনবেন বাংলার এমন এক রানির গল্প যিনি তাঁর বিচক্ষণতা ও বীরত্বের মাধ্যমে রুখে দিয়েছিলেন বাংলায় পাঠান আধিপত্য। একই সঙ্গে দিল্লির মোগল বাদশা আকবরও তাঁর সঙ্গে মিত্রতা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে তাঁকে ‘রায় বাঘিনী’উপাধিতে ভূষিত করেন।

    .

    .

    গল্পপাঠে- মৌটুসি মৈত্র, 

    রানি ভবশঙ্করীর চরিত্রে বর্ণিশা ভট্টাচার্য ও বিভিন্ন পুরুষ চরিত্রে শঙ্খ বিশ্বাস। 

    সাউন্ড ডিজাইন- শঙ্খ বিশ্বাস। 

    মূল গল্প- অমৃত কোনার। 

    স্ক্রিপ্ট- কৌশিক রায়।

    কভার- রৌনক মণ্ডল

    16 min
  • Female Detective in Mahabharat Ep3 | মহাভারতের মহিলা গোয়েন্দা (পর্ব ৩)

    পাণ্ডবরা যখন বনপর্বে যখন রাজ্য হারিয়ে বনে বনে ঘুরছেন, তখন এক ঋষি যুধিষ্ঠির ও ভীমকে জানান, পাশা খেলে রাজ্যপাট হারানোর ব্যাপারে তাঁরাই একমাত্র নন। আছেন আরও একজন। এই বলে তিনি রাজা নল ও দময়ন্তীর কাহিনি শুরু করেন। রাজা নল দময়ন্তীর রূপের কথা নারদের কাছে শুনে তাঁর প্রেমে পড়েন। সব সময় তাঁর কথা চিন্তা করতে থাকেন। একদিন তিনি বনে শিকার করতে গিয়ে একটি সোনার রাজহাঁস দেখতে পান। সেটাকে শিকার করার আগেই হাঁসটি রাজাকে বলে, "আমাকে হত্যা করবেন না। আমার পরিবার আছে। বরং আপনি যা চান আমি সেই মনোবাঞ্ছা পূরণে সাহায্য করতে পারি।" রাজা নল খুশি হয়ে রাজ হাঁসটিকে দময়ন্তীর কাছে পাঠালেন।

    রাজহাঁসটি দময়ন্তীর মহলে উপস্থিত হয়ে রাজা নলের সুখ্যাতি করেন। পদ্মপাতার উপরে জল দিয়ে রাজার ছবি আঁকলে দময়ন্তী প্রেমে পড়েন। কিছু দিনের মধ্যেই দময়ন্তীর স্বয়ম্বরের ব্যবস্থা হয়। দময়ন্তী মনে মনে ঠিক করে নিয়েছেন তিনি রাজা নলকেই বিবাহ করবেন।

    দময়ন্তীর মতো সুন্দরী সারা পৃথিবীতে ছিল না। তাই তাঁর স্বয়ম্বরে যেমন পৃথিবীর বড় বড় রাজাদের কাছে নিমন্ত্রণ গিয়েছিল, তেমনই আমন্ত্রণ গিয়েছিল গন্ধর্ব, দেবতা ও অন্যান্যদের কাছেও। স্বয়ম্বরের দিন দেবরাজ ইন্দ্র, অগ্নিদেব, পবনদেব ও যম চারজনেই অবিকল নলের মতো সেজে স্বয়ম্বরে উপস্থিত হন। অভিসন্ধি? তাঁরাও যে বিবাহ করতে চান দময়ন্তীকে। দময়ন্তী কিভাবে চিনেছিলেন আসল রাজা নলকে?

    নল দময়ন্তীর গল্পকে সব সময়ই প্রেমের গল্প বা এক পতিব্রতা নারীর গল্প হিসাবে পরিবেশন করা হয়। কিন্তু এসবের ভিড়ে হারিয়ে যায় দময়ন্তীর অসম্ভব বিচক্ষণতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা।

    গোয়েন্দা মানেই কি যে খুনি আর চোর ধরে? নাকি গোয়েন্দা মানে এমন একজন যিনি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে উপনীত সঠিক সিদ্ধান্তে? সমাধান করেন সমস্যার? তাহলে এমন গোয়েন্দা আছে নাকি মহাভারতে? তাও মহিলা?

    এই বুধবার রাত নটায় গল্প হবে। প্রেমের উইকে প্রেমের গল্প তো হবেই। কিন্তু তার মাঝেই পাওয়া যাবে এক মহিলা গোয়েন্দাকে। আজ তৃতীয়  পর্ব

    কণ্ঠ - কৌশিক রায়, সাউন্ড ডিজাইন -শঙ্খ বিশ্বাস , কভার - শুভজিৎ ভড়

    15 min
  • Female Detective in Mahabharat | মহাভারতের মহিলা গোয়েন্দা (পর্ব ২)

    পাণ্ডবরা যখন বনপর্বে যখন রাজ্য হারিয়ে বনে বনে ঘুরছেন, তখন এক ঋষি যুধিষ্ঠির ও ভীমকে জানান, পাশা খেলে রাজ্যপাট হারানোর ব্যাপারে তাঁরাই একমাত্র নন। আছেন আরও একজন। এই বলে তিনি রাজা নল ও দময়ন্তীর কাহিনি শুরু করেন। রাজা নল দময়ন্তীর রূপের কথা নারদের কাছে শুনে তাঁর প্রেমে পড়েন। সব সময় তাঁর কথা চিন্তা করতে থাকেন। একদিন তিনি বনে শিকার করতে গিয়ে একটি সোনার রাজহাঁস দেখতে পান। সেটাকে শিকার করার আগেই হাঁসটি রাজাকে বলে, "আমাকে হত্যা করবেন না। আমার পরিবার আছে। বরং আপনি যা চান আমি সেই মনোবাঞ্ছা পূরণে সাহায্য করতে পারি।" রাজা নল খুশি হয়ে রাজ হাঁসটিকে দময়ন্তীর কাছে পাঠালেন।

    রাজহাঁসটি দময়ন্তীর মহলে উপস্থিত হয়ে রাজা নলের সুখ্যাতি করেন। পদ্মপাতার উপরে জল দিয়ে রাজার ছবি আঁকলে দময়ন্তী প্রেমে পড়েন। কিছু দিনের মধ্যেই দময়ন্তীর স্বয়ম্বরের ব্যবস্থা হয়। দময়ন্তী মনে মনে ঠিক করে নিয়েছেন তিনি রাজা নলকেই বিবাহ করবেন।

    দময়ন্তীর মতো সুন্দরী সারা পৃথিবীতে ছিল না। তাই তাঁর স্বয়ম্বরে যেমন পৃথিবীর বড় বড় রাজাদের কাছে নিমন্ত্রণ গিয়েছিল, তেমনই আমন্ত্রণ গিয়েছিল গন্ধর্ব, দেবতা ও অন্যান্যদের কাছেও। স্বয়ম্বরের দিন দেবরাজ ইন্দ্র, অগ্নিদেব, পবনদেব ও যম চারজনেই অবিকল নলের মতো সেজে স্বয়ম্বরে উপস্থিত হন। অভিসন্ধি? তাঁরাও যে বিবাহ করতে চান দময়ন্তীকে। দময়ন্তী কিভাবে চিনেছিলেন আসল রাজা নলকে?

    নল দময়ন্তীর গল্পকে সব সময়ই প্রেমের গল্প বা এক পতিব্রতা নারীর গল্প হিসাবে পরিবেশন করা হয়। কিন্তু এসবের ভিড়ে হারিয়ে যায় দময়ন্তীর অসম্ভব বিচক্ষণতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা।

    গোয়েন্দা মানেই কি যে খুনি আর চোর ধরে? নাকি গোয়েন্দা মানে এমন একজন যিনি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে উপনীত সঠিক সিদ্ধান্তে? সমাধান করেন সমস্যার? তাহলে এমন গোয়েন্দা আছে নাকি মহাভারতে? তাও মহিলা?

    এই বুধবার রাত নটায় গল্প হবে। প্রেমের উইকে প্রেমের গল্প তো হবেই। কিন্তু তার মাঝেই পাওয়া যাবে এক মহিলা গোয়েন্দাকে। আজ দ্বিতীয়  পর্ব

    কণ্ঠ - কৌশিক রায়, সাউন্ড ডিজাইন -শঙ্খ বিশ্বাস , কভার - শুভজিৎ ভড়

    15 min
  • Female Detective in Mahabharat | মহাভারতের মহিলা গোয়েন্দা

    গোয়েন্দা মানেই কি যে খুনি আর চোর ধরে? নাকি গোয়েন্দা মানে এমন একজন যিনি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে উপনীত সঠিক সিদ্ধান্তে? সমাধান করেন সমস্যার? তাহলে এমন গোয়েন্দা আছে নাকি মহাভারতে? তাও মহিলা?

    এই বুধবার রাত নটায় গল্প হবে। প্রেমের উইকে প্রেমের গল্প তো হবেই। কিন্তু তার মাঝেই পাওয়া যাবে এক মহিলা গোয়েন্দাকে। আজ প্রথম পর্ব 

    কণ্ঠ - কৌশিক রায়, সাউন্ড ডিজাইন -শঙ্খ বিশ্বাস , কভার - শুভজিৎ ভড়


    18 min

About Clock Tower

From the publisher's feed

We believe we need to change our taste. Do you?